শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ০২:৩১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে গরম কাপড়ের কদর  বেড়েছে বরিশালে।  শাহসুফি সৈয়দ ক্বারী অাব্দুল মান্নান শাহ( রাঃ) এর বার্ষিক ওরশ ও ঈদে মিলাদুন্নবী( সাঃ) সম্পন্ন। শিবগঞ্জে মামলার প্রতিবাদ ও ধর্ষণের চেষ্টা মামলার সুষ্ঠ তদন্ত চেয়ে সংবাদ সম্মেলন শিবগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মা ও ছেলেকে লাঞ্চিতের অভিযোগ ডা. মিলনের রক্তের সাথে বেঈমানি করবেন না : মোমিন মেহেদী ঝালকাঠি সদর থানার ওসি খলিল মানবিক সেবায় অনন্য।মাদক সেবীদের আতঙ্ক ।  বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আটকা পড়েছে করোনা সনদ না থাকায় পাসপোর্ট যাত্রীরা তারেক রহমানের ৫৬তম জন্মদিন উপলক্ষে গাবতলীতে যুবদলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ব্যারিস্টার এসএম সাইফুল্লাহ রহমান কেন্দ্রীয়  যুবলীগের সদস্য মনোনীত হওয়ায় ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের শুভেচ্ছা সাঁথিয়ায় ধুলাউড়ি গণহত্যা দিবস পালিত নলছটিরি নাচনমহল ইউনযি়ন পরষিদরে চয়োরম্যান র্প্রাথী মাসুম বল্লিাহ শক্ত অবস্থানে মাঠ।ে বিরামপুরে পাকা রাস্তার কাজের অনিয়ম দেখার দ্বায়িত্বে কে! দুমকিতে দেশী-বিদেশী মদসহ যুবক আটক সাবেক সেনা সদস্যের বাড়ি থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার বেরোবিতে দুর্নীতির খবর ঢাকতে উপেক্ষিত তথ্য অধিকার আইন

সাপাহারে মিথ্যা মামলা দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের হয়রানী!

 

সাপাহার(নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর সাপাহারে মুক্তিযোদ্ধা
সন্তানদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ
উঠেছে। উপজেলার লালচান্দা গ্রামের প্রায়ত বীর মুক্তিযোদ্ধা
আব্দুল মজিদ মন্ডলের দুই ছেলে শরিফুল ইসলাম ও মিনারুল ইসলামকে
জড়িয়ে আদালতে ওই মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়।
স্থানীয় লোকজন জানান, উপজেলার লালচাঁন্দা গ্রামের ইয়াসিন
আলীর কন্যা শেফালীর সাথে একই গ্রামের আব্দুল ওয়াহেদ আলীর
ছেলে সোহাগ বাবুর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই অন্ধ
প্রেমের টানে সোহাগ বাবু ও শেফালী গত ১৮ ফেব্রæয়ারী ২০২০
তারিখে বাড়ী থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে তারা ফিরে
আসলে দুই পরিবারের সম্মতিক্রমে সামাজিক ভাবে তাদের বিয়ে
দেয়া হয়। বিয়ের পরে ছেলের বাড়ীতে দুইজন মিলে স্বামী স্ত্রী
হিসেবে ঘর সংসার করতে থাকে। ইতো মধ্যে পার হয়ে যায় দীর্ঘ ৯
মাস। পরবর্তী সময়ে সংসারিক জীবনে সৃষ্ট পারিবারিক কলহের
জের ধরে শেফালীকে তার মা-বাবা সোহাগের বাড়ীতে থেকে নিয়ে
গিয়ে নিজ বাড়িতে আটক করে রাখে । ঘটনা অন্য খাতে প্রবাহের
জন্য তার মেয়ে শেফালীকে পাওয়া যাচ্ছেনা মর্মে মা বাবা গুজব
ছড়িয়ে দেয়। পরে স্থানীয় গন্য মান্য ব্যক্তি বর্গের সমন্বয়ে গত ১০
অক্টোবর লালচান্দা গ্রামে শরিফুল ইসলামের বাড়িতে উভয় পক্ষের
লোকজনের মধ্যে একটি বৈঠক বসে।
বৈঠকে শেফালীর বাবা ইয়াসিন আলী তার মেয়ের নামে ৫ কাঠা
জমি লিখে দেয়ার প্রস্তাব উত্থাপন করলে সোহাগের পরিবার তা দিতে
স্বীকার করে। এক পর্যায় মেয়ে পক্ষকে জমি রেজিষ্ট্রির খরচ বহনের

শর্ত দিলে তা মেনে না নেয়ার কারনে উভয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি
হয়। বিষয়টি মিমংসা না হওয়ায় স্থানীয় একটি অসাধু মহল
পুর্ব শক্রতার জের ধরে ওই ঘটনাকে পুঁজি করে গত ১৮ অক্টোবর
মেয়ের বিয়ে অস্বীকার পূর্বক সোহাগকে ১ নং আসামী করে ওই
গ্রামের ৭ জনের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভাবে আদালতে একটি নারী
শিশু নির্যাতন (ধর্ষন) সংক্রান্ত মামলা দায়ের করে। ওই মিথ্যা মামলায়
উপজেলার লালচাঁন্দা গ্রামের প্রায়ত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল
মজিদের দুই ছেলে শরিফুল ইসলাম ও মিনারুল ইসলাম (ইউনিয়ন
ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা) সহ মোট ৭ জনকে আসামী করে
মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া ওই মামলায় উদ্যেশ্য প্রণোদিত
ভাবে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা স্বপ্না বেগম তার
স্বামী রাশেদ ও গ্রামের সম্ভাব্য মেম্বার প্রার্থী আকবর আলী কে
জড়ানো হয়। প্রকৃত ঘটনা কে আড়াল করে প্রতিহিংসা মুলক
ভাবে ওই গ্রামের সাধারণ নিরিহ লোকজনকে মিথ্যা মামলা দিয়ে
হয়রানী করে স্থানীয় একটি মহল গ্রাম্য রাজনীতি সফলের হীন ষড়
যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলেও এলাকার সচেতন মহল মনে করছেন। এবিষয়ে
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান মিনারুল ইসলাম বলেন, “আমি ওই গ্রামে
বসবাস করিনা চাকুরির সুবাদে দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে জেলার
ধামইরহাট উপজেলা ক্যাম্পাসে সরকারী বাস ভবনে বসবাস করছি।
তবে ঘটনা শুনেছি উভয় পরিবারের সম্মতিক্রমে তাদের সামাজিক
ভাবে বিয়ে দেয়া হয়েছে। অযথা তারা আমাকে সহ গ্রামের সহজ
সরল মানুষ গুলোর বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা দিয়ে হয়রানী করছে।
আমি এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত দাবী করছি। শেফালীর আপন চাচা আলা
উদ্দীন জানান শেফালী ও সোহাগ কে গ্রামে ফিরিয়ে এনে
সামাজিক ভাবে বিয়ে দেয়া হয়েছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে ঘর
সংসার করেছে। অযথা মিথ্যা মামলা দিয়ে তার ভাই গ্রামের নিরিহ
লোকজন কে হয়রানী করছে। এ বিষয়ে শেফালীর বাবা ইয়াসিন আলীর
সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি প্রথমে বিয়ের বিষয়টি
অস্বীকার করেন। পরে বলেন “বিয়ে করেছে কি না করেছে ছেলে-
মেয়েই ভালো জানে। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।
উল্লেখিত বিষয়ে শিরন্টী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা
আব্দুল বাকীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, “বিয়ের বিষয়টি
আমি জানি। তারা ৭/৯ মাস সংসার করেছে এটাও জানি। তাদের
সামাজিক ভাবে বিয়ে হয়েছে। পরবর্তীতে কোন এক বিষয় নিয়ে
দু’পক্ষের মাঝে গন্ডগোল হলে উভয় পক্ষ আমার কাছে মিমাংসার জন্য

আসার কথা ছিল। কিন্তু পরে আর কেউ আমার সাথে যোগাযোগ
করেনি। পরে বিজ্ঞ আদালতে সোহাগের সাথে ওই গ্রামের
মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের নাম জড়িয়ে দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে
একটি মামলা দায়ের করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37869103
Users Today : 4302
Users Yesterday : 2663
Views Today : 14067
Who's Online : 114
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone