শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ০৮:০১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
বসত ভিটা হারিয়ে খোলা আকশের নিচে ছিন্নমূল পরিবার নিষেধাজ্ঞা পৌঁছানোর ৫২ মিনিট আগে বেনাপোল দিয়ে ভারতে পালান পি কে হালদার নারী চালকদের কাজের সুযোগ তৈরিতে বেটার ফিউচার ফর উইমেন-উবার চুক্তি মুশতাক হত্যার বিচার চাই, সরকার পতন নয়-মোমিন মেহেদী বিবাহিত জীবন আরও ফিট রাখতে বিশেষ যে ৭ খাবার! সন্তান নিতে কতবার স’হবাস করতে হয় জানালেন ‘ডা. কাজী ফয়েজা’ বী’র্যপাত বন্ধ রে’খে অধিক সময় যৌ’ন মি’লন ক’রার সেরা প’দ্ধতি আশ্চর্য যে ফল খেলে আপনাকে মি’লনের আগে আর উ’ত্তেজক ট্যাবলেট খেতে হবে না সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড়েছে নরমাল ডেলিভারীর সংখ্যা প্রত্যেকদিন সকালে সহবাস করলেই অবিশ্বাস্য উপকারিতা আত্রাইয়ে ইরি-বোরো ধান পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক দেখুন এই ৫ রাশির মেয়েরাই স্ত্রী হিসাবে সবচেয়ে সেরা, বিস্তারিত যে কারণে নিকটাত্মীয় ভাই-বোনদের বিয়ে ঠিক নয়, জেনে রাখা দরকার সুন্দরগঞ্জে জনবল সংকটে স্বাস্থ্য সেবা বিঘিœত ভারতে মিয়ানমারের ১৯ পুলিশের আশ্রয় প্রার্থনা

১০ লাখ টাকার মালামাল বিক্রি হয় ৮০ হাজার টাকা

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: চুরি করার জন্য একজন পিকআপ ভ্যান ভাড়া দেন। মহাজন ভ্যানের ভাড়া, তেল ও রাস্তার খরচ বাবদ টাকা দেন। চুরির পর সেই টাকা ভাগ হয়। দুই ভাগ পান মহাজন ও ভ্যানের মালিক। বাকি টাকা চোরচক্রের সদস্যরা। এই চক্রের সদস্য হতে মহাজনকে ৫-১০ হাজার টাকা করে ফি দিতে হয়। চোরেরা পিকআপ ভ্যান নিয়ে দিনের বেলা বেরিয়ে পড়েন। জেলায় জেলায় ঘোরেন। কোন দোকানে চুরি করা যায়, তা রেকি করেন। রাতে তালা কেটে চুরি করেন। এভাবে ১০-১৫ বছর ধরে গাইবান্ধার সাঘাটা, ফুলছড়িসহ দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় চুরি করত চক্রটি। চোরদের বাড়ি দেশের বিভিন্ন জেলায়। এই চক্রের ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গাইবান্ধার পুলিশ সুপার (এসপি) মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম তাঁর কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করে এসব কথা জানান। তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে চক্রের সদস্যরা বলেন ১০ লাখ টাকার মালামাল চুরি করলে সেই মালামাল তাঁরা মহাজনের কাছে ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। শুধু তা–ই নয়, ৪ জন চুরি করলেও এই টাকা ছয় ভাগ হতো। ৪ জন চার ভাগ এবং পিকআপ ভ্যানের মালিক ও মহাজন পান দুই ভাগ। এমনকি এই চক্রের সদস্য হতে মহাজনের হাতে প্রত্যেককে ৫-১০ হাজার টাকা করে ফি দিতে হয়েছে। মহাজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। গ্রেফতার হওয়া ৯ জন হলেন টাঙ্গাইলের পাইক মুড়িল গ্রামের মোঃ আব্বাস, কালিহাতীর বারজানা মালতি গ্রামের আবদুল হাই, ঘাটাইলের ষাইটশৈলা গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান ও ভুয়াপুর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের ওয়ায়েস কুরুনী, সিরাজগঞ্জের গয়লা গ্রামের সাইফুল ইসলাম, চক কোবদাসপাড়া গ্রামের আবদুল কাদের, বেলকুচির চালা সাতরাস্তা গ্রামের আমিনুল ইসলাম ও শাহজাদপুর উপজেলার বেনুটিয়া গ্রামের রবিউল ইসলাম এবং নাটোরের সিংড়ার ছোট চৌগ্রামের মোঃ জোবায়ের।পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম আরও বলেন গত ৭ জুলাই ফুলছড়িতে দোকানে চুরি হয়। এ ঘটনায় মামলা হয়। এর সূত্র ধরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মইনুল হকের নেতৃত্বে দুই মাস ধরে বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালানো হয়। প্রথমে আবদুল হাই ও মোস্তাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাকিদের বিভিন্ন জেলা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে তালা ভাঙার বড় কাটার, কয়েকটি মোবাইল সেট ও দুটি পিকআপ ভ্যান জব্দ করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38356238
Users Today : 2881
Users Yesterday : 6146
Views Today : 11225
Who's Online : 61
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/