শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
“জনমদুঃখিনী আমার বাংলা মা” আসুন,ঐক্যবদ্ধ নবজাগরণে সুন্দর করি রাষ্ট্র কাঠামো!  বিএম স্কুলের ১শ’২০বছর পূর্তি ক্রিকেটে ২০১১ ব্যাচের কাছে ২০০৪ ব্যাচের হার রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বিভিন্ন শিক্ষাপোকরণ বিতরণ নেপালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ শিবগঞ্জে শেখ ফজলুল হক মনির ৮১তম জন্মদিন পালিত আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সোনারায় ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী হালিমের সঙ্গে এলাকা বাসীর মত বিনিময় নাটোরে ক্ষেতে বিষ মেশানো গম বীজ খেয়ে ১৯৩টি কবুতরের মৃত্যু ঝালকাঠিতে ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার (৩য় পর্যায়) পাইলটিং এর প্রশিক্ষণ প্রদান রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন সম্পন্ন পদ্মাসেতুর ৬ কিলোমিটার দৃশ্যমান ভাসানচরের পথে ১৬৪২ রোহিঙ্গা রাজধানীতে ভাস্কর্যবিরোধী মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ দৌলতপুরে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ৭ দেশে করোনায় একদিনের মৃত্যু ও আক্রান্ত কমেছে ভাসানচরে পৌঁছে রোহিঙ্গাদের স্বস্তি প্রকাশ

বিশ্বে ফের বেড়েছে হামের প্রকোপ, শঙ্কায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বিশ্বজুড়ে ফের বেড়েছে হাম রোগের প্রকোপ। ২০১৯ সালে গত ২৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে। আর তিন বছরের ব্যবধানে হামে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়েছে ৫০ শতাংশ। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিরোধযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও রোগটির এমন উত্থানে স্তম্ভিত স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, করোনাভাইরাস মহামারী অব্যাহত থাকলে শনাক্তকরণ ও টিকাদান ব্যাহত হওয়ায় হামের প্রকোপ আরো বেড়ে যেতে পারে।

করোনার মহামারীর কারণে টিকাদান কর্মসূচি স্থগিত রাখা ২৬টি দেশের অন্তত অর্ধেক দেশে এর মধ্যেই হামের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে। তবে বিশ্বজুড়ে বাড়লেও যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক সময়ে হামে মৃত্যুর কোনো খবর পাওয়া যায়নি; যদিও গত বছর দেশটির ৩১টি রাজ্যে হামে আক্রান্ত এক হাজার ২৮২ জনের সন্ধান মিলেছে। ১৯৯২ সালের পর এটিই সর্বোচ্চ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) হিসাব অনুযায়ী, চলতি মাস পর্যন্ত প্রায় ৯ কোটি ৪০ লাখ মানুষ হামের টিকার বাইরে থাকার ঝুঁকিতে রয়েছেন।

তবে কোভিড-১৯ রুখতে যেসব সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর কারণেও অনেক অঞ্চলে হামের প্রভাব কমতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন।

সাধারণত মিজেলস অ্যান্ড ‍রুবেলা ইনিশিয়েটিভ নামের একটি সংঘ ‍বিভিন্ন অঞ্চলে হামের প্রাদুর্ভাবের বিস্তারিত প্রকাশ করে। আন্তর্জাতিক এ সংঘটির মধ্যে ডব্লিউএইচও, সিডিসি, আমেরিকান রেড ক্রস, ইউনিসেফ ও জাতিসংঘ ফাউন্ডেশনও আছে।

চলতি বছর মিজেলস অ্যান্ড রুবেলা ফাউন্ডেশন তাদের বার্তায় মহামারীর মধ্যেই হামের টিকাদান কর্মসূচি চালু রাখার জোর আহ্বান জানিয়েছে।

গত বছর যে ১৮৪টি দেশের তথ্য নেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ৯টি দেশেই বিশ্বজুড়ে মোট হামে আক্রান্তের ৭৩ শতাংশ পাওয়া গেছে। দেশগুলো হচ্ছে, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো, জর্জিয়া, কাজাখস্তান, মাদাগাস্কার, নর্থ মেসিডোনিয়া, সামোয়া, টোঙ্গা ও ইউক্রেন।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37918003
Users Today : 926
Users Yesterday : 6596
Views Today : 5386
Who's Online : 29
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone