সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ১০:৩১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
‘কানাডার বেগমপাড়ার সাহেবদের ধরার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’ ইসলামে ভাস্কর্য ও মূর্তি উভয়ই নিষিদ্ধ: মুফতি ফয়জুল করীম প্রথম হা’নিমুনে গিয়ে প্রত্যেক পুরুষই ক’রেন যে ৫টি ভু’ল! যেভাবে ৫ মিনিটেই অনলাইনে পাবেন জমির আরএস খতিয়ান সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন স্কেল, গ্রেডিং সিস্টেম ও অন্যান্য সুবিধাদির তালিকা আবর্জনার স্তূপ থেকে কুড়িয়ে পাওয়া মেয়েটি তার সবজি বিক্রেতা বাবার এত বড় প্রতিদান দিল চাচাতো বোনকে সারাজীবন কাছে রাখতে নিজ স্বামীর স’ঙ্গে বিয়ে এক কেজি শ্বেত চন্দন কাঠের দাম ১৫ হাজার টাকা, তাই চাষ করুন শ্বেত চন্দন ভাত খে’তে এসে ভা’বি’কে ধ.’ণ, এমন স’ময় উপ’স্থিত স্বামী! ২০২০ সালে বিচ্ছেদ হলো যাদের তানোরে শীতবস্ত্র বিতরণ শিবগঞ্জের ধান-চাল সংগ্রহের উদ্বোধন চুরির অভিযোগে রাজশাহী মাদারল্যান্ড হাসপাতালের ম্যানেজার গ্রেফতার কক্সবাজার কে ভিক্ষুক মুক্ত করণ কর্মসূচি শুরু  অবৈধ ভাবে ভারতে পাচার হওয়া আট নারীকে বাংলাদেশে ফেরত

৫ দফা বন্যা, সোসা ইঁদুরের উপদ্রুপ এবং অজানা রোগে দিশেহারা পলাশবাড়ী উপজেলার কৃষকেরা

বায়েজীদ (গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি) :

পলাশবাড়ীতে টানা বর্ষণ ও বন্যায় কৃষকের স্বপ্নভঙ্গ।
চলতি বছরের ৫ দফা ভয়াবহ বন্যায় পলাশবাড়ী উপজেলার একটি পৌরসভাসহ ৮ টি ইউনিয়নে কৃষি
খাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
কৃষকরা কখনও ভাবতেও পারেননি বন্যা এত দীর্ঘমেয়াদি হবে। বন্যায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন
আমন চাষিরা। মাঠ ভরা সবুজের সমাহার দেখে মাস দেড়েক পরেই গোলায় নতুন ধান তোলার স্বপ্ন
ভেঙ্গে দিয়েছে টানা বর্ষণ ও বন্যার পানি। যদিও বন্যার ধকল কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো অনেক কস্টকর।
তবুও চেস্টা অব্যাহত রেখেছেন চাষিরা।
পলাশবাড়ী উপজেলার হাজার হাজার বিঘা জমির আমনের ক্ষেতের ধান গাছ পচে গেছে।
অনেক কৃষক পড়ে যাওয়া পানির নিচে ডুবে থাকা আধাঁ ফুলা ধান গাছ কেটে এনে বাজারে গো খাদ্য
হিসেবে বিক্রি করছেন।
কোন কোন কৃষক পচে যাওয়া ধান গাছ পরিস্কার করছেন নতুন করে চাষবাস করার জন্য।
অরপদিকে ধানক্ষেতে ব্যাপকভাবে ইঁদুরের উপদ্রুপ ও অজানা রোগ এবং ব্র্যাস্ট রোগে কৃষকেরা
দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
এতে করে আমন ধানের ফলন বিপযয়ের আশংকা করছেন কৃষকেরা। কৃষকেরা বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি
ব্যবহার করে ইঁদুর দমনে আসছে না। এব্যাপারে উপজেলার কৃষকেরা কৃষি অফিসের কোন পরামর্শ বা
সহযোগিতাও পাচ্ছেন না।
এদিকে অজানা রোগে ধানের ব্যাপক ক্ষতি সাধন হওয়ায় কৃষকেরা আরো বেশি ক্ষতির সম্মুখিন
হচ্ছেন। পৌরসভার হরিণমাড়ী গ্রামের কৃষক মিঠু মিয়া দুই বিঘা ও একই গ্রামের সাজেদুরের দুই বিঘা
জমিতে অজানা রোগ দেখা দেওয়ায় ধানের গাছ জমিতেই শুকিয়ে নস্ট হয়ে যায়। যেকারণে তাদের জমির
ধান জমিতেই নস্ট হয়ে গেছে। উপজেলা কৃষি অফিস কিংবা উপ- সহকারী কৃষি কর্মকর্তার কোন
পরামর্শ তারা পাননি।
এটি পৌরসভার হরিণমাড়ী গ্রামের শফির জমি থেকে উঠানো ছবি। সমদ্রে নিম্নচাপের কারণে বৃস্টি
আর বাতাসে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে উপজেলার কৃষকের স্বপ্ন। বাতাসে অর্ধ পাকা ধান মাটিতে পড়ে
গেছে হাজার হাজার কৃষকের। এতে আরো বেশি বিপাকে পড়েছেন উপজেলার কৃষকেরা।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37876591
Users Today : 1519
Users Yesterday : 2922
Views Today : 8312
Who's Online : 30
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone