শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
দেশের প্রথম ‘ছেলে সতীন’ হিসেবে গিনিস বুকে নাম লেখাতে চান নাসির হোসাইন! এবার প্রবাসীদের ব্যাগেজ রুলে আসছে পরিবর্তন, শুল্কছাড়ে যত ভরি স্বর্ণ আনতে পারবে প্রবাসীরা যে চার ধরনের শা’রীরিক মিলন ইসলামে নি’ষিদ্ধ !!বিজ্ঞানী বু-আলী ইবনে সীনা নারীদের যে ৮টি কথা বললে তারা আপনাকে মাথায় তুলে রাখবে… নওগাঁর মহাদেবপুরে বিএনপি’র উদ্যোগে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষে প্রস্তুতি সভা মাদ্রাসার এক ছাত্রকে (১২) বলৎকার মাওলানা আটক নরপশুটা আমাকে কোলে তুলে মোনাজাত করতো! গাইবান্ধায় মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার গাইবান্ধায় অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০ হানিফ বাংলাদেশীর মার্চ ফর ডেমোক্রেসি গাইবান্ধায় জনসভায় পরিনত হয়েছে দিনাজপুর বিরামপুরে ‘বিট পুলিশিং সমাবেশ নবনির্বাচিত উলিপুর পৌর মেয়রের দায়িত্বভার গ্রহণ  ভাষা দিবস উপলক্ষে নারী অধিকার আন্দোলনের আলোচনা সভা স্থগিত পরীক্ষা চালুর দাবি রাবি শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম তানোরে বিএনপির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

শার্শায় গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ৩৫৬ পরিবারের ঘর নিশ্চিত

ইকরামুল ইসলাম যশোর  প্রতিনিধি
যশোরের শার্শায় জমি আছে ঘর নাই ও দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয় এবং দূর্যোগ ব্যস্থাপনা মন্ত্রণালয় অতি দরিদ্র পরিবারে মাঝে ১টি করে বাসগৃহ নির্মাণ করে দিয়েছেন। পাকা ঘর পেয়ে খুশি হত দরিদ্র এসব পরিবার। তাই সরকারের এমন উদ্যেগকে স্বাগত জানিয়েছেন তারা।
যশোরের শার্শা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে হত দরিদ্রদের দুর্দশা লাঘবে জমি আছে ঘর নাই ও দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় পাকা বাড়ি তৈরি করে দিয়েছেন সরকার। জমি আছে ঘর নাই প্রকল্পে ৩ শত ৩৩টি ও দূর্যোগ সহনীয় প্রকল্পে আওতায় ২৩টি পরিবারকে ঘর দেওয়া হয়েছে।
রোদ বৃষ্টি ঝড়ে ভাঙ্গা চুড়া ঘরে অনেক কষ্টে দিন যাপন করা মানুষ গুলো কখনো কল্পনা করতে পারেনি এমন বাড়িতে তারা বসবাস করতে পারবেন। এমন পরিস্থিতিতে নতুন বাড়ি পেয়ে খুশি তারা।
শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল বলেন, জমি আছে ঘর নাই বা ঘর জরাজির্ণ প্রকল্পটি প্রধান মন্ত্রীর যুগান্তকারী পদক্ষেপ। যারা গ্রামাঞ্চলের দরিদ্র মানুষ যাদের জমি আছে ঘর নির্মাণ করার সামর্থ নেই। প্রধান মন্ত্রীর দপ্তর থেকে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। শার্শা উপজেলায় ৩ শত ৩৩টি ঘর বরাদ্ধ পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যে ঘর নির্মাণ কাজ সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
শার্শা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকত লাল্টু মিয়া বলেন, শার্শা উপজেলায় ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো ও রক্ষনা-বেক্ষন কর্মসুচির আওতায় ২৩টি দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ করা হয়েছে। গুণগত মান বজায় রেখে সুন্দর ভাবে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাতে উপকার ভোগীরা বসবাস করছেন। আগামীতে ঘরের পরিমাণ বাড়ানো হলে প্রান্তিক মানুষের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38324439
Users Today : 1036
Users Yesterday : 3953
Views Today : 3045
Who's Online : 36
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/