বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ১০:০৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
ভ্রমণ বিলাসী মন, বাইকে চড়ে রাজশাহী থেকে টাঙ্গাইল  বহুতলা ভবন থেকে পড়ে সাভারে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত‍্যু বাংলাদেশে পরিবেশ সংক্রান্ত বিচার: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, বেলা ঈদে মিলাদুন্নবী এক অবিস্মরণীয় দিন!! আন্তর্জাতিকভাবে বয়কটের মাধ্যমে ফ্রান্সের ঔদ্ধত্যের সমুচিত জবাব দেয়া হবে -শায়েখে চরমোনাই সেই স্বামী সৌভাগ্যবান যে স্ত্রীর মাঝে এই ৪টি গুণ আছে যে খাবারটি যৌ’ব’ন ধরে রাখে ও নতুন চুল গজায়, দেখে নিন কিভাবে খাবেন স্ত্রী যদি পরকিয়া করে তাহলে হাতেনাতে ধরবেন কিভাবে ! বৌ’দি’দে’র প্রতি যে কারনে ছেলেরা আকর্ষিত হয় জেনে নিন! সাঁথিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি টুটুলকে দলীয় পদ থেকে অব্যহতি প্রদান সুস্থ থাকার ১০ সূত্রঃ কনডম ব্যবহারের আগে যে ৫টি বিষয় মাথায় রাখবেন সব দলের ১২ ম্যাচ শেষে পয়েন্ট টেবিল ২০২০ সালে ব্রাজিলের ম্যাচের সময়সূচী, কখন, কোথায় মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে ‘বীর’ লিখতে হবে, আদেশ জারি

৬ মেয়ে হওয়ায় ছেড়ে গেছেন বাবা, কলেজে ভর্তি নিয়ে আশঙ্কায় দুইবোন

টাকার অভাবে নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েও ভর্তি অনিশ্চিত দুই বোন হাবিবা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তারের। হাবিবা ও সুমাইয়া সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি আব্দুল আলীপুল এলাকায় নানাবাড়িতে থাকে। বাবা আব্দুল করিম মিয়া দ্বিতীয় বিয়ে করে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। মা আসমা বেগম ১০ হাজার টাকা বেতনে আদমজী ইপিজেডের বেকা গার্মেন্টসে চাকরি করেন।

অভাবের মধ্যেও মিজমিজি পশ্চিমপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে হাবিবা জিপিএ- ৪.৫২ ও সুমাইয়া জিপিএ- ৪.৭১ পেয়ে এবার এসএসসি পাস করেছে। অনলাইনে আবেদন করে সরকারি তোলারাম কলেজে ভর্তির জন্য বিবেচিত হয়েছে তারা দুই বোন। গত রোববার থেকে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হলেও ৫ হাজার টাকার জন্য তারা দুই বোন এখন পর্যন্ত ভর্তি হতে পারেনি।

হাবিবা আক্তার জানায়, তারা ৬ বোন। ৪ বছর আগে বড় বোনের বিয়ে হয়। বাকি ৩ বোনের মধ্যে দুইজন পঞ্চম শ্রেণিতে ও আরেকজন শিশু শ্রেণিতে পড়ে। মা আছমা বেগম টানাপোড়েনের মধ্যে থেকেও সংসার চালাচ্ছেন। হাবিবা ও সুমাইয়ার মামারা গার্মন্টসে চাকরি করায় নিজেদের সংসারের খরচ বহন করতেই হিমশিম খান। সেজন্য চাইলেও তারা সহযোগিতা করতে পারেন না।

হাবিবা জানায়, ‘আমাদের কোনো ভাই নেই বলে বাবা আমার মাকে অনেক নির্যাতন করতেন। ২০১৭ সালে আমাদের মাকে ছাড়া আরেকটি বিয়ে করার পর সংসারে কোনো খরচ না দেয়ায় আমি দেড় বছর গার্মেন্টসে চাকরি করে সংসারের খরচ চালাই। এজন্য আমি স্কুলে কোনো ক্লাসও করতে পারিনি। তারপর আমার মা চাকরি পেলে আমি চাকরি ছেড়ে আবারো লেখাপড়া শুরু করি।

অপর বোন সুমাইয়া বলেন, আমরা লেখাপড়া করে ভালো একটা চাকরি করতে চাই। সমাজে আমাদের মতো যারা টাকার অভাবে লেখাপড়া থেকে বঞ্চিত তাদের জন্য ভবিষ্যতে কিছু একটা করতে চাই। যদি ভর্তি হতে পারি তাহলে কলেজে পড়ার পাশাপশি পার্টটাইম কাজ করবো। তাছাড়া আগামী জানুয়ারি থেকে টিউশনি করার চেষ্টা করবো।

মা আছমা বেগম বলেন, আমি চাই আমার মেয়েরা লেখাপড়া করুক। আমার মেয়েদের লেখাপড়ার আগ্রহ আছে।

মিজমিজি পশ্চিমপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান বলেন, সুমাইয়া ও হাবিবার লেখাপড়ার আগ্রহ আছে। অভাবে থাকা সত্যেও ওরা এসএসসিতে ভালো ফল করেছে। আমার বিশ্বাস লেখাপড়ার জন্য ওদেরকে কেউ সহায়তা করলে ওরা ভবিষ্যতে আরও ভালো করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37702637
Users Today : 6353
Users Yesterday : 4343
Views Today : 16944
Who's Online : 102
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone