শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২০, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
মানিকগঞ্জে বাসচাপায় দম্পতি নিহত ‘ও বাবা, ও মা’ বলে কাঁদছে দুই মেয়ে মেজর সিনহা হত্যা: দুই সাক্ষী চোখেও দেখেননি, কানেও শোনেননি ভারতের কেরালায় বিমান দুর্ঘটনা, নিহত ১১, আহত অর্ধশতাধিক কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে নৌকা ডুবে মা-ছেলে মৃত চীনের সাথে দ্বিপাক্ষীক সম্পর্ক বাড়াতে হবে: অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ ছাতকে তিন সন্তানের জননীসহ প্রেমিক আটক অতঃপর গভীর রাতে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে মুক্ত !! রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় পুলিশের এএসআই নিহত বঙ্গমাতার ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজ বরখাস্ত ওসি প্রদীপকে বাড়তি খাতির, জনমনে নানা প্রশ্ন মেজর সিনহা হত্যা: টেকনাফ থানার ৭ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত লাখ টাকা চুক্তির ফুটবলার এখন ৪০০ টাকার যোগালি করোনায় আক্রান্ত সানাইকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে রেলওয়েকে জনবান্ধব করার শুরুতেই ‘ওএসডি’ করা হলো মাহবুব মিলনকে নানার বাড়ীতে বেড়াতে এসে ২ বন্ধুর মৃত্যু মাহবুব আলী ৩৬তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে গাবতলী নশিপুরে জিয়াবাড়ী জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল

৬০ হাজার বছর আগেই মানবদেহে ঢোকে করোনার জিন: গবেষণা

মানুষের আদিপুরুষ নিয়ানডারথালদের মানুষের দেহে এসেছে করোনাভাইরাসের সঙ্গে সম্পর্কিত জিন। ‘হোমিনিন’ (মনুষ্যগোত্রীয়) গোষ্ঠীর এই প্রজাতির অস্তিত্ব ছিল পৃথিবীতে ৬০ হাজার বছর আগে। এমনটাই দাবি করা হয়েছে সাম্প্রতিক একটি গবেষণায়। শুধু তাই নয়, গবেষণায় বলা হয়েছে, জিনের যে অংশটি সংক্রমণের জন্য দায়ী তা দক্ষিণ এশিয়ায় বিশেষ করে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

সেই গবেষণা করেছেন সুইডেনের দুই জিন বিশেষজ্ঞ ভ্য়ান্তে পাবো এবং হুগো জেবার্গ। তাতে যুক্ত ছিল জার্মানির ম্যাক্স প্লাঙ্ক ইনস্টিটিউট, জাপানের ওকিনাওয়া ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্য়ান্ড টেকনোলজি এবং সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটও। গবেষণায় বলা হয়, ইউরোপের (প্রায় আট শতাংশ) তুলনায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশের (প্রায় ৩০ শতাংশ) মানুষের সংক্রমিত হওয়ার হার বেশি। কারণ ওই জিনের অংশ দক্ষিণ এশিয়ার মানুষদের ক্ষেত্রে বেশি প্রভাবশালী বলে গবেষণায় দাবি করা হয়েছে।

গবেষণায় সুনির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশের কথা উঠে এসেছে। বলা হয়েছে, জিনের যে অংশটি সংক্রমণের জন্য দায়ী তা বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে বেশি দেখা যায়। বাংলাদেশের কমপক্ষে ৬৩ শতাংশ মানুষের শরীরে ক্রোমোজোম ৩-এর অংশ রয়েছে। ব্রিটেনে করোনা মহামারিতে প্রচুর বাংলাদেশি মারা গেছেন। বিজ্ঞানী পাবো মনে করেন, এত বাংলাদেশির মৃত্যুর পেছনের কারণ হয়তো এটাই। গবেষণা অনুযায়ী, ওই নির্দিষ্ট জিনটি পূর্ব এশিয়ার মাত্র চার শতাংশ বাসিন্দার বহন করেন। আফ্রিকায় সেই জিনের একেবারেই উপস্থিতি মেলেনি।

‘নেচার’ পত্রিকায় প্রকাশিত অপর একটি গবেষণাপত্র অনুযায়ী, নিয়ানডারথালের ডিএনএর দু-তিন শতাংশ নিয়ে আধুনিক এশিয়া এবং ইউরোপের মানুষের জিন গঠিত। হাজার হাজার বছর আগে আন্তঃপ্রজননের কারণে তা হয়েছে বলে গবেষণায় দাবি করা হয়েছে। আপাতত কোনো বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত না হলেও গবেষণার যে সংক্ষিপ্তসার প্রকাশিত হয়েছে, তাতে দাবি করা হয়েছে, বর্তমান মহামারির ক্ষেত্রে নিয়ানডারথালের জিনের খারাপ প্রভাব পড়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone