রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৩৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি মহাসড়কে দিনে ট্রাক চলাচল বন্ধের দাবিতে-মানববন্ধন স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে চায় রিপন ঘূর্ণিঝড় আম্পান ও জোয়ারের পানিতে ১৪০ কি.মি সড়ক ক্ষতিগ্রস্থ পতœীতলায় শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ ও সহায়তা বৃদ্ধিতে করণীয় শীর্ষক আরকোর মতবিনিময় গুরুদাসপুরে ব্যাংক কর্মকর্তা স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন নোবিপ্রবিতে নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন বন্দির স্ত্রীকে নিয়ে কারারক্ষী নিরুদ্দেশ বিক্রি হওয়া সন্তান মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিলেন আইনমন্ত্রী স্বাস্থ্যের তৃতীয় শ্রেণির ড্রাইভারের ঢাকায় একাধিক বিলাসবহুল বাড়ি, গাড়ি বার কাউন্সিলের লিখিত পরীক্ষা স্থগিত অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম করোনামুক্ত বড়াইগ্রামে ছাত্রলীগ সভাপতির মৃত্যুতে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সোনাইমুড়ীতে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ আটক ১ বাগেরহাটে মোরেলগঞ্জে ৩ গ্রামের মানুষের ভরসা ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙ্গা পুল, জনভোগান্তি চরমে সাঁথিয়ায় টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের নির্মাণকাজ শেষ প্রান্তে,জানুয়ারিতে ক্লাস শুরু

হিজড়াদের কাছ থেকে এই জিনিসটি নিতে পারলে আপনিও বড়লোক হয়ে যাবেন

হিজড়াদের কাছ থেকে এই জিনিসটি নিতে পারলে আপনিও বড়লোক হয়ে যাবেন। কি সেই জিনিস ?…

 

“হিজড়া” হল সমাজের প্রায় অবাঞ্ছিত। তাদের মধ্যে নারী বা পুরুষ কোন লি’ঙ্গেরই সম্পূর্ণ বিশিষ্ট থাকেনা। তারা না নারী না পুরুষ। তাই তারা সমাজের কোন সুযোগ সুবিধা পায়না। তাদের জন্য নেই কোন শিক্ষা ব্যবস্থা, নেই উপার্জন ব্যবস্থা। তাদের জন্য সরকার ভাবেনা। তারা অসুস্থ হলে পায়না চিকিৎসা করানোর সুযোগ। তারা কখনোই স্বাভাবিক ভাবে বাঁচার সুযোগ পায়না।

মুম্বাই ভিত্তিক স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী ভারতে ৫ থেকে ৬ মিলিয়ন হিজড়া রয়েছে। ২০১৪ তে সুপ্রিম কোর্ট তৃতীয় লি’ঙ্গকে স্বীকৃতি দেয়। যারা আসলে পুরুষ নারী কোনটাই নয় তারা সমাজে স্বীকৃতি পায়। তবুও এই সমাজে তাদের আচার আচরন নিয়ে সবাই ব্যাঙ্গ করে। তাদের নিয়ে হাসাহাসি করে।

তারা সভ্য সমাজে বসবাস করার সুযোগ পায়না। লেখাপড়া থেকে শুরু করে খেলাধুলা সব কিছুতেই তারা পিছিয়ে। মেধাবী হওয়া সত্বেও তারা লেখাপড়া করার সুযোগ পায়না। অবশেষে কোন উপায় না পেয়ে ট্রেনে বাসে চাঁদা তোলে। বিভিন্ন খারাপ কাজে নিজেদের জড়িয়ে ফেলে। অথচ তাদের কিন্তু কোন দোষ নেই।

তাদের জন্মের উপর তাদের কোন হাত নেই, এমনকি তাদের বাবা মায়েরও কোন হাত নেই। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী xx প্যাটার্ন ক্রোমোজোমে কন্যা সন্তান হয় আর xy ক্রোমোজোম প্যাটার্নে হয় পুত্র সন্তান। নারীরা শুধু xx ক্রোমোজোম বহন করে আর পুরুষেরা xy।

পুরুষের ক্রোমোজোমের মধ্যে যে ক্রোমোজোম আগে ডিম্বানুকে নিষিক্ত করে সেই ভাবে তাদের সন্তান জন্ম নেয়। কখনো যদি স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে গিয়ে নারীর শরীরে নিষিক্তকরন বা বিভাজনের সময় কিছু অস্বাভাবিক প্যাটার্ন তৈরি হয়।

যেমন- xxy অথবা xyy। এই ধরনের প্যাটার্নের ফলে জন্মানো সন্তান হয় অস্বাভাবিক। কিছুটা মিশ্র গঠন হয় তাদের। তাদের মধ্যে নারী এবং পুরুষ দুই রকম বিশিষ্ট থাকে, কিন্তু কোনটাই সম্পূর্ণ থাকেনা। তাদেরকেই সমাজ হিজড়া বলে থাকে। তাদের জীবন খুব কষ্টে কাটে।

শোনা যায় তাদের যদি কোন ভাবে খুশি করা যায় তাহলে নাকি খুব ভালো। তারা একমাত্র খুশি হয় টাকা পেলে। তাদের টাকা দিয়ে খুশি করতে পারলে তারা যদি খুশি মনে আপনাকে একটি এক টাকার কয়েন দেয়, তাহলে আপনি খুব ভাগ্যবতী বা ভাগ্যবান। আর সেই কয়েন যদি আপনি নিজের কাছে একটি হলুদ কাপড় মুড়িয়ে রাখেন তাহলে কোনদিন আপনার অর্থের অভাব হবেনা।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37461479
Users Today : 10944
Users Yesterday : 5188
Views Today : 32804
Who's Online : 88
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone