সোমবার, ২৩ নভেম্বর ২০২০, ১০:৪৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
রৌমারী সীমান্তে বাংলাদেশি এক যুবক আটক বলিউডে না এসেই অল্প সময়ে ১০০ কোটির মালিক এই অভিনেত্রী লাদাখ সীমান্তে ফের চীনা তৎপরতা ধরা পড়ল উপগ্রহ চিত্রে মায়ের কিডনি নিয়েও বাঁচতে পারলেন না অভিনেত্রী ১৭ বছরে সর্বনিম্ন দিল্লির তাপমাত্রা শোবিজ ছাড়ার পর মুফতিকে বিয়ে, এবার নামও বদলালেন সানা মালদ্বীপে গিয়ে পানির মধ্যে উত্তাপ ছড়াচ্ছেন সোনাক্ষী পলাশবাড়ীতে মেয়র স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত বেনাপোলে আসামীদের লোহার রডের আঘাতে মেহেদী হাসান বাবু গুরতর আহত,থানায় অভিযোগ দায়ের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রণয়নে কমিটি কেনো করোনা পরীক্ষা করালেন ক্যাটরিনা? যেভাবে বিশ্বনবি সাহায্য লাভের জন্য দোয়া করতে বলেছেন ১০ কিলোমিটার হেঁটে থানায় গিয়ে বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানালো মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী ব্যবস্থায় ত্রুটি আছে: পুতিন শীতকালেও শরীরে ঘামের দুর্গন্ধ হলে করণীয়

মাদকে ক্রসফায়ার, ধর্ষণে পুরষ্কার

সিরাজী এম আর মোস্তাক, ঢাকাঃ মাদক কারবার ও ধর্ষণ দুটোই অপরাধকর্ম। মাদকে ব্যক্তি নিজের ক্ষতি করে। ধর্ষক শুধু ধর্ষিতার নয়; নারী, সমাজ ও দেশের ক্ষতি করে। মাদকে কিছু রোগের প্রতিষেধক রয়েছে, ধর্ষণে তা নেই। তাই মাদকের চেয়ে ধর্ষণ নিকৃষ্ট ও ঘৃণ্য। অথচ দেশে চলছে উল্টো বিচার। মাদকে সংশ্লিষ্টতা পেলেই নির্বিচার ক্রসফায়ার দেয়া হচ্ছে। আর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো ধর্ষণের সেঞ্চুরি করেও ধর্ষকেরা পুরষ্কৃত হচ্ছে। সম্প্রতি মাননীয় স্বরাষ্টমন্ত্রী মহোদয় ধর্ষকদের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন। এতে বুঝা যায়, সিলেট এমসি কলেজের ধর্ষকেরা সাময়িকভাবে জেলখানায় সরকারী মদদে আছেন।
মাদকবিরোধী অভিযানে অসংখ্য নাগরিক নির্বিচার ক্রসফায়ারের শিকার হয়েছে। টেকনাফ পৌর কাউন্সিলর একরামের ক্রসফায়ার ভাইরাল হয়েছে। সিরাজগঞ্জ জেলায় আসান আলীকে তারাবীহ নামাজ শেষে তুলে নিয়ে ক্রসফায়ার দেয়া হয়েছে। এভাবে কখনো মাদকে জড়িত থাকায় বহু ব্যক্তির ক্রসফায়ার হয়েছে। ক্রসফায়ারের শিকার পরিবারগুলো এদুর্যোগে মানবেতর জীবন-যাপন করছে।
ধর্ষণ ঘৃন্য অপকর্ম সত্ত্বেও এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নজির নেই। নোয়াখালী জেলায় সুবর্ণচরে নৌকায় ভোট না দেয়ায় আওয়ামী ধর্ষকেরা ৪সন্তানের জননীকে ধর্ষণ করেছে। এঘটনা দেশে ভাইরাল হয়েছে। সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রলীগ ও অন্যান্য আওয়ামী ধর্ষকগণ একই কাজ করেছেন। ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনে বাধা দিয়ে প্রশাসনও ধর্ষকদের পক্ষ নিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন ছাত্রী কথিত ঘটনার সাত মাস পর মনে করেছেন সেটা হয়তো ধর্ষণ ছিল, প্রশাসন তার এতোটুকু বর্ণনা আমলে নিয়েছেন। এ বর্ণনাকে ধর্ষণে রূপ দিতে প্রশাসন মরিয়া হয়েছেন। ইতিমধ্যে ভিপি নুরকে একদফা আটক করেছেন। এটা আদৌ ধর্ষণ নাকি ধর্ষণের নামে পুরস্কার লাভের পায়তারা, জনমনে সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। সারাদেশে সংঘটিত ধর্ষণের বিচার মুখ থুবরে পড়েছে। এতে আওয়ামী ধর্ষকদের পুরষ্কার এবং ভিপি নুরের মতো নিরপরাধ অভিযুক্তদের ক্রসফায়ারের আশংকা হচ্ছে।
বিষয়টি স্পর্শকাতর। সরকারের উচিত, এবিষয়ে সঠিক ও নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত নেয়া। ধর্ষক যেই হোক, তার বিচার নিশ্চিত করা। ভিপি নুরের বিরূদ্ধে আনীত মিথ্যা অপবাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দ্রুত কার্যকর করা। সর্বোপরি, বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী যেন অন্যায় ও অবিচারের বিরূদ্ধে হয়; ধর্ষক ও মিথ্যা অপবাদকারীরা পুরষ্কৃত না হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37854027
Users Today : 1827
Users Yesterday : 2294
Views Today : 6835
Who's Online : 14
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone