শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মিনা পাল থেকে সিনেমার ‘মিষ্টি মেয়ে’ কবরী সপরিবারে ভ্যাকসিনের ২য় ডোজ নিলেন আলমগীর সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট চলবে রোববার থেকে নতুন করে দেড় কোটি মানুষকে দরিদ্র করেছে করোনা রমজানে যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন ইলিয়াস আলী নিখোঁজের বিষয়ে নতুন তথ্য দিলেন আব্বাস বাতাসেও ছড়ায় করোনাভাইরাস নববর্ষে গণস্বাস্থ্যের উপহার ৬ ক্যাটাগরিতে ফি কমালো গণস্বাস্থ্য ডায়ালাইসিস সেন্টার বাংলাদেশকে ৬০ লাখ ডোজ টিকা দিতে চায় চীনা কোম্পানি চীনকে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলার প্রতিশ্রুতি সুগা ও বাইডেনের দুমকিতে ডায়রিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি, স্লাইন ও বেড সংকট চরম ভোগান্তিতে রোগীরা।। আওয়ামী লীগে আদর্শিক নেতৃত্বের কবর   !  কবরী দেশকে ভালোবেসে ঋণী করেছেন : নতুনধারা রত্নগর্ভা মুনজুরা চৌধুরীর দাফন সম্পন্ন বড়াইগ্রামে কৃষি জমিতে পুকুর খনন, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

রংপুর চিনিকলের শ্রমিক-কর্মচারীর মানবেতর জীবন যাপন

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার একমাত্র কৃষিভিত্তিক শিল্প কারখানা গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জে অবস্থিত রংপুর চিনিকলের শ্রমিক-কর্মচারীর বেতন, আখচাষী ও ঠিকাদারদের প্রায় ১০ কোটি টাকা পাওনা থাকায় তাদের মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। জানা যায়,গত ফেব্র“য়ারি মাসে আখমাড়াই মৌসুম শেষ হয়। রংপুর চিনিকল লিমিটেডে প্রায় ৪ হাজার আখচাষীর সরবরাহ করা আখের মূল্য প্রায় ৪ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। মাড়াই মৌসুমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে মালামাল ও শ্রমিক সরবরাহকারী ঠিকাদারদের পাওনা ২ কোটি টাকাও পরিশোধ করা হয়নি।

দেয়া হয়নি সরকারি সাহায্য বা কোন প্রণোদনাও। রংপুর চিনিকলের কাছে তাঁদের পাওনা টাকার দাবিতে প্রায় প্রতিদিনই বিক্ষোভ ও ঘেরাও কর্মসূচি পালন করছেন আখচাষী ও শ্রমিক-কর্মচারীরা। করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রধান কার্যালয়সহ বিভিন্ন দফতর বন্ধ থাকায় টাকা ছাড় না হওয়া এবং দোকানপাট বন্ধ থাকার কারণে চিনিকলে উৎপাদিত চিনি বাজারে বিক্রি করতে না পারায় আর্থিক সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি চিনিকল কর্তৃপক্ষ। রংপুর চিনিকলে কর্মরত প্রায় এক হাজার স্থায়ী ও মৌসুমী শ্রমিক-কর্মচারী এবং কর্মকর্তার প্রতি মাসের বেতনভাতা প্রয়োজন ৯৫ লাখ টাকা।

গত জানুয়ারি মাস থেকে বাকি থাকায় এ বেতন ভাতার বকেয়ার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪ কোটি টাকা। চাষীদের সরবরাহকৃত আখের বকেয়া ৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা। এছাড়াও চিনিকলের নিজস্ব বাণিজ্যিক খামার ও মিলের মাড়াই মৌসুমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরবরাহ করা শ্রমিক এবং প্রয়োজনীয় মালামাল সরবরাহকারী ঠিকাদারদের পাওনাও প্রায় ২ কোটি টাকা। গত চার মাস ধরে এসব পাওনা পরিশোধ করতেনা পারায় শ্রমিক-কর্মচারীরা পড়েছে চরম বিপাকে। রংপুর চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আবু সুফিয়ান সুজা বলেন শ্রমিক-কর্মচারীদের চার মাসের বেতন বাকী থাকায় তারা এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে। মহিমাগঞ্জ গ্রামের আখচাষি রেজাউল মিয়া বলেন তিনমাস আগে চিনিকলের আখ মাড়াই বন্ধ হয়েছে।

কিন্তু চিনিকলের কাছে আখ সরবরাহের ৫০ হাজার টাকা এখনও পাই নাই। শ্রমিকরা বলেন করোনাভাইরাসের সময় বাড়ি থেকে বের হতে পারছি না। জমানো টাকা শেষ হওয়ায় ধারদেনা করে চলছি। বর্তমানে দোকানিরা আর বাকিতে খরচ দিতেও রাজি হচ্ছেন না। ফলে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি। রংপুর চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: রফিকুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প সংস্থার নিয়ন্ত্রণাধীন এ চিনিকলের আর্থিক সমস্যা সমাধানের জন্য ১২ কোটি টাকার চাহিদা জানিয়ে প্রধান কার্যালয়ে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে অর্থ ছাড়ে বিলম্ব হওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া করোনার কারণে চা-মিষ্টির দোকান বন্ধ থাকায় স্থানীয় বাজারেও চিনি বিক্রি হচ্ছে না। তিনি বলেন অচিরেই অর্থনৈতিক এ সমস্যার সমাধান হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

১৯

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38449436
Users Today : 1060
Users Yesterday : 1193
Views Today : 8183
Who's Online : 31
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone