মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ১০:০২ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ডাবের খোসায় গর্ত ভরাট‍! নিয়মিত পর্নো ভিডিও দেখতেন শিশুবক্তা রফিকুল আইপিএল নিয়ে জুয়ার আসর থেকে আটক ১৪ কারাগারে কেমন কাটছে পাপিয়ার দিনকাল এক ঘুমে কেটে গেলো ১৩ দিন! কেউ ‘কাজের মাসি’, কেউবা ‘সেক্সি ননদ-বৌদি’ ৬৪২ শিক্ষক-কর্মচারীর ২৬ কোটি টাকা ছাড় করোনায় আরো ৬৯ জনের মৃত্যু, আক্রন্ত ৬০২৮ বাংলাদেশে করোনা টানা তিনদিন রেকর্ডের পর কমল মৃত্যু, শনাক্তও কম করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপি শো-রুম থেকে প্যান্ট চুরি করে ধরা খেলেন ছাত্রলীগ নেতা করোনা নিঃশব্দ ও অদৃশ্য ঘাতক,সতর্কতাই এ থেকে মুক্তির একমাত্র পথ ——-ওসি দীপক চন্দ্র সাহা তানোরে প্রণোদনার কৃষি উপকরণ বিতরণ শিবগঞ্জে কৃষি জমিতে শিল্প পার্কের প্রস্তাবনায় এলাকাবাসীর মানববন্ধন সড়কের বেহাল দশায় চরম জনদুর্ভোগ

সৌদি আরবের অর্থের পরিমাণ কত?

সৌদি আরব কখনো তাদের মোট সম্পত্তি ও ধারদেনার পরিমাণ প্রকাশ করে না। এই বিষয়ে নিয়ে কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দ্ব রয়েছে বিনিয়োগকারীরাও। এ কারণে পুরনো অবস্থান থেকে সরে ঋণের পরিমাণ যুক্ত করে একটি একীভূত ব্যালেন্স শিট তৈরির কাজে হাত দিয়েছে সৌদি সরকার।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের সরকারি বিনিয়োগ তহবিলকে (পিআইএফ) কেন্দ্র করে অর্থনীতি সংস্কার পরিকল্পনা সাজিয়েছেন দেশটির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এর চেয়ারম্যানশিপের অধীনে পিআইএফ একটি সাধারণ সার্বভৌম সম্পদ তহবিল থেকে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীতে পরিণত হয়েছে। সংস্থাটি উবারের মতো হাইটেক কোম্পানির পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে কোটি কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে।

তবে পিআইএফের আর্থিক বিবরণী (স্টেটমেন্ট) কখনোই প্রকাশ করা হয়নি। এমনকি সৌদির বাজেটেও এর কোনো উল্লেখ নেই।

শুধু মাত্র সৌদি আরবই নয়, উপসাগরীয় কোনো দেশই তাদের মোট ঋণ ও সম্পদের পরিমাণ প্রকাশ করে না। তারপরও পিআইএফের ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ প্রোফাইলের কারণে তাদের স্বচ্ছতার বিষয়টি কিছু বিনিয়োগকারীর কাছে বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে।

জানা যায়, পিআইএফের সম্পত্তি বিপুল। ২০১৫ সালে এর পরিমাণ ছিল ১৫ হাজার কোটি ডলার। ২০২০ সালে তা ফুলেফেঁপে ৪০ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে শেয়ারের জন্য সৌদির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর সাত হাজার কোটি ডলার যোগ হয়েছে। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে গেছে চার হাজার কোটি ডলার। এছাড়া আরামকোর আইপিও থেকে আরও তিন হাজার কোটি ডলার পেয়েছে পিআইএফ।

তবে আর্থিক ঘাটতি কমাতে গিয়ে সৌদির বিনিয়োগ কমে গেছে এবং করোনাভাইরাস সংকটে গত বছর বেকারত্বের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে রেকর্ড ১৫ দশমিক ৪ শতাংশে।

অন্যদিকে সৌদির এ সার্বভৌম তহবিল ২০১৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ২ হাজার ১০০ কোটি ডলার ঋণ তুলেছে। চূড়ান্ত হওয়ার পথে রয়েছে আরও একটি ঋণ। যার আকার হতে পারে এক হাজার কোটি ডলারের বেশি।

যুবরাজ সালমানের ভাষ্যমতে, ২০২৫ সাল পর্যন্ত সৌদির অর্থনীতিতে বার্ষিক ১৫ হাজার কোটি রিয়াল বিনিয়োগ এবং নিজেদের সম্পত্তি চার লাখ কোটি রিয়ালে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে পিআইএফের।

এছাড়া ২০২০ সালের আর্থিক ঘাটতি জিডিপির ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে এ বছরের মধ্যেই ৪ দশমিক ৯ শতাংশে আনতে রিয়াদ বড় ধরনের ব্যয় কমিয়ে দিয়েছে। সূত্র: বার্তা সংস্থা রয়টার্স

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38444301
Users Today : 1256
Users Yesterday : 1256
Views Today : 16214
Who's Online : 40
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone