মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ১১:৪৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ডাবের খোসায় গর্ত ভরাট‍! নিয়মিত পর্নো ভিডিও দেখতেন শিশুবক্তা রফিকুল আইপিএল নিয়ে জুয়ার আসর থেকে আটক ১৪ কারাগারে কেমন কাটছে পাপিয়ার দিনকাল এক ঘুমে কেটে গেলো ১৩ দিন! কেউ ‘কাজের মাসি’, কেউবা ‘সেক্সি ননদ-বৌদি’ ৬৪২ শিক্ষক-কর্মচারীর ২৬ কোটি টাকা ছাড় করোনায় আরো ৬৯ জনের মৃত্যু, আক্রন্ত ৬০২৮ বাংলাদেশে করোনা টানা তিনদিন রেকর্ডের পর কমল মৃত্যু, শনাক্তও কম করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপি শো-রুম থেকে প্যান্ট চুরি করে ধরা খেলেন ছাত্রলীগ নেতা করোনা নিঃশব্দ ও অদৃশ্য ঘাতক,সতর্কতাই এ থেকে মুক্তির একমাত্র পথ ——-ওসি দীপক চন্দ্র সাহা তানোরে প্রণোদনার কৃষি উপকরণ বিতরণ শিবগঞ্জে কৃষি জমিতে শিল্প পার্কের প্রস্তাবনায় এলাকাবাসীর মানববন্ধন সড়কের বেহাল দশায় চরম জনদুর্ভোগ

যে কারণে নিকটাত্মীয় ভাই-বোনদের বিয়ে ঠিক নয়, জেনে রাখা দরকার

যে কারণে খালাতো ও মামাতো ভাই-বোনদের বিয়ে ঠিক নয়, কারণটি সকলের জেনে রাখা দরকার
খালাতো ও মামাতো ভাই- নিকটাত্মীয় অর্থ্যাৎ চাচাতো, মামাতো, খালাতো ও ফুফাতো ভাই-বোনদের মধ্যে বিয়ে বিজ্ঞানসম্মত নয়। এ বিয়ের পরিণামে যে সন্তান হয়, তার মধ্যে জ’ন্মগত ত্রুটি দেখা দেওয়ার ঝুঁ’কি বেশি। ‘দ্য ল্যানসেট; সাময়িকী’তে প্র’কাশিত এক গবেষণা নিব’ন্ধে বিজ্ঞানীরা এ তথ্য জা’নিয়েছেন।

যু’ক্তরাজ্যের ব্র্যাডফোর্ড শহরে বসবাসকারী পা’কিস্তানি বংশোদ্ভূত জনগোষ্ঠীর মধ্যে এক গবেষণা চালিয়ে দেখা যায়, নিকটাত্মীয়ের মধ্যে বিয়ের মাধ্যমে জ’ন্মগ্রহণকারী সন্তানের জিনগত অস্বা’ভাবিকতার হার সাধারণ শি’শুদের তুলনায় ৩০ শতাংশ বেশি।

এসব অস্বা’ভাবিকতার মধ্যে নবজাতকের অ’তিরি’ক্ত আঙুল গজানোর মতো স’মস্যা থেকে শুরু করে হূ ৎপিণ্ডে ছিদ্র বা মস্তিষ্কের গঠন-প্রক্রিয়ায় ত্রুটি দেখা দিতে পারে।

অবশ্য সার্বিক বিবেচনায় এ ধ’রনের অস্বা’ভাবিকতার হার খুবই কম। গবেষণায় নেতৃত্ব দেন লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এয়ামন শেরিডান। ২০০৭ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে জ’ন্মগ্রহণকারী সাড়ে ১৩ হাজার শি’শুকে ওই গবেষণার আওতায় আনা হয়।

ব্র্যাডফোর্ড শহরে দক্ষিণ এশীয় অ’ভিবাসীদের বড় একটি অংশ বসবাস করে। সেখানে পা’কিস্তানি বংশোদ্ভূত জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৩৭ শতাংশই র’ক্তের স’স্পর্কের আত্মীয়দের মধ্যে বৈবাহিক স’স্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে র’ক্তের স’স্পর্কের আত্মীয়দের মধ্যে বিয়ের প্রচলন রয়েছে। সারা বিশ্বে ১০০ কোটির বেশি মানুষ এ রকম সংস্কৃতি ধারণ করে

বিয়ে
প্রত্যেক স্ত্রী’র আ’সলে থাকে চারটি স্বামী। আপনি চতুর্থ। জানুন এই বিবাহ রহ’স্যপ্রত্যেক স্ত্রী’র আ’সলে চারটি করে স্বামী থাকে। যে পুরুষকে সমাজ কোনও মে’য়ের স্বামী হিসেবে জানে, পৌরাণিক নিয়ম অনুসারে, সে হল তার

চতুর্থ স্বামী। কিন্তু সেটা কী’ ভাবে সম্ভব? বর্তমান ভা’রতে নারীস্বাধীনতা খুব গর্ব করার মতো জায়গায় নেই। ভা’রতীয় সমাজ বিভিন্ন ভাবে নারীর স্বাধীনতাকে খর্ব করে থাকে।

কিন্তু এক সময়ে এই ভা’রতেই নারীর যথেষ্ট সম্মান এবং স্বতন্ত্রতা ছিল। প্রাচীন ভা’রতের নিয়ম অনুসারে, প্রত্যেক স্ত্রী’র আ’সলে চারটি করে স্বামী থাকে। যে

পুরুষকে সমাজ কোনও মে’য়ের স্বামী হিসেবে জানে, পৌরাণিক নিয়ম অনুসারে, সে হল তার চতুর্থ স্বামী। কিন্তু সেটা কী’ ভাবে সম্ভ

ব?

এক জন মহিলার চারজন স্বামীর উল্লেখ পাওয়া যায় হিন্দু-বিবাহের সময়ে উচ্চারিত মন্ত্রে। আজকের দিনে যাঁরা সনাতন প্রথা মেনে ধ’র্মমতে বিয়ে করেন, তাঁদের মধ্যে বিয়ের মন্ত্রের প্রকৃত অর্থ বোঝেন, এমন মানুষ দুর্লভ। ফলে তাঁরা জানতেও পারেন না, বিয়ের সময়ে উচ্চারিত মন্ত্রে ঠিক কী’ বলা হচ্ছে।

বিয়ের সময়ে যে মন্ত্রোচ্চারণ করা হয়, সেই মন্ত্র অনুসারে কোনও নারীকে তাঁর লৌকিক স্বামীর হাতে অর্পণ করার আগে তিন জন দেবতা অথবা গন্ধ’র্বের হাতে অর্পণ করা হয়। বিবাহের আসনে বসা কন্যাকে প্রথমে অর্পণ করা হয় চন্দ্রের হাতে।

তার পর সে অর্পিত হয় বিভাবসু নামক গন্ধ’র্বের হাতে। অ’তঃপর মে’য়েটির স্বামীত্ব অর্পিত হয় অ’গ্নির হাতে। একেবারে শেষে বরের আসনে বসা পুরুষটিকে মে’য়েটির স্বামী হিসেবে ঘো’ষণা করা হয়। অর্থাৎ বৈদিক নিয়ম অনুযায়ী, যে পুরুষ কোনও মহিলার স্বামী হিসেবে সমাজে পরিচিত হন, তিনি আ’সলে তাঁর চতুর্থ স্বামী।

মহাভা’রতে কুন্তীর মুখে নারীস্বাধীনতার এবং নারীর একাধিক স্বামী গ্রহণের কথা উচ্চারিত হয়েছিল। কুন্তীকে এক জায়গায় বলতে শোনা গিয়েছে, আগেকার দিনে মে’য়েরা নিজে’র পছন্দমতো যে কোনও পুরুষকে তার সঙ্গী হিসেবে নির্বাচন ক’রতে পারত।

ইচ্ছে হলে একাধিক পুরুষকেও স্বামী হিসেবে নির্বাচন ক’রতে পারত। মহাভা’রতে দ্রৌপদীর কাহিনিতেও এই একাধিক স্বামী গ্রহণের বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে।

পরবর্তী কালে নারীর এই অধিকার খর্ব করা হয়। বিবাহের নতুন নিয়ম চালু হয় সমাজে। এই নিয়ম প্রচলনের ক্ষেত্রে অন্যতম গু’রুত্ব পূর্ণ ভূমিকা পা’লন করেন শ্বেতকেতু। পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে, এক দিন শ্বেতকেতু তাঁর মা-কে কোনও পরপুরুষের স’ঙ্গে ঘনিষ্ঠ অব’স্থায় দেখে ফে’লে ন।

তখনই তাঁর মনে প্রশ্ন জাগে, ‘তা হলে যে পুরুষকে আমি আমা’র পিতা বলে জানি, তিনিই কি আমা’র প্রকৃত পিতা?’ তাঁর মনে হয়, নারীর একাধিক পুরুষ সঙ্গী না থাকাই বাঞ্ছনীয়। নারীর বহুবিবাহকে তিনি নিষি’দ্ধ বলে ঘো’ষণা করেন।

কালে কালে নারীর উপর পুরুষতান্ত্রিক সমাজে’র অধিকার স্থাপিত হয়। নারী কার্যত তার স্বামীর সম্পত্তি হয়ে ওঠে। কিন্ত এখনও বিবাহের মন্ত্রে নারীর চার স্বামীর কথা উল্লেখ হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38444380
Users Today : 1335
Users Yesterday : 1256
Views Today : 17301
Who's Online : 32
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone