সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
‘হিন্দুরা মূর্তি পূজা করে’—অনেক বড় হয়েও এ কথা শুনেছি, অন্য ধর্মাবলম্বীদের কাছে উপহাসের পাত্র হয়েছি সোনাইমুড়িতে মেহেদীর রং না শুকাতেই অদৃশ্য কারণে যুবকের আত্মহত্যা ফিল্মি স্টাইলে ৪৫ লাখ টাকা ছিনতাই করে কক্সবাজার ভ্রমণ ভালো ঘুমের অভাবে দেখা দিতে পারে যেসব অসুখ স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে কি হয় জানেন? গাবতলীতে বিভিন্ন দূর্গাপূজা মন্ডপে আর্থিক অনুদান দিলেন বিএনপি নেতা নতুন সাভার আশুলিয়ায় মিনি ক্যাসিনোর সন্ধান সামনে ক‍্যারাম বোর্ড পেছনে ক‍্যাসিনোর আটক -২১ জন কুমিল্লায় পাঁচশ’ বছরের পুরনো পূজা মন্ডপে জীবন্ত সাপ ঘিরে চাঞ্চল্য গৃহবধূকে আটকে রেখে চেয়ারম্যান-মেম্বার মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের চূড়ান্ত অনুমোদন বেগমগঞ্জে পাঁচ ছিনতাইকারী আটক কক্সবাজারে বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ডিআইজি মোঃ আনোয়ার হোসেন চোখে আঘাত পেলে করণীয় সনাতনী ধর্মানুভূতিতে আঘাত : অভিনেত্রী তিশাসহ চার জনকে আইনি নোটিশ উইগুর নারীদের জরায়ুতে বিশেষ ডিভাইস বসিয়েছে চীন

শুধুমাত্র মৃত্যুদন্ডই কি পারবে ধর্ষণ রোধ করতে?

ধর্ষক একটি জঘন্যতম অপরাধ। টেলিভিশন খুললেই প্রতিদিন ধর্ষণের খবর  দেখা যায়। ধর্ষণ রোধের উপায় কি?     

সম্প্রতি  বাংলাদেশে ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদন্ড করা হয়েছে। এখন কথা হলো শুধুমাত্র, ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ড হলেই কি ধর্ষণ বন্ধ হয়ে যাবে? বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধর্ষনের শাস্তি বিভিন্ন রকম। কোনো কোনো দেশে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ড,কোনো কোনো দেশে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আবার কোনো দেশে বিভিন্ন মেয়াদে জেল। কিন্তু এমন কোনো দেশ আছে যেখানে ধর্ষণ নেই?   

মঙ্গোলিয়া এমন একটি দেশ যেখানে ধর্ষণের শাস্তি “ধর্ষিতার পরিবারের হাত দিয়ে ধর্ষককে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা “। কিন্তু কথা হলো এই দেশটি কি আদৌ ধর্ষণ নিরোধন সম্ভব হচ্ছে?    দেশটিতে প্রতিবছর গড়ে ধর্ষণ হয় ১২.৪০ শতাংশ! তাহলে মৃত্যুদন্ডের মাধ্যমে কেন ধর্ষণ রোধ করতে পারেনি!     

এক তথ্য অনুযায়ী দেখা যায় চিনে ২০১৫ সালে ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটে ২১২৫২ জন। অন্যদিকে দেশটি ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি হলো মৃত্যুদন্ড।           

ধর্ষণ রোধ করার জন্য মৃত্যুদন্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহন করতে হবে।যেমন আইনের শাসন,নৈতিক শিক্ষা,সুস্থ সংস্কৃতি ইত্যাদি। নাটক, সিমেনা,সাহিত্য সব জায়গায় যদি যৌনতার ছড়াছড়ি থাকে তাহলে সকলের মাঝে যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি পাবে। ফলে শাস্তি কার্যকর হলেই ধর্ষণ বন্ধ সম্ভব না।

সুস্থ সংস্কৃতি বিকাশের জন্য দেশে আইন আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। এক্ষেত্রে সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তথ্যসূত্র হতে দেখা যায় আরব দেশগুলোতে ধর্ষণের সংখ্যা কম। এর প্রধান কারন হলো ইসলামিক সংস্কৃতি ও আইনের যথাযথ প্রয়োগ।    শুধুমাত্র ফাঁশি কার্যকর  এর মাধ্যমে ধর্ষণ নিরোধন সম্ভব না। ধর্ষণ নিরোধের জন্য চাই সুস্থ সংস্কৃতি,  নৈতিক শিক্ষা ও আইনের  শাসন।এর কোনোটিতেই বাদ দে ধর্ষণ বন্ধ করা সম্ভব না বলে আমি মনে করি।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37672890
Users Today : 3598
Users Yesterday : 8769
Views Today : 8032
Who's Online : 80
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone