মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
বরিশাল পুলিশ লাইন্সএ নিহত পুলিশ সদস্যদের স্মৃতিম্ভতে পুস্পার্ঘ্য অর্পন শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্ব বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করেছে: মিজানুর রহমান মিজু রাণীশংকৈলে জাতীয় বীমা দিবসে র‍্যালি ও অলোচনা  গণতন্ত্রের আসল অর্জনই হলো বিরোধিতা করার অধিকার – সুমন  জাতীয় প্রেস ক্লাবে মোমিন মেহেদীকে লাঞ্ছিতর ঘটনায় উদ্বেগ বেরোবি ভিসিকে নিয়ে মন্তব্য করায় শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ পটুয়াখালী এই প্রথম জোড়া লাগানোর শিশুর জন্ম! তানোরে ইউনিয়ন পরিষদের ভবন উদ্বোধন ফেসবুক ইউটিউব টুইটারকে যেসব শর্ত মানতে হবে ভারতে ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকার যানজট মুক্তির স্বপ্নপূরণে যত উদ্যোগ আজ অগ্নিঝরা মার্চের প্রথম দিন রাশিয়া প্রথম হয়েছিল বাংলাদেশের দুই টাকার নোট। অজুহাত দেখিয়ে মে’য়েরা বিয়ের প্রস্তাবে ল’জ্জায় গো’পনে ১০টি কাজ করে তামিমা স’ম্পর্কে এবার চা’ঞ্চল্যকর ত’থ্য দিল তার মেয়ে তুবা নিজেই ছে’লে: “বাবা তুমি তো বলেছিলে পিতৃ ঋণ কোনদিন শোধ হয় না

শত কোটির চেক পেলেন মুন সিনেমার মালিক

পুরান ঢাকার ওয়াইজঘাটে মুন সিনেমা হলের জমির মালিক ও ইটালিয়ান মার্বেল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মালিক মাকসুদুল আলমকে ৯৯ কোটি ২১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৪ টাকা ২৭ পয়সার চেক বুঝিয়ে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে আগামীকালের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ কল্যাণ ট্রাস্টের অনুকুল রেজিস্ট্রি করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। আগামী ৫ জানুয়ারির মধ্যে আদেশ বাস্তবায়ন করে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেন আদালত।

আপিল বিভাগ আদালতে উপস্থিত মাকসুদুল আলমের হাতে চেক হস্তান্তর করে জানতে চান, কত টাকা পেলেন? তখন মাকসুদুল আলম আল আরাফা ব্যাংকের অ্যাকাউন্টপেয়ী ওই চেক পড়ে বলেন, ৯৯ কোটি ২১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৪ টাকা ২৭ পয়সা।

এ সময় মাকসুদুল আলমের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি এবং সরকারের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

জানা যায়, পুরান ঢাকার ওয়াইজঘাটে একসময়ে মুন সিনেমা হলের মালিক ছিল ইটালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস লিমিটেড নামে একটি কোম্পানি। মুক্তিযুদ্ধের সময় ওই সম্পত্তি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। পরে ওই সম্পত্তি মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে তুলে দেয়া হয়। ইটালিয়ান মার্বেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাকসুদুল আলম এই সম্পত্তির মালিকানা দাবি করেন।

জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ঘোষিত এক সামরিক ফরমানে সরকার কোনো সম্পত্তি পরিত্যক্ত ঘোষণা করলে তা আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না বলা হয়। ইটালিয়ান মার্বেল ২০০০ সালে হাইকোর্টে ওই ফরমানসহ সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী চ্যালেঞ্জ করেন। ২০০৫ সালের ২৯ আগস্ট হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে মোশতাক, সায়েম ও জিয়ার ক্ষমতা গ্রহণের বৈধতা দেয়া সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী অবৈধ ও সংবিধানপরিপন্থী ঘোষণা করা হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয় ২০১০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি। আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন। পাশাপাশি ৯০ দিনের মধ্যে ইটালিয়ান মার্বেলকে মুন সিনেমা হল ফেরত দিতে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টকে নির্দেশ দেয়া হয়।

কিন্তু সিনেমা হল ফেরত না পেয়ে ২০১২ সালের ১০ জানুয়ারি ইটালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করেন। এক পর্যায়ে জানা যায়, মুন সিনেমা হলের জায়গায় একটি ডেভলপার কোম্পানিকে দিয়ে একটি বিশাল মার্কেট তৈরি করেছে তা সেলামি মূল্যে বিক্রি করেছে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট। তাই ওই সিনেমা হলের জায়গা আর ফেরত দেয়া সম্ভব নয়।

এ অবস্থায় ২০১৭ সালের ১৫ জানুয়ারি আপিল বিভাগ ওই সম্পত্তি অভিজ্ঞ ও নিরপেক্ষ এক প্রকৌশলীকে দিয়ে জমি ও স্থাপনার মূল্য নির্ধারণ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেন। অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীকে দিয়ে এই মূল্য নির্ধারণ করতে বলা হয়। পরবর্তীতে জামিলুর রেজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটি ওই সম্পত্তির মূল্য প্রায় ১০০ কোটি টাকা উল্লেখ করে প্রতিবেদন দেন। এই প্রতিবেদন  আদালতে দাখিল করে সরকার। এরপর আপিল বিভাগ টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38343894
Users Today : 2171
Users Yesterday : 5054
Views Today : 8969
Who's Online : 29
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/