মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২০, ০৯:৪২ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
কুষ্টিয়াতে শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য ঘুম কেন জরুরি  ৪৫ তম জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে দুমকিতে  প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত।  বদলগাছী থানার মেধাবী-চৌকস পুলিশ অফিসার এস আই গৌরাঙ্গ মোহন রায় বদলগাছীতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ছাইদকে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠিত করে দিলেন উপজেলা প্রশাসন দিনাজপুরের বিরামপুরে কলেজ ছাত্রী  ধর্ষণে স্বীকার দুঃসাহসী ক্ষুদিরামের বলিদান যুব সম্প্রদায়ের কাছে চিরঅমর হয়ে আছে – মোঃআজিজুল হুদা চৌধুরী সুমন  আওয়ামী লীগে কোন্দল নাই আছে নেতৃত্বের প্রতিযোগীতা হঠাৎ স্বর্ণ-রুপার দাম কমতে শুরু করেছে অবৈধ স্থাপনা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দখলমুক্ত করার নির্দেশ সিনহা হত্যাকাণ্ডের পর ‘ডাকাত’ বলে প্রচার করেছিল এরা এএসআইকে চড় মারার ঘটনায় সেই ওসি প্রত্যাহার আগস্টেই ২ আসনের নির্বাচন তফসিল ঘোষণা পাঠাওয়ের ফাহিমের খুনি হাসপিলের সঙ্গে ‘রহস্যময়’ তরুণী (ভিডিও) মেজর সিনহা হত্যায় আরও ৩ জন গ্রেফতার টানা ৭ ঘণ্টা বৃষ্টিতে ভিজে মানুষের জীবন বাঁচালেন এক নারী

মাসিক দেরিতে হয় কেন?

সাধারণত প্রতি ২৮ থেকে ৩৫ দিন পর পর একজন নারীর পিরিয়ড বা মাসিক হয়ে থাকে। ১২ বছর থেকে ৫৫ বছর বয়সী নারীদের ক্ষেত্রে এমনটিই হয়ে থাকে।
প্রাপ্তবয়স্ক একজন নারীর নিয়মিত ও সময়মতো মাসিক হওয়াটা সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ। তা যদি অনিয়মিত হয়ে পড়ে, তার মানে হয়তো শারীরিক কোনো সমস্যা আছে।
এ ক্ষেত্রে কোনো অসুস্থতা শরীরে ভর করেছে কিনা বা জীবনচর্চায় কোনো ক্ষতিকর অভ্যাস যুক্ত হয়েছে কিনা, তার দিকে নজর দেয়া উচিত। পিরিয়ড দেরি হওয়ার পেছনে সাধারণত যে
বিষয়গুলো দায়ী তা জেনে রাখুন-
মাসিক কতটা দেরি হলে তাকে ‘লেট’ বলা যায়?
বেশিরভাগ নারীর মাসিকের চক্র একই থাকে। তবে এক সপ্তাহ দেরি হওয়াটা স্বাভাবিক বলেই ধরা যায়। যেমন একজন নারীর মাসিক হয় ২৫ দিন পর পর। কোনো এক মাসে ৩০ দিন বা ৩১ দিন পর তার মাসিক হতেই পারে। আট দিন বা তার বেশিদিন দেরি হলে তাকে ‘লেট’ বলে গণ্য করতে পারেন।
দেরি হওয়ার কারণ বেশ কিছু কারণে পিরিয়ড সাময়িকভাবে বন্ধ থাকতে পারে বা দেরি হতে পারে। যেমন-
গর্ভাবস্থা: পিরিয়ড দেরি হলে প্রথমেই নিশ্চিত হোন আপনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন কিনা।
বয়স: টিনেজ বয়সী ও মধ্যবয়সী নারীদের মধ্যে অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর পেছনের কারণটি হল হরমোন।
স্ট্রেস: লম্বা সময় স্ট্রেসে থাকলে অনেকেরই মাসিক দেরিতে হতে পারে।
আর্লি প্রেগন্যান্সি লস: একজন নারী গর্ভবতী হয়ে পড়েছিলেন, কিন্তু তা জানতেন না। এর পর নিজে থেকেই তার মিসক্যারিজ বা গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে। এ ঘটনায় সাধারণ পিরিয়ডের তুলনায় কিছু দিন পর ভারী রক্তপাত হতে পারে, যাকে অনেকেই দেরিতে মাসিক হওয়া বলে ধরে নেন।
কম ওজন: ওজন কম হলে সময়মতো পিরিয়ড নাও হতে পারে। এমনকি কিছু দিন বন্ধও থাকতে পারে।
ফাইব্রয়েডস: জরায়ুতে টিউমার ধরনের এক ধরনের বৃদ্ধি হল ফাইব্রয়েডস। এগুলো পিরিয়ডের স্বাভাবিক চক্রকে বাধা দিতে পারে।
হরমনাল বার্থ কন্ট্রোল: জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা। যেমন- পিল, প্যাচ, ইনজেকশন, আইইউডি। এগুলো ব্যবহার করলে পিরিয়ড লেট হওয়া বা পরিবর্তন হওয়াটা স্বাভাবিক।
স্বাস্থ্য সমস্যা: মনোনিউক্লিওসিস, ঠাণ্ডা, সর্দি, গলার ইনফেকশন- এ ধরনের সমস্যায় পিরিয়ড লেট হতে পারে। তবে বড় কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা যেমন থাইরয়েডের সমস্যা বা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের কারণেও পিরিয়ড লেট হতে দেখা যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone