শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
ডিস লাইনের তার নিয়ে শিশু ছাত্রকে পেটালেন মাদ্রাসা শিক্ষক লক্ষ্মীপুরে সড়ক খোঁড়াখুঁড়িতে গ্যাস ও বিটিসিএল লাইন বিচ্ছিন্ন যৌন হয়রানির দায়ে ডিসি অফিস সহকারীর কারাদণ্ড প্রতিবেশী দেশগুলোর সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী দুধের স্বাদ ঘোলে  পটুয়াখালীতে অবৈধ ভেক্যু পুড়িয়ে ফেলছে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট।  বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবউল্লাহ জাহিদ (মিঞা) স্বরণে – – – – সাফাত বিন ছানাউল্লাহ্ সাঁথিয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জমি জাল দলিল করে হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টায় একজন আটক কুড়িগ্রামে পুলিশের প্রচেষ্টায় প্রাণ রক্ষা পেল বিরল প্রজাতির একটি গন্ধগোকুল গাইবান্ধাকে নান্দনিক শহর হিসাবে গড়ে তোলা হবে পটুয়াখালীতে নির্মাণাধীন সেতু থেকে পড়ে নিহত ০১। সাপাহারে মিশ্র ফল বাগানে কৃষক সাখাওয়াত হাবীবের ভাগ্য বদল পটুয়াখালীতে পুলিশের অভিযানে ১ কেজি ৩৬৭ গ্রাম গাঁজাসহ আটক ৩. স্বাধীনতাবিরোধী মৌলবাদী অপশক্তির শাহরিয়ার কবিরের নামে অভিনব ষড়যন্ত্র: ১১ এপ্রিল প্রথম ধাপে ৩৭১টি যেসব ইউনিয়নে ভোট

মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলার রায় আজ বৃহস্পতিবার

 

 

বায়েজীদ (গাইবান্ধা)  :

 

গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলার রায় আগামীকাল  ২৮ নভেম্বর বৃহস্পতিবার। হত্যার মূল  পরিকল্পনারকারী হিসেবে অভিযুক্ত জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ডা. আবদুল কাদের খান ও অন্য আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চান লিটনের পরিবার ও সুন্দরগঞ্জবাসী।

 

নিজবাড়িতে আততায়ীর গুলিতে গাইবান্ধা-১ আসনের এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন নিহতের প্রায় তিন বছর হতে চলেছে। তবে এখনও তার শূন্যতায় পরিবার ও স্বজনরা। এক সময়ে নেতাকর্মীদের আনাগোনায় মুখর থাকতো লিটনের বাড়িটি। এখন তা জনশূন্য। গত ২০১৬ সালের ৩১শে ডিসেম্বর খুন হন লিটন। এখন ওই বাসার সেখানে দেয়ালে টানানো তার ছবি ছাড়া কিছু নেই। স্বজনদের কাছে এখন তিনি শুধুই স্মৃতি। সুন্দরগঞ্জের নেতারাও চান লিটন হত্যায় জড়িতরা সর্বোচ্চ শাস্তি পাক।

ন্যায় বিচারের আশা করছেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। আর পাবলিক প্রসিকিউটর বলছেন রায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদ-ই হবে।

 

আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আবদুল হামিদ প্রমাণের বিভিন্ন কাগজপত্র জাল উল্লেখ করে আশা করছেন আসামিরা খালাস পাবেন। তবে পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) (জেলা ও দায়রা জজ আদালত) অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, ‘যেহেতু সব প্রমাণ হয়েছে এই মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি ফাসিই হবে।’

 

২০১৭ সালের ৩০শে এপ্রিল আবদুল কাদের খাঁনসহ আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২০১৮ সালের ৮ই এপ্রিল শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। এ পর্যন্ত আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন মামলার বাদী ও নিহতের স্ত্রীসহ ৫৯ জন।

 

বর্তমানে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে আছেন প্রধান আসামি কাদেরসহ পাঁচজন। অভিযুক্তদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং একজন পালিয়ে গেছে ভারতে। চলতি বছরের ১১ই এপ্রিল হত্যার ঘটনায় অস্ত্র মামলায় কাদের খাঁনের যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছেন আদালত।

 

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38354910
Users Today : 1553
Users Yesterday : 6146
Views Today : 5915
Who's Online : 26

© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/