বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ১১:৫৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
পটুয়াখালীতে প্রস্তাবিত পটুয়াখালী ইপিজেড ও ইনভেস্টরস ক্লাবের অগ্রগতির পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত।  বিশ্ব ঐতিহ্য বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন ঘুরে আসুন জীববৈচিত্র্য উপভোগ করতে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত। আইনমন্ত্রী, আপনি বাপের ‘কুলাঙ্গার সন্তান’: ডা. জাফরুল্লাহ মাদ্রাসা প্রধানদের জন্য সুখবর প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার প্রস্তুতি শুরু হাজারবার কুরআন খতমকারী আলী আর নেই তানোরে আওয়ামী লীগ মুখোমুখি উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানিয়ে পাবনা জেলা ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল দিনাজপুর বিরামপুর পৌরসভায় ১১ মাসপর বেতন পেলেন কর্মকর্তা ও কর্মচারী গণ করোনার টিকা নিলেন মির্জা ফখরুল ও তার স্ত্রী রাজনীতিতে সামনে আরও খেলা আছে ইসিকে অপদস্ত করতে সবই করছেন মাহবুব তালুকদার: সিইসি ৪ অতিরিক্ত সচিবের দফতর বদল এ সংক্রান্ত আদেশ জারি রাজারহাটে কৃষক গ্রুপের মাঝে কৃষিযন্ত্র বিতরণ

মেঘালয় || মেঘের দেশে পথিকের বেশে || দিন ৪

স্নোনেংপেডেং — ক্রাংসুরি ফলস — বিড়ডো ফলস — ডাউকি — সিলেট

স্নোনেংপেডেং, হালাটং হোমস্টে সকাল ৫টায় উঠলাম, উঠে ফ্রেশ হয়েই বাকি সবার অপেক্ষা না করে আমরা দুইজন চলে গেলাম আসে পাশে ঘুরে দেখতে। রাতের আলোয় অল্প অল্প যে গ্রামটা দেখেছিলাম, সকালের আলোয় ভাল করে দেখে নিলাম তার চারপাশটা। আমাদের হোমস্টেটা উপরের রাস্তার সাথেই, নিচের দিকে স্থানীয়দের ঘরবাড়ি। রোববার, ছুটির দিন, ছুটি মানে আমাদের দেশের শুক্র-শনিবার এর মতন না, ছুটি মানে একদম ছুটি, সব কিছু বন্ধ, মানুষের ঘুমও ভাঙ্গে দেরিতে।

গতকাল রাতে যে ঝুলন্ত ব্রিজটাতে এসেছিলাম, সেটাতেই গেলাম প্রথমে। অসাধারণ জায়গাটা, রাতেই বুঝেছিলাম ব্রিজটা লম্বা, কিন্তু এতটা লম্বা সেটা আচ করতে পারিনি। ব্রিজের মাঝ থেকে চারিদিকের অসাধারণ ভিউ পাওয়া যায়। দূর পাহাড়ের খাঁজে দিয়ে বয়ে আসা উমগট নদী পাশ থেকে আসা আরেকটা স্রোতধারার সাথে মিলিত হয়ে ব্রিজের নিচ দিয়ে চলে গেছে বহুদূর। নদীর পানিও খুব স্বচ্ছ, নিচের পাথর গুলো স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছিল। ব্রিজ পার হয়ে ওপারে গিয়ে দেখলাম সেখানেও কিছু তাঁবুর ব্যাবস্থা আছে। তবে এই পারের মতন ডেভেলপড না আর কি।

Umgot River and Suspension Bridge

একটু দেখে আবার ব্রিজ পার হয়ে এদিকে চলে এলাম, সিঁড়ি বেয়ে নদীর পাড়ে নেমে গেলাম। অনেক নৌকা সারি বেধে পাড়ে বাধা আছে। পাথর কিংবা নৌকা, যার যেটা ভাল লাগে সেটায় বসেই স্বচ্ছ জলে পা ভেজালাম। পাশেই একটা ছোট্ট দোকানে চা, কেক আর ডিম সেদ্ধ পাওয়া যায়। সেখান থেকে চা নিয়ে এসে, নদীর পাড়ে বসেই খেলাম আর প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য উপভোগ করলাম।

Clear water of Umgot river

সবাই উঠে এইদিকটা ঘুরে দেখা শেষ হলে একসাথে ব্রিজের পাশদিয়েই যাওয়া আরেকটা রাস্তা ফলো করলাম কিছুক্ষণ। সেটার শেষে দেখা মিলল আরেকটা ঝুলন্ত ব্রিজ এর। অনেক পাথুরে একটা ছোট্ট নদীর শাখার উপর দিয়ে গেছে এই ব্রিজটা। ব্রিজের নিচে নেমে বেশ কিছুক্ষণ দেখলাম এবং ছবি তুললাম।

Another steel bridge beside umgot river main bridge

পাশেই সিঁড়ি উঠে গেছে আরও অনেক উপরে। কৌতূহল জাগায় একাই বেশ কিছুদূর উঠলাম, পথে একদুইজন স্থানীয় মানুষের দেখা মিলল, বলল সামনে জংগল, না নাবার জন্য। সিড়িগুলোও যথেষ্ট খাড়া, তাই হাঁপিয়ে উঠেছিলাম। আস্তে আস্তে আবার নিচে নেমে আসলাম। এবার সবাই একসাথেই আগের পথ ধরে থাকার জায়গায় ফিরে আসলাম। কিছুটা হাটাহাটি করে ঘেমে উঠেছিলাম। তাই, হালাটং এর বারান্দায় বসে একটু ঠাণ্ডা হলাম।

আমাদের প্লান ছিল নদিতে কায়াকিং বা বোটিং করা। কিন্তু সকাল ১০টার আগে সেটা শুরু হয়না, আর তখন বাজে ৮টা। এতক্ষণ অলস সময় কাটানোতে কারোই ইচ্ছা হল না। তাই আমাদের পরবর্তি গন্তব্যের যাবার জন্য গাড়ি ঠিক করা দরকার। কিন্তু ছুটির দিন হওয়ায়, সব জায়গাই ফাঁকা, সবাই তখনো ঘুম। কোন গাড়ি পেলাম না। তাই ভাবলাম, আমাদের হোমস্টের মালিক – মানভা ভাইকে বলে দেখা যেতে পারে। উপরের রাস্তা থেকে নিচে নেমে একে ওকে জিজ্ঞেস করে ভাইয়ের ঘর পেলাম, বেচারার ছুটির দিনের সুন্দর ঘুমটা নষ্ট করে ডেকে নিয়ে এলাম। তাকে গাড়ির জন্য বললে সে একটা গাড়ির ব্যাবস্থা করে দিল ২০০০/= তে, লোকেশন মাত্র দুইটা। তবে রুট আলাদা এবং ছুটির দিনে গাড়ি না থাকায়, এতেই রাজি হলাম। গাড়ি কাছেই ছিল, আর আমাদের গোছগাছ করাও শেষ। গাড়িতে উঠার আগে মানভা ভাইয়ের সাথে অর্থনৈতিক লেনদেন চুকিয়ে, রেজিস্টার খাতায় ইনফরমেশন দিলাম। ছবিও তুলে নিলাম তার সাথে। এরপর আবার ছুট চতুর্থ দিনের মতন।

ডাউকির কাছে এসে আরেকটা রাস্তা উঁচুতে উঠে গেছে, সেটা দিয়েই চললাম আমরা। রাস্তাটা আসলে হাইওয়ে। ট্রাক চলে। তাই রাস্তাটা বেশ ভাল। আমাদের ড্রাইভার বেশ কমবয়েসি। গাড়িটা সম্ভবত তার বন্ধুর। তো চলতি পথে সামনে একটা ট্রাক হঠাত ব্রেক করায় আমাদের গাড়িটা কোনমতে ঠিক পেছনে এসে থামল, কিন্তু একটু ঘষা লেগেই গেল। ড্রাইভার টেনশন নিয়ে নেমে যে এক্সপ্রশন দিলো তাতে আমাদেরো বুঝার বাকি রইল না যে সামনে বেশ ভালই স্ক্রাচ পড়েছে। বেচারার মনটা খারাপ দেখে একটু খারাপ এ লাগছিল।

ক্রাংসুরি ফলস (Krang Shuri Waterfall)

আগেই ছবি দেখে এই ঝর্না মিস করা যাবে না বলে ঠিক করেছিলাম, তো প্রায় ৪০ মিনিটের পথ পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত পৌছালাম গন্তব্যে। উপর থেকে পায়ে হেঁটে অনেকটা নিচে নামতে হল, কিন্তু খারা সিঁড়ি না হওয়ায় কোন সমস্যা হচ্ছিল না। নামবার পথেই গাছপালার একফাকে একটা ভিউপয়েন্ট, সেখান থেকে দূরের প্রসারিত ঝর্না দেখেই কাছে যাবার আকাঙ্ক্ষা আরও বেড়ে গেল।

Krang Shuri Waterfall far view

ঝর্নার এলাকায় ঢুকতে টিকিট লাগে, একটা নদীর সামনে বাধ এর মতন করা হয়েছে, তার পর মূল ঝর্না। বাধ এর উপর দিয়ে পানি উপচে পড়ছে, কিন্তু বাধ ধরে হেঁটে নদীর ওপারে যাওয়া যায়। বাধের এপাশে লাইফ জ্যাকেট পড়ে নামা যায়, একদম পরিষ্কার এবং স্বচ্ছ পানি, খুব বেশি গভীর ও না। মনে মনে ঠিক করে ফেললাম তাড়াতাড়ি চারপাশ দেখা শেষ করে নেমে যাব।

Above Krang Shuri Waterfall, on the dam

একা একাই নদীটা পার হলাম বাধ এর উপর দিয়ে, পায়ে ঠাণ্ডা পানির ছোঁয়া ভালই লাগছিল। ওপারে নিচে নেমে একটা কাঠের তৈরি ভিউ পয়েন্ট পাওয়া গেল, আগের কোন ঝর্নাই এত ভাল এঙ্গেল থেকে দেখার সুযোগ হয়নি, তার মধ্যে সামনে বেশ ভাল জায়গা থাকায় আরও সুন্দর লাগছিল ঝর্নাটা। এপাশ দিয়ে ঝর্নার নিচে যাওয়া যায় না, তাই তাড়াতাড়ি অন্য পাশে চলে গেলাম একই পথে। এপাশেও আরেকটা ভিউপয়েন্ট আছে, তবে ঝর্নার সামনে নিচের দিকটায় যাবার আর তর সইছিল না। ঝর্নার সামনে বেশ কিছুদূর সবুজ-নীল পানি, তারপর মাঝে মাঝে পাথর, এখানে নামা নিষেধ। পাথরের উপর থেকে যে ভিউ পেলাম, সেটা কিভাবে লিখে বুঝাব বুঝতে পারছি না, এককথায় অসাধারণ। সেখানে প্রাণ ভরে এই অপরূপ দৃশ্য উপভোগ করলাম, চোখ যেন জুড়িয়ে গেল।

কিছুক্ষণ পর বেশ কিছু ছবি তুলে, গেলাম ঝর্নার পেছনে। সেখানে যাবার রাস্তা আছে ভাল। পেছনের ভিউ দেখে ৩০ রুপি ধার নিলাম লাইফ জ্যাকেট নেবার জন্য। অন্য আর কেউ পানিতে নামতে রাজি হল না, কিন্তু ইচ্ছে যখন হয়েছে নামতে তো আমাকে হবেই। একাই চলে গেলাম আবার বাধের ধারে লাইফ জ্যাকেট নিয়ে।

সেখানেই গার্ড এর কাছে পাসপোর্ট আর মোবাইল রেখে লাইফজ্যাকেট শরীরে জড়িয়ে নিলাম। বাধ এ হাত রেখে গভীরতাটা একটু পরখ করে নিলাম যেহেতু সাঁতার তেমন ভাল পারিনা। বাট লাইফ জ্যাকেটে বিশ্বাস রেখে নেমে পড়লাম একদম। শরীর যেন একবারেই জুড়িয়ে গেল। স্বচ্ছ এবং ঠাণ্ডা পানিতে শরীর ডুবিয়ে যেন এক নিমিষেই এই চার দিনের বিশাল জার্নির সকল ক্লান্তি দূর হয়ে গেল। কতক্ষণ সাঁতার কাটলাম, হাত পা ছড়িয়ে পানিতে ভাসলাম, লাফঝাঁপ করলাম। এত সুন্দর ঝর্নার পানিতে কখনও এভাবে শান্তিতে শরীর ভাসিয়ে আকাশ দেখবো – এ যেন স্বপ্নের চেয়ে বেশি! মাঝে দু এক ঝাপটা বৃষ্টিও হয়ে গেল। লাইফ জ্যাকেটে একটাই সমস্যা – মাথা ডুবানো যায় না, খুব চেষ্টা করে দু একবার পানির নিচে ডুব দিতে পেরেছিলাম। প্রায় ১৫-২০ মিনিট জলে ভেসে খুব রিল্যাক্সড লাগছিল। সবাই ফিরে আসলে উঠে পড়ি পানি থেকে। তবে আসার পথে ভেজা পা নিয়ে পিছলে গিয়ে পড়ে হাঁটুতে ভালই ব্যাথা পেলাম। গাড়িতে এসে ভেজা কাপড় চেঞ্জ করে নিলাম এবং কোন রকমে হাঁটুর ব্যাথা সহ্য করেই চললাম পরবর্তি লক্ষ্যে।

আমরা যে রাস্তায় এসেছিলাম, সে রাস্তায় ফিরে গিয়েই আবার ডাউকি বাজারের দিকে চললাম। বাজারে নেমে আমাদের আরও কিছু রূপি দরকার ছিল, সেটা নিয়ে নিলাম। ছুটিরদিন হওয়ায় প্রায় পুরো বাজারই বন্ধ। এবারের রাস্তাটা আমাদের চেনা, আগেই চেরাপুঞ্জি যাবার সময় এই রাস্তা ধরেই গিয়েছিলাম। তো আরেকটা বাক নিয়েই একটু সরু গলির রাস্তায় কিছুক্ষণ দিয়ে থামতে হল। বাকি পথ পায়ে হেঁটে।

বিড়ডো ফলস (Byrdaw Falls)

আমাদের ড্রাইভার ছেলেটাও এই ফলস আগে দেখেনি, তাই আমাদের সাথেই এল। প্রথমে কিছু সিঁড়ি উঠলাম, তারপর নামলাম, তারপর একটা ছোট্ট ব্রিজ, তারপর আবার সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠলাম। এবার ঝর্নার কাছে এলাম ঠিকই কিন্তু ডানে, মাঝে, নিচে তিনদিকে সিঁড়ি, তাই কনফিউজড হয়ে গেলাম কোনটা ধরে আগে যাব। সবাই উপরের দিকের সিঁড়িটা ধরল নিচে খাড়া সিঁড়ি বেয়ে উঠার এনার্জি নেই বলে, এই দিকটা দিয়ে ঝর্নার পেছনে যাওয়া যায়, বেশ উপরেই বলা যায়। আমি নিচ থেকে দেখার লোভটা সামলাতে পারিনি, তাই একাই নিচে নেমে গেলাম। এই ঝর্নাটাও আগেরটার মতন খুবই সুন্দর এবং পানি ও পাথর রয়েছে সামনে। বেশি প্রাকৃতিক, মানুষজনও অনেক কম। হাতে সময় কম থাকায় খুব বেশিক্ষণ থাকতে পারলাম না, কিন্তু উঠতে গিয়েই বিপদ। হাঁটুর ব্যাথা নিয়ে এই খাড়া সিঁড়ি বেয়ে উঠতে গিয়ে জান বের হয়ে যাবার অবস্থা। তাও একবার উপরে উঠে পেছনের ভিউটা দেখে এলাম। পুরো পথ ফিরতে আমাদের সবারই খারাপ অবস্থা, আর গরমে ঘেমে অবস্থা খারাপ আর কি।

 

গাড়ি চলা শুরু হলে বাতাসে কিছুটা শান্তি পেলাম। তো এই বাতাস খেতে খেতে একসময় পৌঁছে গেলাম ডাউকি কাস্টমস অফিসের সামনে। আমাদের লক্ষ্য ছিল ৩টার মধ্যেই ডাউকিতে পৌঁছানো, ঠিক সময় মতই পৌঁছালাম। ড্রাইভারকে তার প্রাপ্য বুঝিয়ে দিয়ে ঢুকে গেলাম অফিসের ভেতর। পাসপোর্ট এ ডিপারচার সিল নিয়ে, আর কাস্টমস ভেরিফিকেশন নিয়ে এবার ভারতকে বিদায় বলার পালা। সামনে পুলিশ চেকপোস্টে একবার পাসপোর্ট দেখিয়ে চলে এলাম নিজে দেশে।

দেশে ঢুকার সাথেই সাথেই যেন মাথায় বাজ। বাইরে থাকায় কোন খবর পাইনি এই কদিন। এর মধ্যে দেশের তুমুল ব্যাপার সেপার ঘটে গেছে। আর টানা পরিবহন ধর্মঘট চলছে। একটা মোটর সাইকেলও চলে না রাস্তায়। আমরা বাসে যাবো ভেবে রেখেছিলাম, সেখানে কোন কিছুই নেই ! কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে কাস্টমস, ইমিগ্রেশন শেষ করে একটা গাড়ি ভাড়া করলাম ২৫০০/= টাকায়। একটাই গাড়ি থাকায় আমদের একরকম বাধ্য হয়েই এত খরচ করে গাড়ি নিতে হল। এই অবস্থা হবে আগে জানলে, এই খরচে আরও একদিন ঘুরে আসা যেত। তো রাস্তায় বিভিন্ন যায়গায় গাড়ি আটকিয়ে দেয়, তাই অনেক কলা কৌশলে অবরোধকারিদের এবং মোবাইল কোর্টের চোখ এড়িয়ে সিলেট পৌঁছাতে সন্ধ্যা হয়ে এল। আর এরই সাথে সাথে শেষ হল আমাদের এবারের মেঘালয় যাত্রা …

চতুর্থ দিনের গুগল ম্যাপ এখানে

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38347201
Users Today : 2704
Users Yesterday : 2774
Views Today : 15924
Who's Online : 43

© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/