সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৭:১৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
তৃষ্ণা মেটাতে ডাবের কদর বেড়েছে বরিশালে  ভুয়া সাংবাদিকদের প্রতারণার জাল  !  আরও ৬ মাস জেলের বাইরে থাকার অনুমতি পেলেন খালেদা জিয়া বাংলাদেশ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত হওয়ায় শার্শা- বেনাপোল থানা পুলিশ কেক কেটে আনন্দ উদযাপন গৃহশ্রমিকদের শ্রম আইনে অন্তর্ভুক্তি-অধিকার ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করুন ১৬ বছরেও পচেনি লাশ, কাফনের কাপড়ও অক্ষত দেশে প্রথম ট্রান্সজেন্ডার সংবাদ পাঠক তাসনুভা শিশির আহসানউল্লাহ মাস্টারসহ ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার আটকের পরেই সু চির দলীয় নেতার মৃত্যু চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত আজ ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস বাংলাদেশীদের জন্য যুক্ত হচ্ছে নতুন শ্রমবাজার মাদাগাস্কার কোন বৌদিকে পটাতে হলে জিজ্ঞাস করুন এই কথাগুলি, সে আপনার ওপর দুর্বল হয়ে উঠবে নারী স্বামীর সম্পত্তি নয় যে অনিচ্ছা সত্ত্বেও একসঙ্গে থাকতে হবে,,সুপ্রিম কোর্ট এসআই, সার্জেন্ট ও কনস্টেবল পদে নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক পরিবর্তন

প্রশাসনে দুর্নীতিবাজরা আতঙ্কে বেরিয়ে আসছে অনেক পিডির কীর্তি

প্রশাসনে সচিব থেকে শুরু করে ডিসি, এসপি, ইউএনও, এসিল্যান্ড এবং বিভিন্ন প্রকল্পের পিডিসহ দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। যুবলীগের দুই নেতাকে আটক এবং বিভিন্ন ক্লাবের ক্যাসিনোতে আভিযানের ফলে দুর্নীতিবাজরা অনেকে গা ঢাকা দিয়েছে। সচিবালয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে এ নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে। সচিবালয়েও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের মধ্যে ভীতি বিরাজ করছে। মাঠ প্রশাসনে দুর্নীতি বন্ধে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা কাজে আসছে না বলে জানা গেছে। অনেক সচিব, ডিসি, ইউএনও এবং সহকারী কমিশনারদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সরকারি দলের মন্ত্রী ও এমপিরা।

টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ সরকার বছরের শুরুতেই জনগণকে দেয়া ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে। ইশতেহারের প্রতিশ্রুতির অন্যতম দুর্নীতির বিরুদ্ধে এরই মধ্যে অভিযান শুরু হয়েছে। চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আপসারণ করা হয়েছে। চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির দায়ে যুবলীগের দুই নেতাকে পুলিশ আটক করেছে। অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ক্যাসিনিওয়ের বিরুদ্ধে চলছে অভিযান। এবার প্রশাসনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কোনো দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা দেশত্যাগ করতে না পারে সে জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নিদের্শনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সরকারি দলের নির্বাচনী ইশতেহারে বলা হয়েছে, দুর্নীতি একটি বহুমাত্রিক ব্যাধি। পেশিশক্তির ব্যবহার ও অপরাধের শিকড় হচ্ছে দুর্নীতি। যার ফলে রাষ্ট্র ও সমাজ-জীবনে অবক্ষয় বা পচন শুরু হয়। এর ফলে অর্থনীতি, রাজনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য প্রভৃতি কোনো ক্ষেত্রেই কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হয় না। দুর্নীতি দমনে রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও আইনের প্রয়োগ মুখ্য হলেও তা শুধু সরকারের দায় নয়, জনগণেরও দায় রয়েছে।

অঙ্গীকারে বলা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশনকে কর্মপরিবেশ ও দক্ষতার দিক থেকে যুগোপযোগী ও আধুনিকায়ন করা হবে। সে ক্ষেত্রে দুর্নীতি দমনের ক্ষেত্রে আধুনিক তথ্য ও প্রযুক্তির সহজলভ্যতায় এবং প্রায়োগিক ব্যবহারে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পর্যালোচনা, পর্যবেক্ষণ ও তদারকি ভবিষ্যতে আরো জোরদার করা হবে। দুর্নীতি প্রতিরোধে আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি রাজনৈতিক, সামাজিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ জোরদার করা হবে। ঘুষ, অনুপার্জিত আয়, কালো টাকা, চাঁদাবাজি, ঋণখেলাপি, টেন্ডারবাজি ও পেশিশক্তি প্রতিরোধ এবং দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়ন নির্মূলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এসব বাস্তবায়নে চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন। ওই সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস, মাদক ও জঙ্গিবাদের মতো দুর্নীতির বিরুদ্ধেও আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুনির্দিষ্ট একটা নির্দেশনা দিতে হবে, একেবারে তৃণম‚ল পর্যন্ত কেউ দুর্নীতি করলে সঙ্গে সঙ্গে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। যে লক্ষ্য আমরা নিয়েছি তা পূরণ করতে পারবো, এর জন্য সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলা দরকার। আমরা বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা এত বেশি বৃদ্ধি করে দিয়েছি, সেক্ষেত্রে আমি তো মনে করি আমাদের দুর্নীতির কোনও প্রয়োজনই নেই।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সম্পদের হিসাব সন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অন্যদিকে ভুমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সম্পদের হিসাব দাখিল করেছেন। তবে টিআইবির মতে, বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের এবারকার অবস্থান ১৩তম। আগের বছর বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪তম।

দৃশ্যতই দুর্নীতিতে বাংলাদেশ আরো একধাপ এগিয়েছে। নতুন বছরের প্রথম মাসে কয়েকটি অধিদফতর ও পদস্থ কর্মকর্তাদের সম্পদবিবরণী পেয়ে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করেছে। এতেই সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নড়েচড়ে বসেছেন তারা। দুর্নীতির বিষয়ে জিরো ট্রলারেন্স নীতি বাস্তবায়েনের নমুনা এরই মধ্যে দেখাতে পেরেছে সরকার এমনটাই জানিয়েছেন দলটির সিনিয়র নেতারা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যা প্রয়োজন তার সব তো আমরা মেটাচ্ছি, তাহলে দুর্নীতি কেন হবে? কাজেই এখানে মানুষের মন-মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। জনপ্রশাসন কর্মকর্তাদের সততা ও আন্তরিকতা নিয়ে জনসেবা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপরিচালনার হার্ট (প্রাণ) জনপ্রশাসন। আপনাদের সেভাবে কাজ করতে হবে, আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করবেন। জনপ্রশাসনে পদোন্নতি প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, প্রশাসনসহ সবক্ষেত্রে শুধু জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নয়, এখানে দক্ষতাটাকে প্রাধান্য দিতে হবে। কে কত বেশি কাজ করতে পারে, কতটা সততার সঙ্গে কাজ করতে পারে এবং নিয়মশৃঙ্খলা মেনে চলে, এসব বিবেচনা করে পদোন্নতি হওয়া উচিত।

সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য এ এস এম আবদুল হালিম ইনকিলাবকে বলেন, প্রশাসনের কর্মকর্তরা এখন প্রজাতন্ত্রের চাকরি করছে না তারা এখন সরকারি দলের নেতাকর্মীদের মতো হয়ে দুর্নীতি করতে বাধ্য হচ্ছেন। তা না হলে সারাদেশে প্রশাসনে দুর্নীতি হচ্ছে সরকারি দলের মন্ত্রী ও এমপিরা অভিযোগ করছেন, তারপরও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। এ ধরনের অভিযান আরো আগে করার প্রয়োজন ছিল। আমরা চাই প্রশাসনে যারা দুর্নীতি করছে, সরকার তা খুঁজে প্রশাসনকে দুর্নীতিমুক্ত করবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এইচ এন আশিকুর রহমান চৌধুরী ইনকিলাবকে বলেন, আমাদের সরকার সব সময় দুর্নীতি বন্ধে কাজ করছে। অনেক সময় সরকারি কর্মকর্তারা সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য নিজেরাই দুর্নীতিতে লিপ্ত হচ্ছেন। বিষয়গুলো সামনে নিয়ে প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জানা গেছে, প্রশাসনে সচিব, অতিরিক্ত সচিব, ডিসি (উপসচিব), এসপি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সহকারী কমিশনারসহ (ভূমি) মাঠ প্রশাসনের প্রায় এক হাজার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার অভিযোগ রয়েছে। আবার যাদের বিরুদ্ধে ডিসি থাকা অবস্থায় অভিযোগ ছিলো তারা এখন অনেকে সচিব হয়েছেন। তাই এসব অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন বছরের পর বছর আটকে রাখছেন বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকরা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়ে সাবেক যুগ্ম সচিব মো. মনির হোসেনের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারকে তদন্ত করতে দেয়া হয়। গাজীপুরের সাবেক জেলা প্রশাসক এ এ আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বেগম ফারজানা মান্নানের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ২০১৭ সালের ৩১ আগস্ট ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়া হয়।

নরসিংদীর সাবেক জেলা প্রশাসক আবু হেনা মোর্শেদ জামান, কিশোরগঞ্জের সাবেক ডিসি মো. সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার। বান্দরবান পার্বত্য জেলার ডিসি দিলীপ কুমার বণিকের বিরুদ্ধে তদন্ত করে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার। গাইবান্ধার সাবেক জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (স্মারক নম্বর-৪৮৭) এবং রংপুরের সাবেক জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে তদন্ত হয়েছে। টাঙ্গাইলের সাবেক ডিসি নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করে ঢাকা ও রংপুর বিভাগীয় কমিশনার। জয়পুরহাটের সাবেক জেলা প্রশাসক মো. আ. রহিমের বিরুদ্ধে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (স্মারক নম্বর-২২৭) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার তদন্ত করে।

লালমনিরহাটের সাবেক জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (স্মারক নম্বর-২২৪) রংপুর বিভাগীয় কমিশনার তদন্ত করেন। চট্টগ্রামের সাবেক ডিসি মো. সামসুল আরেফিন, সাবেক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল এবং ল²ীপুরের সাবেক ডিসি এ কে এম টিপু সুলতানের তদন্ত করে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার। সিলেটের সাবেক ডিসি মো. জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ (স্মারক নম্বর-১৭৩) তদন্ত ক করে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার।

এ প্রসঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোজাম্মেল হক খান ইনকিলাবকে বলেন, মাঠ প্রশাসন বিশাল একটি কর্মযজ্ঞ। এখনে অনিয়ম-দুর্নীতি হতে পারে। কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এলে তা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়। প্রশাসনে দুর্নীতি বন্ধে নির্দেশনা দেয়া আছে।

জানা গেছে, ২০১১ সালে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে ১১০টি। এর বিপরীতে নিষ্পত্তি হয় মাত্র ২৮টি অভিযোগ। ২০১২ সালে অভিযোগ আসে ৭৬টি, নিষ্পত্তি হয় ১৬টি। ২০১৩ সালে অভিযোগ আসে ২০৭টি, নিষ্পত্তি হয় ৬১টি। ২০১৪ সালে অভিযোগ আসে ১২২টি, নিষ্পত্তি হয় ৭৮টি। ২০১৫ সালে অভিযোগ আসে ২৩৬টি, তার মধ্যে নিষ্পত্তি হয় ৮০টি। ২০১৬ সালে অভিযোগ আসে ২১৭টি, তার মধ্যে ৬০টি নিষ্পত্তি করা হয়। ২০১৭ সালে ডিসেম্বর পর্যন্ত ২৮২টি অভিযোগের মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ৯০টি। ২০১৯৮ সালে ৩২৩টি অভিযোগের মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে ২১১টি।

এমপি-মন্ত্রীরা তাদের এলাকার যে সব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ওদুর্নীতির অভিযোগ করেছেন তারা হলেন, সাভারের সাবেক সহকারী কমিশনার আবু জাফর রাশেদ এবং সাভারের সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. যুবায়ের, নওগাঁ জেলার মান্দার সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নুরুজ্জামান, ঝালকাঠি জেলার সাবেক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাকির হোসেন, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্বন্দীপ কুমার সরকার, পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার সাবেক এসিল্যান্ড মুহাম্মদ শামীম কিবরিয়া, ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলা সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুর রহমান, নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেগম নাসরিন সুলতানা, গাজীপুর সদরের সাবেক সহকারী কমিশনার (এসিল্যান্ড) মোতাকাব্বির আহমেদ, গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়া উপজেলার সাবেক ইউএনও মো. সফিউল্লাহ, গাজীপুর জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজ প্রণতি বিশ্বাস, বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার সাবেক ইউএনও মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত হয়েছে। এখনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38372389
Users Today : 4011
Users Yesterday : 2978
Views Today : 11887
Who's Online : 29
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/