শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০১:১১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মুশতাকের মৃত্যুতে ১৩ দেশের রাষ্ট্রদূতের গভীর উদ্বেগ মুশতাক আহমেদের মৃত্যু অনভিপ্রেত: তথ্যমন্ত্রী গাইবান্ধায় প্রেমের কারণে কিশোরীকে গলা কেটে হত্যা কুড়িগ্রামে পাকা সড়ক নির্মানের দাবিতে মানববন্ধন কুয়েতে সাজাপ্রাপ্ত পাপুলের এমপি পদ শূন্য: লক্ষ্মীপুর-২ আসনে নির্বাচনী হাওয়া লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন চট্টগ্রামে পাঁচ ভাই-বোনের একই দিনে বিয়ে মেয়ের খোঁজ নিতেন না তামিমা শাহবাগে লেখক মুশতাকের গায়েবানা জানাজা, জুতা মিছিল বনানীতে বিএনপির মশাল মিছিলে পুলিশের হামলার অভিযোগ অন্যের বিশ্বাসের প্রতি আঘাত করে লিখতেন মুশতাক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার চলবে ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ি ট্রেন আতিকের প্রতারণার তথ্য পেল পুলিশ! কৃষকনেতা বি এম সোলায়মান মাষ্টার এর ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত গাবতলীর কাগইলে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

যক্ষ্মায় শীর্ষে ভারত, পাঁচে পাকিস্তান…বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

রাশিদ রিয়াজ : বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৮ সালে ভারতে নথিভুক্ত যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা ২৭ লক্ষ (২৬.৯)। পঞ্চম স্থানে রয়েছে পাকিস্তান। বিশ্বের নিরিখে, ৬ শতাংশ যক্ষ্মা আক্রান্ত পাকিস্তানে। বাংলাদেশ আছে সাতে (৬%)। তিনে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া। আটে দক্ষিণ আফ্রিকা (৩ শতাংশ)। চারে আছে ফিলিপিন্স। ছয়ে আছে নাইজেরিয়া।হু-এর এই রিপোর্টে প্রকাশ, বিশ্বের মোট যক্ষ্মারোগীর দুই তৃতীয়াংশই রয়েছে উল্লিখিত আটটি দেশে। ২০১৭ সালে গোটা বিশ্বে ১৬ লক্ষ মানুষ যক্ষ্মায় মারা গিয়েছেন। ২০১৮-য় যদিও যক্ষ্মায় মৃত্যু কমে হয়েছে ১৫ লক্ষ। বিশ্বে মৃত্যুর নিরিখে প্রথম ১০-এ যে অসুখগুলি রয়েছে, তার মধ্যে যক্ষ্মা অন্যতম। টাইমস অব ইন্ডিয়া

গোটা বিশ্বে প্রায় এক কোটি মানুষ যক্ষ্মায় ভুগছেন। বলছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাম্প্রতিক রিপোর্ট। যক্ষ্মা আক্রান্তের নিরিখে দেশ হিসেবে শীর্ষে ভারত। যদিও, অতীতের তুলনায় ভারত যক্ষ্মা রোগী অনেকটাই কমছে। তবে, শীর্ষস্থান থেকে সরে আসতে পারেনি। অদূর ভবিষ্যতে সে সম্ভাবনাও নেই। কারণ, দ্বিতীয় স্থানে থাকা চীনে যক্ষ্মা আক্রান্ত মোটে ৯ শতাংশ। যেখানে দুনিয়ার মোট যক্ষ্মা আক্রান্ত রোগীর ২৭ শতাংশের বাস ভারতে।

হু-র রিপোর্টে ভারতের জন্য স্বস্তির খবর একটাই, বিগতে এক বছরে যক্ষ্মা আক্রান্তের হার কমেছে। ২০১৭ সালে যেখানে নথিভুক্ত যক্ষ্মারোগীর সংখ্যা ছিল ২৭.৪ লক্ষ, সেখানে ২০১৮ সালে তা নেমে এসেছে ২৬.৯ লক্ষে। ভারতে বিজেটি সরকারের লক্ষ্য, ২০২৫ সালের মধ্যে ভারতকে যক্ষ্মামুক্ত করা। শুধু টার্গেট স্থির করাই নয়, শেষ তিন বছরে যক্ষ্মার চিকিত্‍‌সায় বরাদ্দও বিপুলাংশে বাড়ানো হয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে যেখানে ৬৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে তা বেড়ে হয়েছে ২,৮৪০ কোটি টাকা।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38332610
Users Today : 2713
Users Yesterday : 6494
Views Today : 8485
Who's Online : 36
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/