শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৫:০৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
দূর্গা পুজা মন্ডপে হামলা ভাংচুর লুঠপাট ধর্ষন খুন জখমের প্রতিবাদে জাতীয হিন্দু মহাজোট জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি এবং গঠনতন্ত্র থাকলেই রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন দিতে হবে: ইউএনএ চট্টগ্রামে বাসা থেকে মা ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার বোয়ালখালীতে বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠী’র নেতৃত্বে পশ্চিম গোমদন্ডী মানব কল্যাণ সংঘ এর পূজা মন্ডপ পরিদর্শন সুন্দরগঞ্জে লিমার হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন মিরসরাইয়ে ট্রিপল মার্ডার সম্পত্তি না দেওয়ায় মা-বাবা ও ভাইকে জবাই করে হত্যা বড় ছেলের দায় স্বীকার, হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত চুরি উদ্ধার ইসলামপুরে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বরণ র্ধম নিয়ে রাজনীতি নয় এ্যাড. আফজাল হোসেন কোরআন অবমাননার নাটক করে সারাদেশে পূজামন্ডপে সন্ত্রাসী হামলা—ভাংচুরের প্রতিবাদে ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল তানোর উপজেলা চেয়ারম্যানের মন্দির পরিদর্শন দিনাজপুর বিরামপুরে স্বামীর বটির আঘাতে স্ত্রী গুরুতর জখম  তানোরে মন্দির কমিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময় ডাকাতির প্রস্তুতি সময় ৪ যুবককে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১২ খানসামায় সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তা পেল ৪ শতাধিক কর্মহীন ও দিনমজুর পরিবার লক্ষ্মীপুরে ইউপি আ’লীগের সভাপতি পদ থেকে নান্নুকে বাতিলের দাবীতে নেতাকর্মীদের সংবাদ সম্মেলন

রাজীবপুরে ক্লাস না করিয়েও ১৪ বছর  ধরে বেতন নিচ্ছেন এক সহকারী শিক্ষক

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি  :
কুড়িগ্রামের রাজীবপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফজলুল রহমান  দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে  ক্লাস না করিয়ে বেতন তুলে নিচ্ছেন। তিনি মাঝে মধ্যে বিদ্যালয়ে এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে চলে যান। চোখের সামনে এ ধরণের ঘটনা ঘটলেও কর্তৃপক্ষের নীরব ভূমিকায় এলাকায় চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগে জানা গেছে, মোঃ ফজলুল রহমান প্রায় ১৪ বছর আগে রাজীবপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন।
সেই থেকে আজ পর্যন্ত বিদ্যালয়ে ক্লাস না করিয়ে মাসে- মাসে এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে বেতন তুলে আবার চলে যান। তার এ বিষয়টি সাবেক এবং বর্তমান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অবগত আছেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তারা এখনো বিষয়টি গোপন রেখে তার বেতন সিটে নিয়মিত স্বাক্ষর করে বেতন তুলতে সহায়তা করছেন। এদিকে শিক্ষার্থীরা এ কারণে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অন্যদিকে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা ক্ষতি হচ্ছে বলে জানা যায়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ফজলুল রহমান বলেন, আমি নিয়মিত প্রতিদিন স্কুলে যাই বিশ্বাস না হলে হাজিরা খাতা দেখতে পারেন। রাজীবপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিম উদ্দীন মাষ্টার বলেন, ফজলুল মাষ্টার  কে আজ পর্যন্ত ক্লাস নিতে আমি দেখি নাই। মাঝে মধ্যে স্কুলে এসে হাজিরা খাতায় সাক্ষর করে চলে যান।  এ ব্যাপারে রাজীবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  বলেন, আমার কাছে অভিযোগ আসলে আমি এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেব।

Please Share This Post in Your Social Media

https://twitter.com/WDeshersangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

All rights reserved © deshersangbad.com 2011-2021
Design And Developed By Freelancer Zone