বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ০১:৪৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মাদ্রাসা প্রধানদের জন্য সুখবর প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার প্রস্তুতি শুরু হাজারবার কুরআন খতমকারী আলী আর নেই তানোরে আওয়ামী লীগ মুখোমুখি উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানিয়ে পাবনা জেলা ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল দিনাজপুর বিরামপুর পৌরসভায় ১১ মাসপর বেতন পেলেন কর্মকর্তা ও কর্মচারী গণ করোনার টিকা নিলেন মির্জা ফখরুল ও তার স্ত্রী রাজনীতিতে সামনে আরও খেলা আছে ইসিকে অপদস্ত করতে সবই করছেন মাহবুব তালুকদার: সিইসি ৪ অতিরিক্ত সচিবের দফতর বদল এ সংক্রান্ত আদেশ জারি রাজারহাটে কৃষক গ্রুপের মাঝে কৃষিযন্ত্র বিতরণ জামালপুরে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পত্নীতলায় জাতীয় ভোটার দিবস পালিত পত্নীতলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত প্রফেসর মোঃ হানিফকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বরিশালের সর্বস্তরের মানুষ।

হিন্দু গৃহবধূরা বিয়ের পর সিদুর ব্যবহার!!!

উজ্জ্বল রায়■\ হিন্দু নারীরা সিদুঁর ব্যবহার করে কেন বিয়ের পর???মহারাজ শান্তুনু গঙ্গাদেবীকে বিবাহ করিবেন বলিয়া মনস্থির করিলেন। যেহেতু গঙ্গা দেবী দেবকুল এবং শান্তুনু মানবকুল,তাই তাহারা উভয়েই সংকটে পড়িলেন যে,এই বিবাহের বৈধতা থাকিবে কি না! যেহেতু ব্রক্ষ্মা সকল কুলের সৃষ্টিকারী,তাই তাহারা উভয়ে ব্রক্ষ্মার শরনাপন্ন হইলেন এবং স্ময়ং ব্রক্ষ্মাও উপস্থিত হইলেন। আমাদের প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায় জানান ব্রক্ষ্মা এ বিবাহে অস্বীকৃতি জানাইলেন।কারন কুল,ধর্ম,বর্ন,গোত্র বিপন্ন হইলে, বিবাহের পরবর্তী সময়ে সংঘাত অনিবার্য। তখন দেবকুল রানী গঙ্গা দেবী ব্রক্ষ্মা কে একটি প্রশ্ন করিলেন “যদি দেবকুলের কোন নারী দেবকুলের কোন বরপতি খুজিঁয়া না পায়,তাহাহইলে কি সে নারী সারাজীবন অবিবাহিত থাকিবেন?” তাহাহইলে তো সমাজে অনাচার এবং সংঘাত অহরহর ঘটিতে থাকিবে কারন উপযুক্ত অবিবাহিত নারী স্বর্প বিষের সমতুল্য। কারন তাহারা যে কোন সময় পরিবার,সমাজ এবং ধর্ম সকলকে আঘাত করিতে পারিবে,তাই ইহা একমাত্র বিবাহের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রন সম্ভব। তখন ব্রক্ষ্মা পড়িলেন বিপাকে!ব্রক্ষ্মা তখন মহারাজ শান্তুনু কে কহিলেন,ঠিক আছে তোমরা যদি এমন একটা কিছু করিয়া দেখাইতে পার যেখানে দেহ থাকিবে দুইটা কিন্ত মন এবং প্রান থাকিবে একটা,তাহাহইলে আমি এ বিবাহের অনুমতি দিতে পারিবো। মহারাজ শান্তুনু তখন চিন্তা করিলেন,যদি দুইজনকে এক প্রানে আনিতে হয় তাহাহইলে যদি আমার রক্ত ওর দেহে প্রবেশ করাইলে আমরা উভয়েই এক প্রানের স্তম্ভ লাভ করিতে পারিবো। মহারাজ শান্তুনু সাথে সাথে নিজের বাম হস্তের বৃদ্ধাংগুলী কাটিয়া নিজ রক্ত গঙ্গা দেবীকে খাওয়ানোর জন্য উদ্যত হইলেন।ব্রক্ষ্মা ইহাতে বাঁধা প্রদান করিলেন এবং কহিলেন, আমিই জগতের সকল কুল সৃষ্টি করিয়াছি।তোমাদের কে পৃথিবীতে এবং স্বর্গলোকে পাঠাইনো হইল শান্তি এবং ধর্ম স্থাপনের আশায়।রক্ত পান করিলে তোমাদের মধ্যে আর রাক্ষস, দৈত্য, দানব এবং অসুর কুলের মধ্যে কোন ভেদাবেদ থাকিবে না। তাই আমার মতে,তুমি গঙ্গা দেবীর শরীরে তোমার রক্ত এমন একটা জায়গায় লেপন কর, যেখানে যে কোন নারীর সর্ব্বলোকের সর্ব্ব দৃষ্টি ঐ খানে গিয়া পড়িবে। আরো মনে রাখিতে হইবে যে,তাহা কোন নারীর জীবনে মাত্র একবার রক্ত তিলক গ্রহন করিতে পারিবে এবং দ্বিতীয় বারের ইহার কোন বৈধতা থাকিতে পারিবে না। তখন মহারাজ শান্তুনু নিজের বাম হস্তের বৃদ্ধাংগুলীর রক্ত গঙ্গা দেবীর ললাটে লেপ্টাইয়া দিলেন এবং সেই থেকে হিন্দু সমাজের নারীদের ললাট রক্ত তিলকের শোভা বর্ধনে সিদুঁর ফোঁটার প্রচলন ঘটাইলো। এখানে আরো বলা বাহুল্য যে,”যেহেতু ব্রক্ষ্মা দুইজনকে এক প্রানে অধিষ্ঠিত করিয়াছিলেন এবং শান্তুনু র রক্ত প্রান গঙ্গা দেবীর শরীরে প্রবেশ করাইয়াছিলেন সেহেতু স্বামীর প্রান প্রয়ান মানেই স্ত্রীর প্রান প্রয়ান ঘটিবে বলিয়া নিশ্চিত করনে সমগ্র ব্রক্ষ্ম সমাজে #সতীদাহ প্রথার প্রচলন ঘটাইলেন। সিদুঁর স্থাপনের আরো কিছু যুক্তিকতাঃ-(১) কোন নারীর জীবনে কপালে সিদুঁর ১বারেই উঠে বলিয়া বিধবা বিবাহের ক্ষেত্রে ব্রাম্মণ গন কখনো সিদুঁর প্রদানের অনুমতি প্রদান করেন না। (২) যাহার কপালের সিদুঁরেরর ফোঁটা যত উজ্জল থাকে তাহার প্রতি পরপুরুষের কামশক্তির দৃষ্টি তত ম্লানের দিকে ধাবিত হয়। (৩),কপালে সিদুঁর নিয়ে চলাচল মানেই স্বামীর রক্ত নিজ শরীরে বয়ে বেড়ানো। (৪) সিদুঁরের রং যদি লাল না হইয়া অন্য রং সৃষ্টি হইত, তাহা হইলে কখনো ইহা কপালে স্থান পাইতো না কারন ইহা মূলত রক্ত তিলক হইতে উৎপত্তি (৫) সিদুঁর মূলত কালীমাতার ভয়ংকর রুপ। কারন অসুরদের রক্ত ঝরানোর মুহুর্তে কালী মাতার শরীরে মহাদেবের রক্ত তিলক ছিলো।অসুরেরা তাই লাল রংকে বেশী ভয় পায়।তাই ইহা অসুর প্রতিষেধক হিসাবে কাজ করে।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38345991
Users Today : 1494
Users Yesterday : 2774
Views Today : 8933
Who's Online : 35
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/