সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২০, ০৮:৫১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
সুজনের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দোকানপাট খোলা ও চলাচলের নতুন আদেশ জারি বিশ্ব গণমাধ্যম এবং রাষ্ট্রনায়কদের চোখে বঙ্গবন্ধু করোনায় মৃত্যু কমায় কিছুটা স্বস্তিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুলাই মাসে রেকর্ড ২৬০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এলো দেশে করোনায় আরও ৩০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৩৫৬ করোনা আক্রান্ত এমপি সালমা চৌধুরীকে আনা হচ্ছে ঢাকায় ধামরাইয়ে বাস-পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষ, নিহত ৩ করোনা ভাইরাস: স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতিতে শাস্তির নজির নেই। কিন্তু দায়ী কারা? হঠাৎ পথ আটকে জিজ্ঞেস করেন “তুমি কি রাশিয়া থেকে এসেছো?” গায়ানার নির্বাচনে ইরফান আলীকে বিজয়ী ঘোষণা ১৫ হাজার নিয়োগের সরকারি বিজ্ঞপ্তি আসছে পুলিশের গুলিতে সাবেক মেজর সিনহার নিহত হওয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন বন্যাকবলিত ৩৩ জেলা, মৃত্যু ৪৩ জনের ছুটি শেষে ঢাকা ফিরছে কর্মজীবী মানুষ

লক্ষ্মীপুরে চৌকিদার দিয়ে ডেকে স্বাস্থ্যকর্মীকে পেটালেন চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক :

চৌকিদার দিয়ে ডেকে এনে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের পরিদর্শক আকবর হোসেনকে মারধর করেছেন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দিঘলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মজিবুর রহমান। তার বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার অভিযোগ তুলে বুধবার সন্ধ্যায় এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন ওই চেয়ারম্যান।

বৃহস্পতিবার বিকালে ভুক্তভোগী আকবর হোসেন সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যায় দিঘলী ইউনিয়নের পশ্চিম দিঘলী বাজারে চেয়ারম্যান শেখ মজিব তার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে আকবর হোসেনকে ডেকে আনেন। এ সময় ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগ এনে আকবরকে চেয়ারম্যান মারধর করে। পরে আহত অবস্থায় আকবরকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। রাতেই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়।

আহত আকবর দিঘলী ইউনিয়নের পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক ও পশ্চিম দিঘলী গ্রামের মৃত মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক খানের ছেলে।

সূত্র জানায়, আকবরদের পাঠানবাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে নিরাপত্তা দেওয়ালের জন্য জেলা পরিষদ থেকে সরকারিভাবে বরাদ্দ আসে। কিন্তু চেয়ারম্যান শেখ মজিব সেই বরাদ্দটি নিজের পারিবারিক কবরস্থানে ব্যয় করেন। এ নিয়ে অচেনা ফেসবুক আইডিতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একটি স্ট্যাটাস দেয়া হয়।

এ ঘটনায় চৌকিদার টিটুর মাধ্যমে আকবরকে তার পশ্চিম দিঘলী বাজারে ব্যক্তিগত কার্যালয়ে ডেকে আনে। ওই ফেসবুক আইডি ও স্ট্যাটাসটি আকবর দেয়নি বলে জানালেও চেয়ারম্যান বিশ্বাস করেনি। একপর্যায়ে চেয়ারম্যান তাকে মারধর করে।

ভুক্তভোগী পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক আকবর হোসেন বলেন, কে বা কারা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছে তা আমি জানি না। এ ঘটনায় আইসিটি মামলা করার জন্য আমি চেয়ারম্যানকে বলেছি। এরপরও তিনি আমাকে মারধর করেছে। ঘটনাটি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিতসহ বিচারের দাবিতে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছি।

মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে দিঘলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মজিবুর রহমান বলেন, আকবর নামে বেনামে ফেসবুক আইডি খুলে আমিসহ মানুষের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। সম্প্রতি আমার বিরুদ্ধেও অপপ্রচার চালায়। এ ঘটনা নিয়ে তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়েছে। তাকে মারধর করার ঘটনাটি সত্য নয়।

করোনার সময়ে আকবর দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছে বলে পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন চেয়ারম্যান।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone