শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২০, ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
ক্রসফায়ার ছিলো ওসি প্রদীপের নেশা, বদির সাথে ছিলো সখ্যতা আ.লীগের উপদেষ্টা জয়নাল হাজারীর বিরূদ্ধে জিডি ‘উস্কানিমূলক তথ্যে সোশ্যাল মিডিয়া কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা’ আর নয় বাসা থেকে অফিস বড়াইগ্রামে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ায় ১৫ পরিবহনকে জরিমানা মাহবুব আলী ৩৬তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে শাজাহানপুরে শ্রমিকদল এর উদ্যোগে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল গাবতলীতে মাহবুব আলী খান এর ৩৬তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে ছাত্রদল এর দোয়া মাহফিল মাহবুব আলী ৩৬তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে গাবতলীতে ছাত্রদল এর উদ্যোগে দোয়া মাহফিল নেত্রকোনার মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী তোরাবির আত্মহত্যা জামালপুর জেলায় ক্রমেই বাড়ছে করোনার রোগী প্রচন্ড তাপদাহের পর ৬ আগষ্ট কুষ্টিয়াতে ঝুম বৃষ্টি জনজীবনে সস্তি ফিরেছে পরিবর্তনশীল বিশ্বে দক্ষিণ এশিয়া- ড. ইমতিয়াজ আহমেদ পঞ্চগড়ে একাংশ সাংবাদিকদের আর্থিক প্রণোদনার চেক হস্তান্তরে বাকী বঞ্চিতদের ক্ষোভ। সাপাহারে মোটর সাইকেলের মুখোমুখী সংঘর্ষে চালক নিহত নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় আইনের কঠোর ব্যাবস্হা গ্রহণে প্রধানমন্ত্রী বরাবর বাদিনীর আকুতি

হবিগঞ্জে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে চামড়া

হবিগঞ্জে পানির দরে চামড়া বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতা না পেয়ে নামমাত্র মূল‌্যে চামড়া বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।

জেলা শহরের শায়েস্তানগর এলাকার নূরুল হক কবির বলেন, ‘এবার চামড়ার দাম পাওয়া যাচ্ছে না। পানির দরে চামড়া বিক্রি করতে বাধ‌্য হচ্ছেন কোরবানিদাতারা। আমি এবার ৫০ হাজার টাকা মল্যের গরু কুরবানি করেছি। সেই গরুর চামড়া বিক্রি করেছি মাত্র ৭৫ টাকায়।’
মোহনপুরের বাসিন্দা যুবলীগ নেতা শেখ রুবেল জানান, তিনি ৪৮ হাজার টাকা দামের গরুর চামড়া বিক্রি করেছেন মাত্র ৫০ টাকায়।

হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ ফখরুজ্জামান ৫১ হাজার টাকা মূল্যের গরু কোরবানি দিয়েছেন। চামড়া বিক্রির জন্য ক্রেতা পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন।

হবিগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে লাখ টাকায় গরু কোরবানি দিয়েও চামড়া বিক্রি করতে হচ্ছে দেড় থেকে ২০০ টাকায়। অনেকে কোরবানির পশুর চামড়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় দান করে দিচ্ছেন। কিন্তু এতিমখানা কর্তৃপক্ষও পানির দরেই চামড়া বিক্রি করছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এবার কোরবানির পশুর চামড়ার দাম একেবারেই কম। যারা কোরবানি দিয়েছেন, তারা যেমন চামড়ার দাম পাননি, তেমনি দাম পাচ্ছেন না মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও।

মৌসুমী ব্যবসায়ী সিরাজ মিয়া বলেন, ‘সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ২০টি চামড়া কিনেছি। লাভের আশায় চামড়া কিনে এখন বিক্রি নিয়ে চিন্তা হচ্ছে। কারণ, পাইকাররা চামড়া কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।’

চামড়া ব‌্যবসায়ী সাদীকুর রহমান জানান, পুঁজি খাটিয়ে চামড়া ক্রয় করে লাভ না করতে পারলে কী উপায় হবে? তাই বুঝে শুনে চামড়া কিনতে হচ্ছে।

একসময় চামড়া কেনার জন্য মৌসুমি ব্যবসায়ীদের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মতো। চামড়া কেনা নিয়ে হানাহানির ঘটনাও ঘটেছে। গত কয়েক বছর থেকেই চামড়ার বাজার খারাপ যাচ্ছে। তবে এবারের অবস্থা বেশি খারাপ। এবার মৌসুমি ব্যবসায়ীদের তেমন দেখা যাচ্ছে না।

চামড়ার বেশ কয়েকটি অস্থায়ী বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি পিস ছোট চামড়ার দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মাঝারি আকারের প্রতিটি চামড়া ১০০ থেকে ১৫০ টাকা এবং বড় চামড়া ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, ‘কম বা বেশি দামে নয়, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ব্যবসায়ীরা চামড়া ক্রয়-বিক্রয় করবেন।’

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone