বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২০, ০৪:০২ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
নারী কর্মকর্তার করা অভিযোগে নেত্রকোনার ডিসি প্রত্যাহার মেজর সিনহাকে গুলি করে হত্যা, কী হয়েছিল সেদিন শেখ কামালের জন্মদিনে যতো আয়োজন বৈরুতে বিস্ফোরণে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ১৯ সদস্য আহত কোভিড -১৯: কুষ্টিয়ায় পৌর মেয়রসহ আরও ৭৭ জন আক্রান্ত  কুষ্টিয়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন কুমারখালীতে যৌন হয়রানীর অভিযোগে গ্রেফতার ১ নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে "কোভিড-১৯ মোকাবেলায় প্রযুক্তি ও ডিজিটাল বাংলাদেশ" শীর্ষক ভার্চুয়াল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত বন্যার্তদের ঈদ আনন্দ ৩ রাষ্ট্রদূতের চুক্তির মেয়াদ বাড়ালো সরকার পুলিশের গুলিতে মেজর (অব.) সিনহার মৃত্যু, মাঠে তদন্ত দল প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষকরা পদোন্নতি পেয়ে হবেন প্রধান শিক্ষক গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্রের পানি এখনও বিপদসীমার ২২ সেন্টিমিটার উপরে করোনা ঝুঁকি উপেক্ষিত সাপাহারে ঐতিহ্যবাহী জবই বিল দর্শনার্থীদের পদ চারনায় মুখোরিত বকশীগঞ্জে পুকুরে ডুবে ২ শিশু মৃত্যু, চিকিৎসকের উপর  হামলা আহত ৪

বাড়ছে শিশু নির্যাতন

সারা দেশে শিশু নির্যাতন বেড়েই চলেছে। ঘরে-বাইরে কোথাও যেন নিরাপদ নয় দেশের শিশুরা। পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত খবরে উঠে এসেছে যে, ২০১৯ সালে সারাদেশে ধর্ষণের ঘটনা আগের বছরের চেয়ে বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।
কোনো কোনো মা-বাবা বা অন্যান্যরা শিশুকে সবকিছুতেই বেশি বেশি নিয়ন্ত্রণ করেন। তার ইচ্ছামতো কিছুই করতে দেন না, নিজের ইচ্ছা শিশুর উপর চাপিয়ে দেন এবং শিশুর মতামতকে মূল্যায়ন করেন না। আবার অতিরিক্ত প্রশ্রয় দেয়াও শিশুর সুস্থ বিকাশের জন্য অন্তরায়। তাই এই দুটি অবস্থাই শিশুর জন্য মানসিক নির্যাতন শিশুরা ভয়ে ভয়ে থাকা, অবস্তায় হঠাৎ ভেঙ্গে পড়া, নিরাপত্তার অভাব বোধ করা, হীনমন্যতায় ভোগা, অন্যের উপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হওয়া ইত্যাদি। বাড়ী থেকে, পালিয়ে যাওয়া । এবং আত্মহত্যার চেষ্টা করা, আক্রমনাত্মক হয়ে ওঠা, নেশাগ্রস্থ হওয়া, মাদকাসক্ত হওয়া ইত্যাদি।

শারীরিক বল প্রয়োগ করে, কাউকে আঘাত করাই শারীরিক নির্যাতন। শিশুর কান মলা থেকে শুরু করে যেকোনো বড় ধরনের আঘাত এই নির্যাতনের অন্তরভূক্ত। যত কম বয়সে শিশুর ওপর নির্যাতন হবে তত এর ফলাফল মারাত্মক হবে। আবার বয়ঃসন্ধিকালেও কিশোর কিশোরীরা খুবই সংবেদনশীল থাকে তাই এই বয়সে নির্যাতনের প্রভাব খুব বেশি হয়। খুব বেশি নিয়ন্ত্রণ এবং খুব বেশি প্রশ্রয়দান
যে সকল ঘটনা ঘটছে তাতে কোনো শিশুই যে একেবারে নিরাপদে আছে এটা বলা যাবে না। শিশুদের এই যে নিরাপত্তাহীনতা এটা প্রচন্ড একটি উদ্বেগ জনক বিষয়। এটা সমাজের জন্য খুব একটা খারাপ চিত্র বহন করে, খুব খারাপ ম্যাসেজ দেয় যে শিশুরা নিরাপদ না। অতএব শিশুদের নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

আল-আমিন আহমেদ’ জীবন
কলাম লেখক ও নিবন্ধকার

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone