শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ১১:২০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে গরম কাপড়ের কদর  বেড়েছে বরিশালে।  শাহসুফি সৈয়দ ক্বারী অাব্দুল মান্নান শাহ( রাঃ) এর বার্ষিক ওরশ ও ঈদে মিলাদুন্নবী( সাঃ) সম্পন্ন। শিবগঞ্জে মামলার প্রতিবাদ ও ধর্ষণের চেষ্টা মামলার সুষ্ঠ তদন্ত চেয়ে সংবাদ সম্মেলন শিবগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মা ও ছেলেকে লাঞ্চিতের অভিযোগ ডা. মিলনের রক্তের সাথে বেঈমানি করবেন না : মোমিন মেহেদী ঝালকাঠি সদর থানার ওসি খলিল মানবিক সেবায় অনন্য।মাদক সেবীদের আতঙ্ক ।  বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আটকা পড়েছে করোনা সনদ না থাকায় পাসপোর্ট যাত্রীরা তারেক রহমানের ৫৬তম জন্মদিন উপলক্ষে গাবতলীতে যুবদলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ব্যারিস্টার এসএম সাইফুল্লাহ রহমান কেন্দ্রীয়  যুবলীগের সদস্য মনোনীত হওয়ায় ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের শুভেচ্ছা সাঁথিয়ায় ধুলাউড়ি গণহত্যা দিবস পালিত নলছটিরি নাচনমহল ইউনযি়ন পরষিদরে চয়োরম্যান র্প্রাথী মাসুম বল্লিাহ শক্ত অবস্থানে মাঠ।ে বিরামপুরে পাকা রাস্তার কাজের অনিয়ম দেখার দ্বায়িত্বে কে! দুমকিতে দেশী-বিদেশী মদসহ যুবক আটক সাবেক সেনা সদস্যের বাড়ি থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার বেরোবিতে দুর্নীতির খবর ঢাকতে উপেক্ষিত তথ্য অধিকার আইন

প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ করতেই উপজেলা পদ্ধতি চালু করে ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। 

১৯৮৪ সালের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের জেলা ছিল ১৯টি যথা চট্টগ্রাম, ঢাকা, টাঙ্গাইল, পটুয়াখালী, ময়মনসিংহ, যশোর, রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া ইত্যাদি। প্রতিটি জেলার মধ্যে আরেকটি প্রশাসনিক নিম্নধাপ ছিল, যেটিকে বলা হতো মহকুমা বা ইংরেজিতে সাব-ডিভিশন। প্রেসিডেন্ট এরশাদ সব মহকুমাকে জেলাপর্যায়ে উন্নীত করেন। ফলে বাংলাদেশে জেলার সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৪টি। ওই সময় জেলার নিচে ছিল মহকুমা এবং মহকুমার নিচে ছিল থানা।
আর এই থানা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি সাংগঠনিক স্তর এবং যুগপৎ ছিল একটি প্রশাসনিক স্তর। এরশাদ সাহেব স্থানীয় সরকারের একটি ধাপ হিসেবে ‘উপজেলা’ সৃষ্টি করেন। কোনো কোনো উপজেলায় একটি থানা আবার কোনো কোনো উপজেলায় একাধিক থানা ছিল বা আছে। তিনি নির্বাচিত ব্যক্তিগণের মাধ্যমে উপজেলা পরিচালনার ব্যবস্থা করেছিলেন। ১৯৮৪ সালে মহকুমা বিলুপ্ত হয়ে জেলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং ১৯৮৫ সালে জেলা উপজেলা পদ্ধতি প্রবর্তিত হয়েছিল; প্রথমবারের মতো নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা দায়িত্ব নিয়েছিলেন। স্থানীয় সরকার হিসেবে উপজেলা এখনো যথেষ্ট সাফল্য পায়নি বা সম্পূর্ণ সফল প্রতিষ্ঠান হতে পারেনি, আংশিকভাবে সফল প্রতিষ্ঠান ও পদ্ধতি এটি। এর কারণ, আমাদের রাজনৈতিক সরকারগুলোর অনীহা।
অনেকেই অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা বলছেন,আমি বলতে চাই এই উন্নয়নের সাথে তাল মিলিয়ে বা সমান্তরালে কি সামাজিক ও নৈতিক উন্নয়ন হচ্ছে,হয়নি।এই জন্যই প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের উদ্যোক্তা
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বাংলাদেশে একমাত্র ব্যক্তি যিনি প্রাদেশিক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তনের আহ্বান জানিয়ে ছিলেন।বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় প্রাদেশিক সরকার কতটুকু প্রাসঙ্গিক সেটি অবশ্যই আলোচনার দাবি রাখে।
মানুষের দুর্ভোগ, বারবার মনে করিয়ে দেয় যে, প্রশাসনিক সংস্কার অতি জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন; কিন্তু আমরা সে দিকে অবহেলা করছি। আমার ব্যক্তিগত মত, আমরা রাজনৈতিক কারণে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দু’টি ভাগে বিভক্ত করেছিলাম; কিন্তু প্রশাসনিক প্রয়োজনে ঢাকা মহানগরীর উন্নয়নের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা আজো করিনি। অর্থাৎ রাজনৈতিক প্রয়োজন অগ্রাধিকার পেয়েছে, তবে জনগণের কল্যাণ অগ্রাধিকার পায়নি।
লেখক- মোঃআজিজুল হুদা চৌধুরী সুমন
রাজনীতিবিদ
সদস্য – কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি জাতীয় পার্টি
সহসভাপতি-জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি
সভাপতি -জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37867348
Users Today : 2547
Users Yesterday : 2663
Views Today : 8895
Who's Online : 100
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone