রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ১১:০০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
‘নিজের মাথার ওপর নিজেই বোমা ফাটানো’ এটা সম্ভব? মামুনুলের মুক্তি চেয়ে খেলাফত মজলিস নেতাদের হুশিয়ারি বাংলাদেশে করোনা টানা তৃতীয় দিনের মতো শতাধিক মৃত্যুর রেকর্ড চ্যালেঞ্জের মুখে টিকা কার্যক্রম! ৩৬ লাখ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী হেফাজতের নাশকতা ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা মেয়াদহীন এনআইডি দিয়ে কাজে বাধা নেই স্ত্রী বাবার বাড়ি, মাঝরাতে পুত্রবধূকে ধর্ষণ করল শ্বশুর বিদ্যুতায়িত স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্বামীর চট্টগ্রামে ভূমিকম্প শ্রমিক হত্যার মোড় ঘোরাতে মামুনুল নাটক : মোমিন মেহেদী ওসিকে জিম্মি করে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এক হাজার টাকার চাঁদাবাজি মামলা  ! গাইবান্ধা পুলিশ কৃষি শ্রমিক পাঠালেন বগুড়ায় দিনাজপুর বিরামপুরে বিপুল সংখ্যক মাদকদ্রব্য সহ প্রাইভেটকার আটক দুমকিতে ডায়রিয়ায় শিশুসহ মৃত্যু ৪।

ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরের শুকনো গাছগুলো যেন মরণ ফাঁদ!

 

মোঃ নাসির উদ্দিন, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে কয়েকটি শুকনো গাছ যেন মানুষের কাছে মরণ ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে করে ঘটতে পারে অনাকাঙ্কিত যে কোন ধরণের দুর্ঘটনা। এছাড়াও ঝুঁকিতে রয়েছে গাছের পাশে ও নিচে উপজেলা পরিষদ ভবন। ঝুঁকিপূর্ণ এই শুকনো গাছগুলো কেটে ফেলার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এদিকে, দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়েই প্রতিনিয়তই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ প্রশাসনিক বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনসাধারণরা যাতায়াত করেন। কিন্তু গাছগুলো কেটে ফেলার কোন উদ্যোগ নেয়নি উপজেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরের সামনে ৩টি শুকনো গাছ প্রায় ১ বছর যাবৎ দাঁড়িয়ে আছে। গাছগুলোর ডালপালার পাতাও ঝড়ে গেছে বহু আগে। রয়ে গেছে ছোট-বড় ডাল। যা বাতাসে ভেঙে মাটিতে পড়ে মানুষের চলাচলেও রয়েছে ঝুঁকি।

স্থানীয়রা বলছে, এসব শুকনো মরা গাছগুলো কেটে ফেলাই উত্তম। কেননা গাছগুলো ছায়া প্রদানে কোন কাজে আসবে না। উল্টো মানুষের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা। তাই যতদ্রুত সম্ভব ঝুঁকি এড়াতে গাছগুলো কেটে ফেলা উচিত।

উপজেলা পরিষদে বিভিন্ন কাজে আসা লোকজন জানান- ‘পরিষদ চত্ত্বরে ৩টি বড় বড় (ইউক্যালিপ্টাস) গাছ মরে শুকিয়ে গেছে। কাল বৈশাখের ঝঁড় ও বাতাসে যে কোন সময় মরা গাছগুলো ভেঙে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দুর্ঘটনার ঝুঁকি আর আতঙ্কের মধ্যে যাতায়াত করতে হয়। যদি উপজেলা প্রশাসন দ্রুত গাছগুলো কেটে ফেলে তাহলে অনাকাংখিত দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. নাসরীন পারভীন জানান- ‘সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ওই শুকনো মরা গাছগুলো কেটে ফেলার জন্য উদ্যোগ নিয়ে ডিসি মহোদয়ের কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে। অনুমতি পেলেই জেলা বন বিভাগের কর্মকর্তার মাধ্যমে গাছ কেটে ফেলা হবে। তবে আগেই অনুমতি পাওয়া যেত, সম্ভবত করোনার কারণে তা পাওয়া যায়নি।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এ্যাডভোকেট মো. আব্দুল হালিম জানান- ‘শুকনো গাছগুলো কেটে ফেলার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার টাঙ্গাইল ডিসি মহোদয়ের কার্যালয়ে অনুমতির জন্য আবেদন করেছেন। এখনো তা অনুমতি পায়নি। আর গাছগুলো কেটে ফেলার দায়িত্ব উপজেলা পরিষদের নয়।’

Please Share This Post in Your Social Media

৫৫

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38450750
Users Today : 1196
Users Yesterday : 1178
Views Today : 11703
Who's Online : 17
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone