মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
ঢাবি মেডিকেল সেন্টার আধুনিকায়ন করে শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোর্তজার নামে নামকরণের দাবি পণ্য বিপণনে সমস্যা হলে ফোন করুন জরুরি সেবায় ধর্মীয় নেতাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় উত্তাল পাকিস্তান, গুলিতে নিহত ২ সাংবাদিকদের ‘মুভমেন্ট পাস’ লাগবে না খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপনে একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা আসছে, থাকছে জেল-জরিমানা হাতে বড় একটি ট্যাবলেট ফোন নিয়ে ডিজিটাল জুয়ার আসরে ব্যস্ত তরুণ-তরুণী রমজানের নতুন চাঁদ দেখে বিশ্বনবী যে দোয়া পড়তেন ফরিদপুরে চাের সন্দেহে গণপিটুনীতে একজন নিহত এটিএম বুথ থেকে তোলা যাবে এক লাখ টাকা যৌবন দীর্ঘস্থায়ী করে যোগ ব্যায়াম ‘শশাঙ্গাসন’ আজ চৈত্র সংক্রান্তি মসজিদে সর্বোচ্চ ২০ জন নিয়ে নামাজ পড়া যাবে অপহরণ করা হয়েছিলো ম্যারাডোনাকে দুপুরে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন বসুন্ধরা সিটি শপিংমল খোলা থাকবে মঙ্গলবার

স্কুল বন্ধ তবুও টিউশন ফি দিতে অভিভাবকদের চাপ

করোনার সময়ে টিউশন ফি আদায়ে বেসরকারি অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের চাপ প্রয়োগ করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক বলেন, দেশ একটা সংকটের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। এটা আমাদের সবারই বুঝতে হবে। এই সময়ে বেতন আদায়ে কেনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো চাপ দেবে? আমরা শুনেছি কোথাও কোথাও হুমকিও দেয়া হচ্ছে। এই অভিযোগগুলো আমরা তদন্ত করছি। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনাভাইরাস (কভিড ১৯) সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে গত ১৮ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপরও কিছু প্রতিষ্ঠান টিউশন ফি আদায় করতে বিকাশ নম্বর পাঠিয়ে নানাভাবে চাপ প্রয়োগও করছে। কখনো কখনো শিক্ষার্থীদের স্কুল থেকে বের করে দেয়ার হুমকিও দিচ্ছে।

এসব বিষয়ে রাজধানীর সাউথ পয়েন্ট স্কুলের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ পাওয়া গেছে। একজন অভিভাবক জানান, এই স্কুলের কর্তৃপক্ষ নিয়মিত মুঠোফোনে ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়ে বেতন চাইছে। এখনো পর্যন্ত সবকিছু ঠিক থাকলেও, স্কুল কর্তৃপক্ষের এমন আচরণে তিনি বিব্রত।

মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে বেতন চায় স্কুল কর্তৃপক্ষ

মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে বেতন চায় স্কুল কর্তৃপক্ষ

এটি ছাড়াও রাজধানীর প্রায় সবগুলো বেসরকারি বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে একই অভিযোগ করছেন অভিভাবকরা। লকডাউনের সময় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও বেতন আদায় করতে নিয়মিত চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে।

অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি জিয়াউল কবির দুলু বলেন, এই বিষয়ে আমি নিয়মিত কথা বলছি, এখন বোর্ডকে এই বিষয়ে কান দিতে হবে। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। নাহলে ঝামেলা হয়ে যাবে। লকডাউনের মধ্য দিয়ে অভিভাবকরা বেকার হয়ে পড়ছেন। তাদের আয় কমে গেছে। এসব বিষয়কে বিবেচনায় আনতে হবে।

তবে অভিভাবক নেতার এই কথার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জি এম নিজাম উদ্দিন বলেন, বেসরকারি স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি ছাড়া আর কোন আয়ও নেই। তাদের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বেতন দিতে হবে না? ভবন ভাড়া দিতে হবে না? বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, কর দিতে হবে না? বেতন না নিলে চলবে কিভাবে? চালাবেই বা কিভাবে? এটা আমাদের ভাবতে হবে। যাদের সামর্থ্য আছে তাদের বেতন দিয়ে এগিয়ে আসা উচিত। যাদের সামর্থ্য নেই তাদের বিষয়টা আমরা ভাববো।

ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটা পার্থক্য আছে, এটা ভুলে গেলে চলবে না। ফি আদায়ে অভিভাবকদের হেনস্তা করা যাবে না। আমরা প্রতিটি প্রতিষ্ঠান মনিটরিং করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38444093
Users Today : 1048
Users Yesterday : 1256
Views Today : 13973
Who's Online : 33
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone