মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:০৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
ঝিনাইদহ সাধুহাটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের শুরু হয়েছে দৌড় ঝাঁপ ॥ কেন্দ্রের সিন্ধান্তের অপেক্ষায় বিএনপি প্রার্থীরা ৪২ ও ৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ মে’য়েরা প্রথমবার স’হবাসের জন্য কোন বি’ষয় গুলো গভীর ভাবে চিন্তা করে জেনে নিন বী’র্যপাত বন্ধ রে’খে বে’শী সময় যৌ’ন মি’লন ক’রার সেরা প’দ্ধতি বিবাহিত অথবা অবিবাহিত সকলের পড়া উচিৎ- এক করুণ কাহিনী দী’র্ঘ ২০ মি’নিটের ভি’ডিও ক্লি’পটি ছ’ড়িয়ে প’ড়ে’ছে হাসপাতালের ডাক্তার-নার্স এবং ক’র্মকর্তা-ক’র্মচারী’দে’র হাতে হাতে ফুলশ’য্যার রাতের গল্পটি পুরোটা প’ড়লে আপনার চোখের জল ধ’রে রা’খতে পা’রবেন না রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি মুসলিমদের ভারত থেকে তাড়াবো : অমিত শাহ ‘বাবর আজম আমাকে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধ’র্ষ’ণ করছে’ ! শুধু ধ’র্ষণ নয়, কা’টাছেঁ’ড়া মৃ’তদে’হের সঙ্গে সেলফি তুলতো মুন্না ‘কানাডার বেগমপাড়ার সাহেবদের ধরার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’ ইসলামে ভাস্কর্য ও মূর্তি উভয়ই নিষিদ্ধ: মুফতি ফয়জুল করীম প্রথম হা’নিমুনে গিয়ে প্রত্যেক পুরুষই ক’রেন যে ৫টি ভু’ল! যেভাবে ৫ মিনিটেই অনলাইনে পাবেন জমির আরএস খতিয়ান সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন স্কেল, গ্রেডিং সিস্টেম ও অন্যান্য সুবিধাদির তালিকা

মাল্টা চাষে সফল গাইবান্ধার শরীফুজ্জামান

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: দুই যুগেরও বেশি সময় পার হয়ে গেছে গ্রাজুয়েশন করেছেন
শরীফুজ্জামান। বয়স পেরিয়ে গেলেও তার জীবনে মেলেনি সোনার হরিণ নামক একটি সরকারি
চাকরি। বেকারত্ব ঘোচাতে নানা পদক্ষেপ নিলেও আসেনি সফলতা। অবশেষে মাল্টা চাষে
বেকারত্বকে জয় করেছেন তিনি। পেয়েছেন সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস। তার সাফল্য দেখে
এলাকার অনেক বেকার যুবক উদ্বুদ্ধ হচ্ছে মাল্টা চাষে। শরীফুজ্জামান শরীফের বাড়ি গাইবান্ধার
পলাশবাড়ী পৌর এলাকার সুইগ্রামে। এক একর জমিতে তিনি গড়ে তুলেছেন মাল্টা বাগান।
প্রতিটি গাছে পাতার ফাঁকে-ফাঁকে ঝুলছে নজরকাড়া রসালো মাল্টা। বাড়ির পাশে মাল্টা চাষের
জন্য উপযোগী উঁচু এক একর জমিতে বারী-জাতের ২৫০টি মাল্টার চারা রোপণ করি তিন বছর
আগে। স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে ও সঠিক পরিচর্যায় স্বল্প সময়ের ব্যবধানে গাছ বড়
হয়ে মাল্টা ধরতে শুরু করে। সবুজ রঙের এ মাল্টা তুলনামূলক অন্য জাতের মাল্টার চেয়ে রসালো ও
স্বাদে বেশ মিষ্টি। ফলে বাজারে এ মাল্টার চাহিদা বেশি। ভাল ফলন ও আশানুরূপ বাজার দর পাওয়ায়
একদিকে যেমন বেকারত্ব থেকে মুক্তি মিলেছে অন্যদিকে সংসারে এসেছে স্বচ্ছলতা।
শরীফুজ্জামান বলেন চারা রোপণের পর ফলনের দিক থেকে এটা আমার দ্বিতীয় বছর। প্রতিটি গাছে
১৫ থেকে ২০ কেজি মাল্টা ধরেছে। এ বছর প্রায় ১শত মণ মাল্টা পেয়েছি। নিয়ম অনুযায়ী
আগামী বছর দ্বিগুণ মাল্টা ফল হবে। গাইবান্ধা জেলাসহ পার্শ্ববর্তী উপজেলাগুলো থেকে
প্রতিদিন মাল্টা ব্যবসায়ীরা এসে বাগান থেকে ফল ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া বাগান
দেখতে আসা উৎসুক মানুষ নিয়মিত মাল্টা ক্রয় করছে। অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি থেকে নভেম্বর
পর্যন্ত মাল্টা আহরণ ও বাজারজাত করা যায়। প্রতিমণ মাল্টা ৫ থেকে ৬ হাজার টাকায় বিক্রি
হচ্ছে। খুচরা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। পলাশবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা
আজিজুল ইসলাম বলেন মাল্টা চারা রোপণের এক বছর পর থেকে ফল পাওয়া শুরু হয়। এই এলাকার
মাটি ও আবহাওয়া মাল্টা চাষের জন্য যথেষ্ট উপযোগী।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37887897
Users Today : 10200
Users Yesterday : 0
Views Today : 28220
Who's Online : 150
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone