বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ০৫:১৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত। আইনমন্ত্রী, আপনি বাপের ‘কুলাঙ্গার সন্তান’: ডা. জাফরুল্লাহ মাদ্রাসা প্রধানদের জন্য সুখবর প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার প্রস্তুতি শুরু হাজারবার কুরআন খতমকারী আলী আর নেই তানোরে আওয়ামী লীগ মুখোমুখি উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানিয়ে পাবনা জেলা ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল দিনাজপুর বিরামপুর পৌরসভায় ১১ মাসপর বেতন পেলেন কর্মকর্তা ও কর্মচারী গণ করোনার টিকা নিলেন মির্জা ফখরুল ও তার স্ত্রী রাজনীতিতে সামনে আরও খেলা আছে ইসিকে অপদস্ত করতে সবই করছেন মাহবুব তালুকদার: সিইসি ৪ অতিরিক্ত সচিবের দফতর বদল এ সংক্রান্ত আদেশ জারি রাজারহাটে কৃষক গ্রুপের মাঝে কৃষিযন্ত্র বিতরণ জামালপুরে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পত্নীতলায় জাতীয় ভোটার দিবস পালিত

বিরামপুরে মাদকদ্রব্যের সমারোহ দিন দিন বেড়েই চলেছে

দিনাজপুর থেকে মোঃ রেজওয়ান আলী-
দিনাজপুর বিরামপুরে মাদকদ্রব্যের ক্রয় ও বিক্রয়ের সমারোহ দিন দিন বেড়েই চলেছে মর্মে তথ্য মতে জানা যায়। উপজেলার অর্ন্তরালে রয়েছে ৭টি ইউনিয়ন ও ১টি প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা জনবসতিপূর্ণ এলাকা।
এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জনসাধারণের নিকট হতে জানা যায় যে,বিভিন্ন ভাবে ভিন্ন রুপে গড়ে উঠেছে মাদকদ্রব্যের ক্রয় ও বিক্রয় যাহা দেখার মত রুপ নিয়েছে। মাদকদ্রব্যের ব্যাবসার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন যে বর্তমানে মাদকদ্রব্য ব্যাবসায়িগণ সরাসরি নিজেই আর পণ্য সরবরাহ করে না,তারা বাড়ীর আশ পাশে ঝোপ ঝাড়ে জনগনের দৃষ্টির গোচরে ষ্টক রেখে খদ্দেরের নিকট থেকে অর্থ গ্রহনে তাদেরকে মাদকদ্রব্য পণ্য প্রদান করে থাকেন।
কোন স্হান হতে মাদকদ্রব্য বের করল তা বুঝার কোন উপায় থাকে না। ভিন্ন কৌশল রুপে মাদক বিক্রয়ের জন্য বেশ কিছু প্রতিনিধি কে দ্বায়িত্ব প্রদান করে রেখেছেন,তাদের কাজ শুধু কাস্টমার নির্ধারন করা,প্রতিনিধি গণ এমন ভাবে কাস্টমার নির্বাচন করেন যে আসলে তারা মাদকদ্রব্য সেবনের নিয়মিত নেশা আছে কিনা।
অন্য দিকে কেহ আবার নিজ নিজ বাসা বাড়িতে আরাম কেদারায় বসিয়ে ভদ্র আচরণে মাদকদ্রব্য বিক্রয় করে আসছেন। সেবন কারীগণ বাড়িতে আসলে পূর্বে তাদেরকে সনাক্ত করেন তার পরে বাড়িতে প্রবেশ করে থাকেন। খদ্দের গণকে না বুঝার আগেই কথিত স্হান থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ে এসে সেবন কারির হাতে দেন,
এ ভাবে চলে আসছে মাদকদ্রব্যের ক্রয় ও বিক্রয়। এ বিষয়ে জনগনের নিকট স্হানীয় প্রশাসনের তৎপরতার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন, তৎপরতা চালাচ্ছেন কিন্তু মাঝে মধ্যে দুই একজনকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারছেন বাঁকী বেশি ভাগ ব্যাবসায়িগণই নির্বিগ্ণে মাদকদ্রব্য ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছেন এ বিষয়ে কারো মাথা ব্যাথা নেই। তারা আরও বলেন প্রশাসনের মধ্যে দ্বায়িত্ব রত অনেক সদস্য গণই সব বিষয়ে জেনেও তা না জানার ভান করে থাকেন মর্মে মতামত প্রকাশ করেন।
কি উপায়ে এই মাদকদ্রব্য থেকে সমাজ ও দেশ কে কলংকমুক্ত করনের উপায় জানতে,তারা বলেন প্রত্যেক ওয়ার্ডের দলীয় নেতা কর্মী রয়েছে মেম্বর,কাউন্সিল,চেয়ারম্যান,ও মেয়র। তারা যদি সজাগ দৃষ্টিতে জনসেবার উন্নয়নের লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য রোধে নজরদারি করেন তবে হয়তো মাদকদ্রব্য সরবরাহ ক্রয় বিক্রয় বন্ধই হয়ে যাবে, যাহা চিরসত্য বলে তারা মন্তব্য করেন। আর তা না হয়ে এ ভাবে চলতে থাকলে সমাজের বেহাল দশা হতে আর বেশি সময় লাগবে না,প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের দ্বায়িত্ব রত কর্মকর্তা বৃন্দগণকে বিষয়গুলোর উপর বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38346239
Users Today : 1742
Users Yesterday : 2774
Views Today : 11082
Who's Online : 42

© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/