Breaking News
Home / খুলনা বিভাগ / নড়াইলে ভরা মৌসুমেও সবজির দাম কমছে না সব পন্যের বাজার লাগামহীন!!

নড়াইলে ভরা মৌসুমেও সবজির দাম কমছে না সব পন্যের বাজার লাগামহীন!!

উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি■ (২১, নভেম্বর) ২৭৪: সব পন্যের বাজার লাগামহীন, ঘূর্ণিঝড় বুবুলের প্রভাব পড়ছে সবজির বাজারে, ভরা মৌসুমেও কমছে না শীতের সবজির দাম। বাজারে উঠছে শীতের সবজি। শীতের সবজিতে ভরা বাজার। দাম তুলনামূলক বেশি। বাজারভেদে দামেরও পার্থক্য রয়েছে। প্রলংকারী ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে ক্ষেতভরা ফসলের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকের ফসলের ক্ষেতে মই দিয়েছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। যে কারণে ভরা মৌসুমেও সবজির দাম কমছে না। বিক্রেতারা জানান, সবজিগুলো বাজারে নতুন ওঠানোর সময় দাম বেশিই রাখা হয়। কৃষকদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনতে হয় বলে বিক্রিও করতে হয় বেশি দামে। তবে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সবজির সরবরাহ বেড়ে গেলে দামও কমে আসবে। নড়াইল শহরের রূপগঞ্জ বড় বাজারে কাচা সবজিসহ মাছ মাংশ নিত্য প্রয়োজনিয় পন্যের দাম লাগামহীন। বাজারে প্রতিটি পন্যের দাম যে পরিমান বেড়েছে নি¤œ আয়ের লোকেদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। বাজার তদারকি না থাকায় কিছু অতি মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা সব পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। বাজারে সব ধরনের সবজি পর্যাপ্ত থাকলেও তারা নানা অজুহাতে দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তবে এ ক্রেতার সঙ্গে একমত হতে পারছেনা বাজারের সবজি বিক্রেতা বিল্লাল হোসেন। তার মতে, পাইকারি বাজারে সবজি কম থাকায় সব ধরনের সবজিতে বাড়তি দাম রয়েছে। সবজির সরবরাহ বেশি হলে দাম কমে যাবে। এসব বাজারে কাঁচামরিচ বিক্রি করতে দেখা গেছে ৬০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া কাঁচাপেঁপে, শসা বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে। এসব সবজি এক সপ্তাহ আগে ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজিতে পাওয়া গেছে। কেজিতে ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে প্রতি কেজি পটল বিক্রি করতে দেখা গেছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটি ৫০ থেকে ৭০ টাকা, কচুর লতি ৫০ থেকে ৮০ করলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, উস্তে ৯০ টাকা, শিম ৬০ থেকে ৮০ টাকা, বেগুন ৫৫ থেকে ৭৫ টাকা, ঢেঁড়শ ৫০ থেকে ৫৪ টাকা, মুলা ৫৬ থেকে ৬৫ টাকা, চিচিংগা ৫৭ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। এ দিকে মাছ বাজারে বাড়তি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে সব ধরনের মাছ। এসব বাজারে দেশী প্রজাতির মাছের দেখা মিলছেইনা যদিও পাওয়া যায় তার প্রতি কেজি মাছের দাম যেমন শৈল ৮০০ েেথকে ৯০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে। তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কেজি, পাঙ্গাশ ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি, রুই ৪৫০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি, বাইলা ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, আইড় ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা, পাবদা ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি, টেংরা কেজি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চিংড়ি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, শিং ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি, চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। বাজারে ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের প্রতিটি ইলিশের দাম ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে মাংস, চাল, ডাল, ডিম, লবণসহ বেশিরভাগ মুদি পণ্যের দাম। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে, লাল লেয়ার মুরগি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৭০ টাকা, পাকিস্তানি কক প্রতিপিচ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৭০ টাকা, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা কেজি, খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা। বেড়েছে সব ধরনের শাকের দাম। প্রতি আঁটি লাল শাক, সাদা শাক ৩০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। লাউ শাক প্রতি আঁটি ৪০ টাকা, কুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পুঁই শাক ৩০ টাকা, কচু শাক ১০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। দাম বাড়া পণ্যের প্রধান তালিকায় রয়েছে- পেঁয়াজ, আদা, রসুন, আলু। ১৫ দিনের ব্যবধানে পণ্য গুলোর দাম ২০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজ-২৫০ টাকা, আদা-৫০ টাকা রসুনে ১০০ টাকা দাম বেড়েছে। সবজি ক্রেতা কালি চরন-শুল্পনা-দিপালী রায় জানান, চাহিদার তুলনায় বাজারে সবজি অনেক কম। তাই সবজির দাম বেড়েছে তবে কয়েক দিনের মধ্যে নতুন সবজি বাজার জাত হবে ফলে দাম কমে যাবে বলে আমি মনে করছি।

Please follow and like us:
error

About jahir

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ঝিনাইদহের ফুরসুন্ধি ইউপিতে চেয়ারম্যান এ্যাডঃ আব্দুল মালেক মিনা কর্তৃক কম্বল বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ফুরসুন্ধি ইউনিয়ন পরিষদে অসহায় ও দুঃস্থদের ...