বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০৬:২৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
ধর্ষণের ঘটনা মীমাংসায় সালিশ কেন অপরাধ নয়: হাইকোর্ট সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ দেশে ফেরামাত্র পি কে হালদারকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ করোনায় আরো ২৪ মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৪৫ নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের জন্য গণচাঁদা চাইলেন নুর নিয়ন্ত্রণহীন নিত্যপণ্যের বাজার, দায় এড়াচ্ছে কর্তারা নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনে পরিণত হয়েছে: ফখরুল চট্টগ্রামে এসিল্যান্ডের গাড়িতে ককটেল হামলা বন্ধুর স্ত্রীকে ধর্ষণের ভিডিও পর্নোসাইটে, বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা নিবে ঢাবি উপ-নির্বাচনে জিতলেন ওবায়দুল কাদেরের ‘স্বাক্ষর জালের আসামি’ মাদকে ক্রসফায়ার, ধর্ষণে পুরষ্কার ইসলামপুরে ব্যবসায়ীদের সাথে উপজেলা প্রশাসনের মত বিনিময় কুষ্টিয়ার যে বাজারে দুই কোটি টাকার সবজি কেনাবেচা প্রতিদিন আলুর দর -৩০  রৌমারীতে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সেলিমের বিরুদ্ধে অপপ্রচার : এলাকাবাসীর প্রতিবাদ  বিশ্ববিদ্যালয় কেন খোলা হবে না ?

বন্দির স্ত্রীকে নিয়ে কারারক্ষী নিরুদ্দেশ

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের এক কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বন্দীর স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে নিরুদ্দেশ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ২৮ জুলাই থেকে ওই বন্দির স্ত্রীকে জিম্মি করে রেখেছেন মামুন হোসেন নামের ওই কারারক্ষী। গত ৫ বছর ধরে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে কর্মরত মামুন হোসেন। তিনি সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ এলাকার বাসিন্দা। বিবাহিত ওই কারারক্ষী কারাগারের ব্যারাকে একাই থাকেন।

বন্দি মোহাম্মদ আকাশ রাজশাহী নগরীর ষষ্ঠিতলা এলাকার বাসিন্দা। তার আট বছর বয়সী এক ছেলে সন্তান রয়েছে। তার স্ত্রীর নাম পারভীন আক্তার। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর পৌর এলাকার রহমতপাড়া মহল্লার নাসির উদ্দিনের মেয়ে। ১৪ বছর আগে রাজশাহী নগরীর বাসিন্দা আকাশের সঙ্গে পরিবারের সম্মতিতে পারভীনের বিয়ে হয়।

রোববার পারভীন আক্তারের বড় বোন শিরিন আক্তার বলেন, আকাশ জেলে যাওয়ার পর ওই কারারক্ষীর সঙ্গে পারভীনের মোবাইলে যোগাযোগ হয়। এরপর তারা পরকীয়ায় জড়িয়ে যান। গত কোরবানির ঈদের তিন দিন আগে ওই কারারক্ষীর সঙ্গে পারভীন নিরুদ্দেশ হন।

তিনি বলেন, আমরা ধরেই নিয়েছিলাম পারভীন স্বেচ্ছায় বাড়ি ছেড়েছে। কিন্তু পরে ফোন করে আমাদের জানিয়েছে ওই ছেলে তাকে জিম্মি করে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করেছেন। তাকে বিয়ে না করেই স্বামী-স্ত্রীর মতো বসবাস করছেন। এই তথ্য পেয়ে তারা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কিন্তু উদ্ধার করতে পারেননি। এ নিয়ে তারা এখন মামলা করার কথা ভাবছেন।

পারভীনের স্বামী আকাশ বলেন, তিনি সোনালী ব্যাংক রাজশাহী নগরীর একটি শাখায় সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করতেন। সেখান থেকে ফেরার পথে নগর ডিবি পুলিশ তাকে সন্দেহভাজন মাদক কারবারি হিসেবে তুলে নিয়ে যায়। ওই সময় তার কাছে টাকা দাবি করে পুলিশের ওই দলটি। কিন্তু তিনি সেই দাবি পূরণ করতে পারেননি। পরে তাকে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেয়। কারাবন্দি থাকার সময় কারারক্ষী মামুন হোসেনের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। তিনি স্ত্রীর মোবাইল নম্বর দিয়ে ওই কারারক্ষীকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে খোঁজখবর দেয়ার অনুরোধ করেন।

এরপর পারভীনের সঙ্গে ওই কারারক্ষী পরকীয়া শুরু করেন। একপর্যায়ে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের গোপন ভিডিও ধারণ করে তাকে জিম্মি করেন কারারক্ষী। তার স্বামীর মাদক মামলায় যাবজ্জীবন হবে জানিয়ে তাকে বাড়ি থেকে ভাগিয়ে নিয়ে যান। পরে স্বামীকে তালাক দিতেও বাধ্য করেন।

গত কয়েকদিন ধরে বিষয়টি জানাজানি হয়েছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাদক মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়েছেন ওই কারারক্ষী। তিনি বলেন, তিনি নগরীর নিউ মার্কেটের সামনে ফুটপাতে দোকান করেন। সেই দোকানে মাদক রেখে ফাঁসানোর হুমকি দিয়েছেন নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার দুই এসআই। এরপর থেকে তিনি দোকান বন্ধ রেখে আত্মগোপন রয়েছেন।

এদিকে ওই নারীর সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের বিষয়টি স্বীকার করেন কারারক্ষী মামুন হোসেন। তিনি দাবি করেন, ওই নারীর সঙ্গে তার কোনো অনৈতিক সম্পর্ক নেই। তিনি বিবাহিত। তার সংসার আছে। তিনি এমনটি করতেই পারেন না। ওই নারীকে স্বামীর কাছ থেকে ভাগিয়ে নেয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেন কারারক্ষী মামুন হোসেন।

এ বিষয়ে জানতে কয়েক দফা চেষ্টা করেও রাজশাহীর সিনিয়র জেল সুপার গিয়াস উদ্দিন ও জেলার মাসুদুর রহমানের মোবাইলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37634420
Users Today : 2540
Users Yesterday : 5388
Views Today : 8591
Who's Online : 27
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone