রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ০৭:০৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
সেদিন আমি স্নানও করিনি, যদি ওই অবস্থায় দেখে ফেলে! ময়মনসিংহের ত্রিশালে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিবাদ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেয় আ’লীগ সরকার-গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী খোলামেলা ফটোশুট করে সমালোচনার শিকার নুসরাত বগুড়া জেলা পুলিশের জালে আটক হয়েছে এক বিস্ময়কর বালক! শৈত্যপ্রবাহমুক্ত দেশ ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ মাথাপিছু ১০ হাজার টাকা ব্যয়ে তৈরি হবে ৪০ হাজার দক্ষ চালক স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন চট্টগ্রামের ড. জমির উদ্দিন সিকদার — নওগাঁর মহাদেবপুরে পরিযায়ী পাখি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক সভা অনুষ্ঠিত তিন শতাধিক অসহায়-গরীব শীতার্তদের পাশে দিনাজপুরস্থ খানসামা উপজেলা সমিতি মার্চ ফর ডেমোক্রেসির ৩৯তম দিনে মানিকগঞ্জে হানিফ বাংলাদেশী যশোরে একাধিক মাদক মামলার আসামী বৃষ্টি ইয়াবাসহ আটক আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জোতবানি ইউনিয়নে পূনরায় ধাঁনের শীষ প্রতিক প্রত্যাশী-চেয়ারম্যান আঃ রাজ্জাক করোনার এই মহামারিকালে এলপিজি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধন

বিরামপুরে ইটভাটার দুঁষিত ধোঁয়ায় হুমকির মূখে পরিবেশ জনস্বাস্থ্য দেখার কেহ নাই

রেজওয়ান আলী বিরামপুর-(দিনাজপুর) প্রতিনিধি-

বিরামপুরে ইটভাটার দুষিত ধোঁয়ায় মারাত্মক হুমকিতে পড়েছে পার্শ্ববতী গ্রাম পাড়া ও জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ এলাকাবাসীর অভিযোগ মতে জানা যায়।

লোকালয়ে ও উর্বর ফসলি জমিতেই একের পর এক অবৈধ ইটভাটা স্থাপন করছে সংঘবদ্ধ একটি চক্র। এক্ষেত্রে সরকারের সকল ধরণের বিধি নিষেধকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে যাচ্ছে ইটভাটা মালিকগন। যার কারণে একদিকে যেমন মা- ও শিশুসহ স্থানীয় জনসাধারণ শ্বাসকষ্ট সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

তেমনিভাবে অপরদিকে ইটভাটা থেকে সরকার কোনো ধরণের রাজস্ব পাচ্ছে না। ধ্বংস হচ্ছে পরিবেশ জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে। উল্লেখ্য ইটভাটা স্থাপনে ১৯৯০ সালের ২৫ জুলাই সরকারের জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপন বলা হয়েছে,সেই মোতাবেক

প্রত্যেক জেলা প্রশাসন ইটভাটা নির্মাণের আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শনসহ অন ঊর্বর অকৃষি জমিতে ইটভাটা নির্মাণের অনুমোদন প্রদান করা হয়ে থাকে।
যত্রতত্র ইটভাটা না হয়ে ইটভাটা হবে নদীর তীরে অথবা বিশেষ কোনো এলাকার সর্বোচ্চ দেড় একর জায়গার উপর। ১৯৮৯ সালে ১লা জুুলাই থেকে কার্যকর হওয়া ইট পোড়ানো নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ি ইট পোড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকায় জেলা প্রশাসক অনুমতিপত্র নিতে হয়।
এই আইনের ৫ ধাঁরায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি ইট পোড়াানোর জন্য জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহার করতে পারবে না। তবে সরকারের এই প্রজ্ঞাপনের সকল শর্তই জারিকৃতই রয়ে গেছে। জেলা প্রশাসনের হিসাবে মতে অনুমান ১২-১৮টি ইটভাটা রয়েছে। জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের রেকর্ডপত্রে বলছে, এসব ইটভাটার অধিকাংশই অনুমতি ও ছাড়পত্র ছাড়া পরিচালিত হচ্ছে।
তবে বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে ভিন্ন।
দিনাজপুর  পরিবেশ অধিদপ্তরের থেকে দেয়া তথ্য মতে,একটি ইটভাটা স্থাপনের আগে পরিবেশ অধিদফতর,জেলা প্রশাসন,বিএসটিআই ও স্থানীয় ভূমি অফিসসহ আরও কয়েকটি সংস্থা থেকে ছাড়পত্র নিতে হয়।
সবগুলো ছাড়পত্র না পাওয়া গেলে ইটভাটা তৈরির সুযোগ থাকবে না।এরপরও অসাধু কিছু ব্যক্তি নিয়মনীতি না মেনে ইটভাটা তৈরি করছে।
অভিযোগ উঠেছে,টাটকপুরে বেশ কটিই
উর্বর ফসলি জমিতেই ইটভাটা স্থাপন করা হয়েছে। সরকারের ক্ষমতার পালা বদলের সাথে সাথে এসব ইটভাটা মালিকদের রাজনৈতিক খোলসও পাল্টায় যাহা বাস্তবতায় দেখা যায়।

ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মী পরিচয়ে কোনো ধরণের প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই ইটভাটা ব্যবসা পরিচালনা করছে এই সব ইট ভাটার মালিক। এসব দেখেও রহস্যজনক কারণে নিরব ভূমিকা পালন করছে উপজেলা-জেলা প্রশাসন এবং আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা। সরকারের পরিবেশ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টরাও রয়েছে একেবাওে ঘুমের ঘরে।
বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তথ্যানুযায়ি, ইটভাটার জ্বালানিতে সৃষ্ট কার্বন ডাই-অক্সাইড ও সালফার- ডাই অক্সাইডসহ বিভিন্ন ধরনের দুষিত ধোঁয়া ইটভাটা থেকে নির্গত হয়ে বাতাসে সাথে মিশে যায়।
এসব দুষিত বাতাস গ্রহণ করায় মানুষ শ্বাস কষ্ট সহ বিভিন্ন মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হন। অতিদ্রুত আক্রান্ত হয় নবজাতক, শিশু ও বৃদ্ধরা। বিশেষ করে এসব দুষিত ধোঁয়ার কারণে গর্ভবতী মা ও শিশুদের শ্বাসকষ্ট রোগে আক্রান্ত সংখ্যা অনেক বেশি।
স্থানীয় সচেতন মহলের ক্ষোভ,প্রতি বছরের মতো এবারও স্থানীয় প্রতিটি ইটভাটায় জ্বালানি হিসেবে বিপুল পরিমাণ  কাঠ মজুত করা হয়েছে। সেই সাথে প্লাস্টিকের বোতাম,মেলামাইনের গুড়ো,কয়লার কালি পোড়ানো হয়ে থাকছে।
কয়েকদিনের মধ্যেই ইট পোড়ানোর কাজ শুরু হবে। কিন্তু বর্তমানে উপজেলার বেশ কিছু ইট ভাটায় ইট পুড়ানোর কাজ চলছে ও অনেকে আগুন দিয়েছে তাদের ইট ভাটায়।
প্রতিনিয়ত ফসলি জমির উপরের স্তর কেটে মাটি নেয়া হয়েছে ইট তৈরির জন্য। অনুমতি ও ছাড়পত্র ছাড়া এসব ইটভাটা পরিচালিত হলেও রহস্যজনক ভাবে প্রশাসন নীরব রয়েছে।
এলাকাবাসী  আরো জানান,প্রতি মৌসুমে প্রস্তুতকৃত ইট পরিবহণের ট্রাকটর অবাধ চলাচলের কারণে গ্রামীন সব সড়ক ধসে পড়ছে ও ধুলা বালির কারনে ওইসব সড়ক দিয়ে এলাকার সাধারণ জনগণ চলাচল করতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এই বিষয়ে এলাকাবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মর্মে জনসাধারণের দাবি।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38182572
Users Today : 3215
Users Yesterday : 4022
Views Today : 12811
Who's Online : 98
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone