সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
দিনাজপুর বিরামপুরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রণোদনা ঈমাম মুয়াজ্জিনদের মাঝে চেক বিতরণ করলেন ইউএনও বাগেরহাটে মোরেলগঞ্জে ঘরের অভাবে রোদ বৃষ্টির দিনলিপি এক দিনমজুরের ছাতকে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের পক্ষে ফুলের তোড়া দিয়ে মহিবুর রহমান মানিক এমপি কে অভিনন্দন জানান।। এমটিবি এবং কোয়ালিটি ফিডস্ধসঢ়; লিমিটেড (কিউএফএল)- এর মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর ত্রিশালে মাস্ক ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন সাঁথিয়ায় দাবি আদায়ে কালেক্টরেট সহকারীদের সংবাদ সম্মেলন নড়াইল-যশোর সড়কে ট্রাকের ধাক্কায় কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত সুখানপুকুর বন্দর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণে ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন বিরামপুরে প্রাণী সম্পদ অফিসারের অবহেলায় ৩০ লক্ষ্য টাকার মুলাের খামারীর মুরগী ধ্বংস জুয়ার আসরে তিন গ্রুপের সংঘর্ষে ,নিখোঁজ তিন, আটক ২ শিগগিরই ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তর শেখ হাসিনার স্বপ্ন কেউ যেন নস্যাৎ করতে না পারে- যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে জিল বাংলা সুগার মিলে মানববন্ধন ছাতকের গোবিন্দগঞ্জে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবীতে এলাবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন।। ‘কথা দিলাম প্রমাণ করতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেবো’

যে ছবির ‘অশ্লীল’ মুহূর্ত মনে রাখতে চান না মাধুরী

কেরিয়ারের শুরুতেই সানি দেওল এবং জ্যাকি শ্রফের মতো সুপারস্টারের সঙ্গে কাজের সুযোগ। বক্স অফিসেও হিট। তা সত্ত্বেও মাধুরী দীক্ষিত নাকি এই ছবিটি মনেই রাখতে চান না। কোন সে ছবি? কেনই বা তা নিয়ে কথাবার্তায় বিশেষ উৎসাহী নন মাধুরী?

অনেকই জানেন, এক সময় বলিউডে রাজত্ব করেছেন মাধুরী দীক্ষিত। যে সময় নায়ককেন্দ্রিক ছবি হতো, সে সময় একার হাতে টেনে তুলেছেন বহু সাদামাটা ফিল্মকে। তবে স্টারডমের চূড়ায় পৌঁছানোর আগে কম স্ট্রাগল করতে হয়নি মাধুরীকে।

সেই স্ট্রাগল পর্বের একটি ছবি নিয়ে নাকি এখনো আফসোস করেন তিনি। সে কাহিনি শোনানোর আগে একটু পিছিয়ে যাওয়া যাক। দেখে নেওয়া যাক, কেমন ছিল মাধুরীর কেরিয়ারের গোড়ার দিকটা।

১৯৮৪ সালে বলিউডে ডেবিউ হলেও কেরিয়ারের গোড়ায় আর পাঁচটা বলি-হিরোইনের মতোই স্ট্রাগল করতে হয়েছে মাধুরীকে। হীরেন নাগের ছবি ‘অবোধ’তে তাকে প্রথম দেখা গিয়েছিল বড় পর্দায়। তাপস পালের বিপরীতে আনকোরা মাধুরীর উত্থান ঝড়ের গতিতে হয়নি। বরং ’৮৪ এর সেই ফিল্মের পর বেশ কষ্ট করে বলিউডে নিজের জমি পোক্ত করতে হয়েছে মাধুরীকে।

বলিউডে অভিষেকের পর বেশ কয়েকটা ছবিতে কাজ করলেও বছর চারেক বড়সড় হিট দিতে পারেননি মাধুরী। সেই স্ট্রাগলিং পর্বে অবশ্য সুযোগ পেয়েছেন ‘দয়াবান’র মতো ছবি করার। ফিরোজ খানের সেই ফিল্মে সাহসী দৃশ্যে দেখা গিয়েছিল মাধুরী এবং বিনোদ খন্নাকে। সালটা ১৯৮৮। সে বছরের ২১ অক্টোবর রিলিজ করেছিল

‘দয়াবান’র বোল্ড সিন এবং পাওয়ারফুল পারফরম্যান্সের জোরে বলিউডে চর্চায় থাকলেও মাধুরীর কেরিয়ারে স্টারডমের ছোঁয়া লাগেনি তখনো। কেরিয়ারের শুরুতেই সে সময় মাধুরী সুযোগ পেয়েছিলেন উমেশ মেহরার সঙ্গে একটি ছবি করার। লোভনীয় স্টারকাস্ট। রয়েছেন সে সময়কার তারকারা— সানি দেওল এবং জ্যাকি শ্রফ। তবে নায়িকার ভূমিকায় নয়। তাতে রয়েছেন কিমি কাতকর। মাধুরী তাতেও রাজি হয়েছিলেন সেই ছবি করতে।

সানি-জ্যাকির সঙ্গে সে সময় কাজ করাটা বড় সুযোগ হিসেবেই দেখেছিলেন মাধুরী। ইন্ড্রাস্ট্রিতেও ভালো জমি করে নিতে পারবেন ভেবেই হয়তো তাতে রাজি হয়েছিলেন। তবে এই ছবিটিই আর কখনই মনে রাখতে চাননি মাধুরী।

উমেশ মেহরার সেই ছবিটি ছিল ‘বর্দী’। তবে শুটিং শেষ হলেও নানা ডামাডোলে তা রিলিজ হচ্ছিলো না। এক সময় তো প্রযোজকও বদল হল। সেই সময়ই মাধুরীর হাতে এসেছিল ‘তেজাব’। এন চন্দ্রার সেই ছবিই মাধুরীকে একধাক্কায় স্টারডমের তুঙ্গে তুলে দেয়। সালটা ১৯৮৮। সে বছরের নভেম্বরে ‘তেজাব’ রিলিজের পর মাধুরীর ‘এক, দো, তিন… ’ গানের তালে মেতেছিল ৮ থেকে ৮০। সেই ফিল্মের হিরো অনিল কাপুরের সঙ্গে তো একেবারে জুটি তৈরি হয়ে গিয়েছিল বলিউডে।

‘তেজাব’ রিলিজ করলেও উমেশ মেহরার ‘বর্দী’ তখনো পর্দায় দেখা যায়নি। এদিকে মাধুরীর তখন স্টারডম আকাশছোঁয়া। বাজারদরও তুমুল। সেই সাফল্যে গা ভাসাতেই বোধহয় ‘বর্দী’র প্রযোজক তড়িঘড়ি ছবি রিলিজে সিদ্ধান্ত নেন। ‘তেজাব’ রিলিজ মাস দুয়েক পরেই রিলিজ করে ‘বর্দী’। ১৯৮৯’র ৬ জানুয়ারি।

‘বর্দী’ রিলিজের পর দেখা গেল, মাধুরীর রোল এতটাই কাটছাঁট করা যে তাকে ক্যামিয়ো বলা ছাড়া উপায় নেই। কেন? সেন্সর বোর্ড নাকি সে সময় ওই ছবির দৈর্ঘ্য দেখে এতোদিন তা রিলিজে বাধা দিয়েছিল। ফলে রোলে কাটছাঁট!

সেন্সর বোর্ডের সিদ্ধান্তে ‘বর্দী’র যে দৃশ্যগুলো বাদ পড়েছিল, তাতে মাধুরীর বড়সড় অংশ ছিল এবং তাতেই কাঁচি পড়েছিল। ফলে পার্শ্বচরিত্র থেকে মাধুরীর রোল একেবারে ক্যামিয়োতে পরিণত হয়েছিল।

‘তেজাব’র সাফল্যর পর পরই ‘রাম লখন’ রিলিজ করে। সালটা ১৯৮৯। সে বছরের জানুয়ারিতে সুভাষ ঘাইয়ের এর মতো পরিচালকের ‘রাম লখন’ মাধুরীকে স্টারডমের এক নয়া উচ্চতা দেয়। এরপর বলিউডে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি মাধুরীকে। তবে ‘বর্দী’ নিয়ে সে সময় বেশ অস্বস্তিতে পড়েছিলেন তিনি।

সুপারস্টার নায়িকা মাধুরীকে জ্যাকির সঙ্গে ‘বর্দী’তে বোল্ড সিনে দেখা গিয়েছিল। ওই ফিল্মে সুপারস্টার মাধুরী ছিলেন একেবারেই পিছনের সারিতে। মাধুরীর নামের জোয়ারে ছবি হিট করলেও তার ক্যামিয়ো দেখে ভক্তরাও বোধ হয় হতবাক হয়েছিলেন। অবাক হয়েছিলেন তার সাহসী দৃশ্যেও।

স্টারডমের তুঙ্গে ওঠা মাধুরী নিজের কেরিয়ারের এমন একটা সময়ে ‘বর্দী’র জন্য ‘হ্যাঁ’ বলেছিলেন, যে সময় তিনি ছবি বাছাবাছি করার মতো জায়গায় ছিলেন না। তবে কয়েক মাসের মধ্যেই যে তার ভাগ্য বদলে যাবে, তা কে জানতো!

নয়া স্টারডমের পর মাধুরীর কাছে একাধিক দরজা খুলে গিয়েছিল। ছবি বাছাইয়ের সুযোগ ছিল। যেকোনো প্রজেক্টকে ফিরিয়ে দেওয়ারও সাহস এসে গিয়েছিল। ছবি বাছাবাছির ক্ষেত্রেও তার কথাই শেষ কথা হয়ে গিয়েছিল। তবে কেরিয়ারের শুরুতে সেই সাহস বোধ হয় তিনি চাইলেও করতে পারতেন না। ফলে ‘বর্দী’ নিয়ে এখনো বোধহয় আফসোস যায়নি। ওই ছবিকে মনেও রাখতে চান না মাধুরী।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37875605
Users Today : 533
Users Yesterday : 2922
Views Today : 2097
Who's Online : 22
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone