দেশের সংবাদ l Deshersangbad.com » রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্থানীয়দের চাকরীর অধিকার আদায় এবং ছাটাইয়ের বিরুদ্ধে প্রয়োজন বৃহত্তর আন্দোলন ———



রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্থানীয়দের চাকরীর অধিকার আদায় এবং ছাটাইয়ের বিরুদ্ধে প্রয়োজন বৃহত্তর আন্দোলন ———

৮:০৭ অপরাহ্ণ, জানু ১১, ২০১৯ |জহির হাওলাদার

143 Views

——————————————————————————
আমরা আমাদের শতশত একর বনভুমি নষ্ট করে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছি। তাদের আশ্রয় দিতে গিয়ে হারিয়েছি কোটি কোটি টাকার সবুজ বনায়ন। ফলে পরিবেশ তার ভারসাম্য হারাচ্ছে। গরীবের চাষাবাদের জায়গাটুকুও তারা সন্ত্রাসী কায়দায় দখল করে তাদের আবাসস্থল বানিয়েছে। এলাকায় রাতের আধারে সংগঠিত হওয়া চুরি-ডাকাতিতেও তারা জড়িত বলে প্রমাণীত হচ্ছে! বর্বর এই জাতির অপরিকল্পিত বসবাসে দূষিত হচ্ছে আমাদের পরিবেশ।তাদের সার্বিক নোংরা পরিবেশ আর আচার আচরনের প্রভাব পড়ছে আমাদের কোমলমতি শিশু সহ সাধারন মানুষের জীবনে। কথায় কথায় অশ্লীল ভাষায় গালি দেওয়া তাদের আবাল বৃদ্ধের স্বভাব। তাদের সেই স্বভাবও খুব সহজেই ছড়িয়ে যাচ্ছে আমাদের সমাজে। সবকিছু মিলে একটা কঠিন এবং নিরাপত্তাহীন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে আমাদের জীবন। তবুও আমরা সেসব মেনে নিয়েছি কেবল মানবতার খাতিরে। সব হারিয়েও শান্তনা কেবল এটাই যে, আমরা আমাদের সর্বোচ্চ সাধ্যটুকু দিয়ে একটা নির্যাতিত জাতিকে আশ্রয় দিতে পেরেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল, সবকিছু দিলাম আমরা, আর সুযোগটা নিচ্ছে ভইঙ্গারা! রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত এনজিও’তে আমাদের ছেলেমেয়েদের চাকরী হয়না! আমাদের ছেলেমেয়েদের বায়োডাটার স্থান হয় ডাস্টবিনে কিংবা পানের দোকানে! মুষ্টিমেয় যাদের হয়েছে তাও খুবই নিচু স্তরে। তার উপর কথায় কথায় চাকরী থেকে ছাটাই! অথবা প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার বাহানায় চাকরী থেকে বিদায়! কিন্তু ভইঙ্গাদের চাকরী যায়না! তাদের কর্মরত এনজিও’র প্রকল্পের মেয়াদও শেষ হয়না! যেসময় আমাদের যোগ্য ছেলেমেয়েরা একটা চাকরীর আশায় লোকদেখানো ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার জন্য বায়োডাটা হাতে নিয়ে গাড়ির জন্য দাঁড়িয়ে থাকে, সেসময় আমাদের নাকের ডগার উপর দিয়ে দামী গাড়িতে চড়ে ক্যাম্পের কর্মস্থলে যায় সেই সব ভইঙ্গারা, রোহিঙ্গা আসার কারনে যাদের বিন্দুমাত্র ক্ষতি হয়নি! এটাকেই বলে নিজের জমিতে পরের চাষ।

স্থানীয়দের এসব এনজিওতে চাকরী না দেওয়ার কারনে তাদের বিরুদ্ধে একসময় স্থানীয় কিছু সাংবাদিক এবং সমাজকর্মী মানববন্ধনও করেছিল। আন্দোলন করে হুমকি দমকিও দিয়েছিল বেশ। ভইঙ্গারা জাতে চালাক। আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে নেতাগোছরের কয়েকজনকে মোটামুটি মানের চাকরী দিয়ে বাকিদের কিছু মালপানি দিয়ে আন্দোলনে ছাই ঢেলে দিয়ে পরিস্থতির সামাল দিয়েছিল। সেই মুষ্টিমেয়রা চাকরী করছে আর বাকিরা মাঝেমধ্যে আন্দোলনের নামে নতুন হুমকি দমকি দিয়ে পুনরায় কিছু মালপানি নিয়ে বৃহত্তর চাকরী প্রত্যাশীদের বায়োডাটায় পানি ঢেলে তাদের স্বপ্নটাকে ভাসিয়ে দিচ্ছে প্রতিনিয়ত। একটা কানামাছি খেলার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে আমাদের ছেলেমেয়েদের স্বপ্ন এবং অধিকারটা।

আজ স্থানীয় একটি পত্রিকায় দেখলাম, আবারও স্থানীয়দের চাকরী থেকে ছাটাই পর্ব শুরু হয়েছে। বাহানা সেই পুরাতন কাহিনী- প্রকল্পের মেয়াদ শেষ! প্রশ্ন হল, ভইঙ্গাদের জন্য প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়না কেন? এই প্রশ্নের সমাধান কেবল একটাই, তা হল, বৃহত্তর আন্দোলন। তাই আসুন, আমরা আমাদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হই।

“আমাদের এলাকায় রোহিঙ্গা,
সুযোগ নিবে কেন ভইঙ্গা?”

Spread the love
13 Views
26 Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




উপদেষ্টা পরিষদ:

১। ২।
৩। জনাব এডভোকেট প্রহলাদ সাহা (রবি)
এডভোকেট
জজ কোর্ট, লক্ষ্মীপুর।

৪। মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
ডাইরেক্টর
ষ্ট্যান্ডার্ড ডেভেলপার গ্রুপ

প্রধান সম্পাদক:

সম্পাদক ও প্রকাশক:

জহির উদ্দিন হাওলাদার

নির্বাহী সম্পাদক
উপ-সম্পাদক :
ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম সবুজ চৌধুরী
বার্তা সম্পাদক :
সহ বার্তা সম্পাদক :
আলমগীর হোসেন

সম্পাদকীয় কার্যালয় :

১১৫/২৩, মতিঝিল, আরামবাগ, ঢাকা - ১০০০ | ই-মেইলঃ dsangbad24@gmail.com | যোগাযোগ- 01813822042 , 01923651422

Copyright © 2017 All rights reserved www.deshersangbad.com

Design & Developed by Md Abdur Rashid, Mobile: 01720541362, Email:arashid882003@gmail.com

Translate »