সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
‘হিন্দুরা মূর্তি পূজা করে’—অনেক বড় হয়েও এ কথা শুনেছি, অন্য ধর্মাবলম্বীদের কাছে উপহাসের পাত্র হয়েছি সোনাইমুড়িতে মেহেদীর রং না শুকাতেই অদৃশ্য কারণে যুবকের আত্মহত্যা ফিল্মি স্টাইলে ৪৫ লাখ টাকা ছিনতাই করে কক্সবাজার ভ্রমণ ভালো ঘুমের অভাবে দেখা দিতে পারে যেসব অসুখ স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে কি হয় জানেন? গাবতলীতে বিভিন্ন দূর্গাপূজা মন্ডপে আর্থিক অনুদান দিলেন বিএনপি নেতা নতুন সাভার আশুলিয়ায় মিনি ক্যাসিনোর সন্ধান সামনে ক‍্যারাম বোর্ড পেছনে ক‍্যাসিনোর আটক -২১ জন কুমিল্লায় পাঁচশ’ বছরের পুরনো পূজা মন্ডপে জীবন্ত সাপ ঘিরে চাঞ্চল্য গৃহবধূকে আটকে রেখে চেয়ারম্যান-মেম্বার মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের চূড়ান্ত অনুমোদন বেগমগঞ্জে পাঁচ ছিনতাইকারী আটক কক্সবাজারে বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ডিআইজি মোঃ আনোয়ার হোসেন চোখে আঘাত পেলে করণীয় সনাতনী ধর্মানুভূতিতে আঘাত : অভিনেত্রী তিশাসহ চার জনকে আইনি নোটিশ উইগুর নারীদের জরায়ুতে বিশেষ ডিভাইস বসিয়েছে চীন

বাবা-মার যেসব ভুলের কারনে নষ্ট হয়ে যেতে পারে শিশুর মূল্যবান ভবিষ্যত

প্রতিটি বাবা-মায়ের সৌভাগ্য বয়ে আনে একটি শিশু। পরিবারের এই খুদের মানুষটির যত্ন-আত্তির উপরই কিন্তু নির্ভর করে তাদের ভবিষ্যত। একটি শিশু কিন্তু একদম কাদা মাটির মতো। পরিবার তাকে যা শেখাবে সে কিন্তু সেটাতেই অভ্যস্ত হয়ে যাবে। 

তবে বর্তমানে বেশিরভাগ বাবা-মা কর্মজীবী হওয়ায় তারা শিশুকে সময় দিতে পারেন। এর ফলে বাধে যত বিপত্তি। শিশু একাকীত্ব অনুভব করায় দিনকে দিন মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। তবে অনেক বাবা-মা শিশুর বোবাকান্না টের পায় না।

অনেক দায়িত্বশীল মা-বাবা এ ব্যাপারে ভুল করে থাকেন। তাদের একটি ভুলের জন্য একটি নষ্ট হতে পারে শিশু উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সেই ভুলগুলো কি কি?

চাকুরীজীবি পরিবারের শিশুরা একটু ভিন্ন ভাবে বেড়ে ওঠে। যখন মা-বাবা দুজনেই কাজকর্মে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, তখন তাদের একমাত্র আদরের সন্তানের স্থান হয় ডে-কেয়ার হোম অথবা বাড়ির কাজের মেয়ের কোলে।

শিশুটি যখন একটু বড় হয়। তখন তার আশেপাশে কাউকে না পেয়ে একাকীত্ব অনুভব করে। এর ফলে সে বেছে নেয় ইন্টারনেট, টেলিভিশন, আত্মঘাতী ভিডিও গেমস ও অশ্লীল ভিডিও ইত্যাদি। 

যার ফলে একঘেয়েমি হয়ে শিশু ক্রমশ জেদি হয়ে ওঠে। ততদিনে শিশুটি কিন্তু মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এর ফলে দেখা দেয় শিশুর মিথ্যা বলা, না বলে অন্যের জিনিস নিয়ে যাওয়া, সামাজিক নিয়মগুলো না মানাসহ স্কুল পালানো।

শিশুর এইসময়কার মানসিক সমস্যাকে ওডিডি বলা হয়। অপজিশনাল ডেফিয়েন ডিজঅর্ডার। মানে হলো তর্ক করা। বড়দের একদমই মানবে না। তার নিজের কথার পেছনে অনেক যুক্তি দাঁড় করবে। 

এবার জেনে নিন এগুলো থেকে শিশুদেরকে কীভাবে বের করবেন?

> অফিস শেষ করে বাড়ি যাওয়ার পথে শিশুর জন্য কিছু গিফট যেমন, তার পছন্দের কিছু খাবার, খেলনা, ইত্যাদি নিয়ে যেতে পারেন।

> বাসায় এসে তাকে সময় দিবেন এবং তার সঙ্গে খেলার ছলে প্রচুর শিক্ষনীয় বিষয়ে কথা বলতে হবে। ভালো আচার-আচরণ শেখাতে হবে।

> খেয়াল রাখতে হবে শিশু যেন সব সময় টেলিভিশন না দেখে, অপ্রাপ্ত বয়সে যেন ইন্টারনেট না ব্যবহার করে। এসব বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে বাবা-মাকে। 

> সাপ্তাহিক ছুটিতে শিশুদেরকে নিয়ে কোথাও ঘুরতে যেতে পারেন। ঢাকার কোলাহল থেকে দূরে কোথাও। যেমন- পাহাড়ে, পার্কে কিংবা আত্মীয়স্বজনের বাসায়। 

একটি শিশুর সামাজিকীকরণ গড়ে ওঠে পরিবার থেকেই। কারণ পরিবারই তার প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37672532
Users Today : 3240
Users Yesterday : 8769
Views Today : 7109
Who's Online : 90
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone