শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
কুয়েতে সাজাপ্রাপ্ত পাপুলের এমপি পদ শূন্য: লক্ষ্মীপুর-২ আসনে নির্বাচনী হাওয়া লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন চট্টগ্রামে পাঁচ ভাই-বোনের একই দিনে বিয়ে মেয়ের খোঁজ নিতেন না তামিমা শাহবাগে লেখক মুশতাকের গায়েবানা জানাজা, জুতা মিছিল বনানীতে বিএনপির মশাল মিছিলে পুলিশের হামলার অভিযোগ অন্যের বিশ্বাসের প্রতি আঘাত করে লিখতেন মুশতাক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার চলবে ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ি ট্রেন আতিকের প্রতারণার তথ্য পেল পুলিশ! কৃষকনেতা বি এম সোলায়মান মাষ্টার এর ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত গাবতলীর কাগইলে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত গাবতলীর কাগইল করুণা কান্ত স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্ট উদ্বোধন গাইবান্ধায় আটক ঘড়িয়ালটি যমুনা নদীতে অবমুক্ত সাঁথিয়ার একমাত্র মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধা ভানু নেছা আর নেই বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন এর সাধারণ সভা ও জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত

প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সব কমিশনারদের অপসারণ ও কমিশন ঢেলে সাজাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতির প্রতি আবেদন টিআইবির

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
নির্বাচন কমিশনের কর্মকাÐ বিব্রতকর, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সব কমিশনারদের অপসারণ ও কমিশন ঢেলে সাজাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতির প্রতি আবেদন টিআইবির
ঢাকা, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯: নির্বাচন কমিশনের মতো একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান যেভাবে একের পর এক কেলেঙ্কারির জন্ম দিচ্ছে তা অভূতপূর্ব ও গোটা জাতির জন্য বিব্রতকর বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের হাতে এমন রাষ্ট্রীয় অমর্যাদা বন্ধ করতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সব কমিশনারদের আশু অপসারণ ও নির্বাচন কমিশনকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর বিকল্প নেই উল্লেখ করে মহামান্য রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ কামনা করেছে সংস্থাটি।
আজ এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলছেন, “প্রধান নির্বাচন কমিশনার, কমিশন সচিবালয় এবং অন্যান্য কমিশনারদের ন্যক্কারজনক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ির যে খবর দেশের প্রায় সব গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তা অভূতপূর্ব ও গোটা জাতির জন্য বিব্রতকর। অন্তত একজন কমিশনার একজন নিরাপত্তারক্ষীর নিয়োগের জন্য কমিশন সচিবালয়কে সুপারিশ করেছিলেন বলে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়। সেই সুপারিশ রক্ষা করা হয়নি বলে কমিশনাররা তোলপাড় করেছেন। সাংবিধানিক পদে থেকে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ যে সরাসরি নৈতিক স্খলন সেটা অনুধাবন করার মতো অবস্থাতেও নির্বাচন কমিশনাররা নেই। অন্যদিকে কমিশন সচিবালয়ের সঙ্গে কমিশনারদের অনাকাক্সিক্ষত দ্ব›েদ্বর সংবাদ এই প্রতিষ্ঠানের মর্যাদাকে পদদলিত করেছে। সাংবিধানিক পদাধিকারীরা যখন নিজেদের সচিবালয়ের বিরুদ্ধেই অনিয়মের অভিযোগ করেন তখন সেটার গুরুত্ব কোনো অংশে কম নয়। দেশের সাধারণ মানুষ হিসেবে আমরা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেছি।”
ড. জামান বলেন, “অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে নির্বাচন কমিশন ও এর সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় পচন ধরেছে। আর এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের মতো সুবিবেচনা ও সক্ষমতা আমরা প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনার বা কমিশন সচিবালয়ের কাছে আশা করার মতো সাহস পাচ্ছি না। কারণ একের পর এক কেলেঙ্কারির পর তাঁরা যেভাবে স্বপদ আঁকড়ে ধরে আছেন, তাতে এটা মনে করার যথেষ্ট কারণ আছে যে সংশ্লিষ্ট সবাই নিজেদের জবাবদিহিতা ও ন্যূনতম আত্মসমালোচনার ঊর্দ্ধে বলে ধরে নিয়েছেন।” নির্বাচন কমিশনের এই নির্বিকার আচরণ থেকে আমরা কি ধরে নিব? – এমন প্রশ্ন তুলে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, “এই নির্বাচন কমিশন দেশকে এক অভূতপূর্ব নির্বাচনের দায় চাপিয়ে দিয়েছেন, যার পরতে পরতে অনিয়মের অভিযোগ সত্তে¡ও কোনো তদন্ত হয়নি। প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনাররা এবং সচিবালয়ের কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণের নামে জনগণের করের টাকা হরিলুট করেছেন এমন অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু তারপরও ছিল অস্বস্তিকর নিরবতা। এরপর ধরা পড়ল বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গারা জাতীয় পরিচয়পত্র নিচ্ছেন অবৈধ লেনদেনের বিনিময়ে, যাতে জড়িত কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এভাবে দেশবাসীর সঙ্গে এমন ভয়াবহ প্রতারণা ও দেশের নিরাপত্তার জন্য চরম ঝুঁকি সৃষ্টি করা হলো। এখন সবাই মিলে লড়াই করছেন নি¤œপদস্থ কর্মচারী নিযোগের তদবির আর অনিয়ম নিয়ে।”
এই নির্বাচন কশিমন গোটা জাতির মাথা হেঁট করে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেন ড. জামান। তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন যে একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সেই সত্যটাও কমিশন সংশ্লিষ্টরা সম্ভবত ভুলে গেছেন। তাদের অধীনে ভবিষ্যৎ যে কোনো কার্যক্রম ও সিদ্ধান্ত প্রশ্নবিদ্ধ হতে বাধ্য। গণতন্ত্রের স্বার্থেই এহেন অবমাননাকর অধ্যায়ের শেষ হওয়া দরকার। ব্যর্থতা এবং নৈতিক স্খলনের দায় নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা অন্যান্য কমিশনাররা যে সরে যাবেন না সেটা এতোদিনে আমাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে। তাঁরা তাঁদের শপথের অবমাননা করছেন, সংবিধান অবমাননা করছেন এবং নিয়োগকর্তা হিসেবে মহামান্য রাষ্ট্রপতির অসম্মানের ঝুঁকি সৃষ্টি করছেন। আমরা মহামান্য রাষ্ট্রপতির প্রতি সশ্রদ্ধ আবেদন করছি, এই বিতর্কিত ব্যক্তিদের দ্রæত অপসারণের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য। পাশাপাশি এ পর্যন্ত যত অনিয়ম হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন ও সংশ্লিস্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তার তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38331658
Users Today : 1761
Users Yesterday : 6494
Views Today : 5499
Who's Online : 67
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/