Breaking News
Home / রাজশাহীর সংবাদ / রাজশাহী আওয়ামী লীগের সম্মেলন ৮ ডিসেম্বর আলোচনায় পদ প্রত্যাশীদের আমলনামা

রাজশাহী আওয়ামী লীগের সম্মেলন ৮ ডিসেম্বর আলোচনায় পদ প্রত্যাশীদের আমলনামা

আলিফ হোসেন, তানোর
রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন আগামী ৮ ডিসেম্বর রোববার অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এদিকে সম্মেলন ঘিরে পদ প্রত্যাশী নবীন-প্রবীণ নেতাকর্মীরা সমর্থন আদায়ের জন্য তৃণমূলে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে পাশাপাশি চলছে কেন্দ্রে লবিং। এতে নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য। অন্যদিকে পদ প্রত্যাশীদের আমলনামা নিয়ে চলছে আলোচনা-পর্যালোচনা ও চুলচেরা বিশ্লেষণ। সম্মেলনে পদ প্রত্যাশীদের আমলনামা এখন আলোচিত হচ্ছে নেতাকর্মীদের মূখে। সব চাইতে বেশি আলোচিত হচ্ছে জাতীয় সংসদ, জেলা পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এসব পদ প্রত্যাশীর ভূমিকা। এসব নির্বাচনে পদ প্রত্যাশী অনেকের ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ এমনকি দলীয় প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কাজ করার অভিযোগও রয়েছে। আমলনামা আলোচনায় পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরী তার ধারে কাছেও নেই কেউ। আমলনামা বিশ্লেষণ করে নেতৃত্ব দেয়া হলে পদ প্রত্যাশীদের অধিকাংশ অবিবেচিত হবে সাংগঠনিক কোনো দায়িত্বে আশার সুযোগই থাকবে না। এমপি ফারুক কখানোই দল, নেতা ও নেতৃত্বের সঙ্গে বেঈমানী করে দলীয় প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেননি, কখানো কোনো সভা-সমাবেশে আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সমালোচনা ও মিথ্যাচার করেননি। সভাপতি পদে বিশ¯ত্ত, আদর্শিক নেতৃত্ব হিসেবে দলের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, নীতিনির্ধারক মহল ও তৃণমূলে পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন এমপি আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরী। এখানে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এখানো তার বিকল্প তেমন কোনো নেতৃত্ব গড়ে উঠেনি তাই তার কোনো বিকল্প নাই। ফলে সভাপতি পদে একমূখী লড়াই হচ্ছে এটা প্রায় নিশ্চিত, তবে সাধারণ সম্পাদক পদে চতুরমূখী লড়াই হবার সম্ভবনা রয়েছে। তৃণমূলের অভিমত, সাধারণ সম্পাদক পদে আসাদুজ্জামান আসাদ, সাবেক সাংসদ আব্দুল ওয়াদুদ দারা, বাগমারা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান জাকিরুল ইসলাম সান্টু ও সাংসদ প্রকৌশলী এনামুল হকের মধ্যে তীব্র প্রতিদন্দিতা হবার সম্ভবনা রয়েছে।

রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি এই সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী, শহীদ পরিবারের সন্তান, সিআইপি, রাজশাহী চেম্বর অব কমার্সের সাবেক সভাপতি, রাজশাহীর সর্বোচ্চ স্বচ্ছ আয়করদাতা, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও আদর্শিক নেতৃত্ব আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরী বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী। অথচ এমন কর্মী-জনবান্ধব ও আর্দশিক নেতার নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে আওয়ামী লীগের বিপদগামী টেন্ডারবাজ-চাঁদাবাজ,তদ্বিরবাজ ও দখলবাজখ্যাত একশ্রেণীর নেতার নেপথ্যে মদদে গড়ে উঠা একটি সিন্ডিকেট চক্র তার বিরুদ্ধে পাহাড়সম মিথ্যাচার নিয়ে মাঠে নেমেছেন। এমপি ফারুকের পিতা প্রয়াত শহীদ আজিজুল হক চৌধূরী, চাচা শহীদ মুকবুল হক চৌধূরী এবং মামা জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামরুজ্জামান হেনা। এছাড়াও তার অনেক নিকট আতœীয়-স্বজন দেশের জন্য জীবন উৎস্বর্গ করে শহীদ হয়েছেন। কিšত্ত চক্রটি এমপির প্রয়াত শহীদ আজিজুল হক চৌধূরীকে রাজাকার ও তার মা শয্যাসয়ী ভদ্র মহিলাকে জামায়াতের নেতা বলে মিথ্যাচার করেছে। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের ভাষ্য, একজন শহীদকে রাজাকার ও তার স্ত্রীকে জামায়াতের নেতা বলে সম্বোধন করে তারা দেশের পুরো শহীদ ও শহীদ পরিবারকে অবমাননা করেছে বলে মনে করেছেন। এমপি ফারুকের পিতা কখানো কি কারো বাড়ি-ঘর, সম্পত্তি জবরদখল, অগ্নিসংযোগ, খুন-ধর্ষণ, লুটপাট করেছে করেন নাই, মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়ার অপরাধে তাকে পাকিস্থানি সেনারা ধরে নিয়ে গিয়ে রাজশাহী পদ্মার চরে নির্মমভাবে হত্যা করেছে, তাহলে তাকে তারা কি বিবেচনায় রাজাকার বলছে পাকিস্থানিরা কি কখানো কোনো রাজকারকে হত্যা করেছে এমন ইতিহাস নাই। আবার তার মা ভদ্র মহিলা বয়সের ভারে নুজ্য ও শষ্যাসয়ী শেষ বয়সে তাকে তারা জামায়াতের নেতা বলে মিথ্যাচার করেছে। কারণ তিনি কি কখানো জামায়াতের কোনো কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন, কখানো কি জামায়াতের কোনো প্রার্থীর পক্ষে ভোট চেয়েছেন, কখানো কি জামায়াতের কোনো পদে ছিলেন এসব কিছুই না তিনি সব সময় রাজনীতির বাইরে ছিলেন এখানো আছেন। অথচ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল পদে থেকেও তারা তাকে এমন অপবাদ দিয়েছেন কিসের স্বার্থে এতে কি আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক ভাবে লাভবান হয়েছে না ক্ষতির মূখে পড়েছে। তৃণমূলের ভাষ্য যারা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ, আদর্শ ও নীতিনৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে আদর্শিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে এমন মিথ্যাচার করে নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ ও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে পারে তারা তাদের স্বার্থের জন্য যেকোনো সময় যেকোনো কাজ করতে পারে তাই এদের বিরুদ্ধে অবশ্যই সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ। মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এসব মিথ্যাচারের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে এবং সেটি দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের তৃণমূলের অভিমত, রাজনীতিতে এমপি ফারুকের সঙ্গে নেতৃত্বের প্রতিযোগীতায় না পেরে তার বিরুদ্ধে একাধিকবার দলের হাই কমান্ডের কাছে অভিযোগ করেও তা প্রমাণে বার বার ব্যর্থ হয়েছে। অথচ এমপি ফারুককে আওয়ামী লীগের চেতনাবিরোধী ও অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয়-পশ্রয়দাতা অ্যাঙ্খা দিয়ে আদর্শিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ফের দলের হাইকমান্ডের কাছে অভিযোগ করেছে তাকে যেনো পুনরায় দলের সভাপতির দায়িত্ব দেয়া না হয়। ইতিপূর্বে এমপি ফারুক চৌধূরী ব্যতিত বিকল্প নেতৃত্ব দিয়ে বিজয়ী হওয়া সম্ভব নয় এটা নিশ্চিত হয়েও কোনো সুনিদ্রিস্ট তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও এরা দাবি করেছিল ফারুক চৌধূরীকে যেনো দলীয় মনোনয়ন দেয়া না হয়। কিšত্ত এটা শিশুকালের পুতুল খেলার আবদারের মতো নয় কি ? এটা আমার চাইই চাই। রাজশাহী বিভাগীয় শহর ও জামায়াত-বিএনপির দূর্গ হিসেবে পরিচিত ফলে এখানে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব থেকে এমপি ফারুক চৌধূরীকে সরিয়ে দিয়ে তার শূণ্যতা পুরুণের মতো রাজনৈতিক দূরদর্শীতা, আর্থিক স্বচ্ছলতা, পারিবারিক ঐতিহ্য, সামাজিক পরিচিতি, সাহসিকতা, কর্মী-বাহিনী ইত্যাদি তার বিরুদ্ধে অভিযোগকারীদের কারো মধ্যে রয়েছে কি ? নাই তাহলে কেনো তার বিরুদ্ধে তাদের এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ। এমপি ফারুক চৌধূরী স্থানীয় কোনো নির্বাচন বা দলীয় কর্মসূচিতে কখানো কি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়ে চেতনাবিরোধী কোনো কাজ করেছে, কখানো দলের বিরুদ্ধে কি অবস্থান নিয়েছে, কখানো কি আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল কোনো নেতার বিরুদ্ধে বিষোদাগার করেছেন করেন নাই এই প্রমাণ কেউ দিতে পারবে না তাহলে তিনি চেতনাবিরোধী হলেন কি বিবেচনায়। অথচ যারা জাতীয় সংসদ, রাজশাহী জেলা পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের আদর্শ নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীদের পক্ষে এমনকি নৌকার বিজয় ঠেকাতে অন্যদলের পক্ষে কাজ করেছে তাহলে তারাই কি আওয়ামী লীগের চেতনাবান্ধব ? ইত্যাদি হাজারো প্রশ্ন তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মনে জন্ম নিয়েছে। আর তিনি আওয়ামী লীগের চেতনাবান্ধব না চেতনাবিরোধী সেটা তার আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নেয়ার আগের ও পরের অবস্থান বিশ্লেষণ করলেই স্পট হবে সকলের কাছে। আবার দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর জেলা আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাহলে এতাদিন পর তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করা হচ্ছে কেনো এতাদিন তারা কি ঘুমিয়ে ছিলেন। তৃণমূলের অভিমত, আসলে তিনি আবারো জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পেলে অনেক টেন্ডারবাজ-চাঁদাবাজ-দখলবাজখ্যাত রাজনৈতিক বেঈমানদের রাজনীতির সূর্য্য অস্তমিত হবে এমন আশঙ্কা থেকেই তাকে নেতৃত্ব থেকে সরাতে তাদের এসব পরিকল্পনা।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানায়, জামায়াত-বিএনপির আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতায় আওয়ামী লীগের কিছু বিপদগামী নেতার সমন্বয়ে গড়ে উঠা একটি সিন্ডিকেট এমপি ফারুকের বিরুদ্ধে এসব (গায়েবী) অসত্য অভিযোগ উঙ্খাপন করেছে। এদিকে জননন্দিত ও গণমানুষের নেতার বিরুদ্ধে একের পর এক এসব গায়েবী অভিযোগের খবর প্রচার পর এই জনপদের মানুষ ওই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে রীতিমত বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। এমপিবিরোধী সিন্ডিকেট চক্রের মিথ্যা প্রচারণায় তার জনপ্রিয়তা তো কমেইনি অনেকক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ আরো বেশী এমপিমূখী হওয়ায় তার জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এমপি ফারুকের বিরুদ্ধে যতো অভিযোগ উঙ্খাপন করা হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম তিনি জামায়াত-বিএনপি ও অনুপ্রবেশ কারীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দাতা এটা ডাহা মিথ্যা। কারণ এমপি ফরুকের নেতৃত্বেই রাজশাহী জামায়াত-বিএনপির আঁতুড়ঘর ভেঙ্গে আওয়ামী লীগের বসতঘরে পরিণত করা হয়েছে। দেশ স্বাধীনের পর তার রাজনৈতিক দূরদশী সম্পন্ন নতৃত্বে এবারই প্রথম তানোরের ৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় আওয়ামী লীগ এবং বির্তকিত নির্বাচনে ১টি পৌরসভায় বিএনপি বিজয়ী হয়েছে, গোদাগাড়ী উপজেলাতেও প্রায় একই অবস্থা। তাছাড়া এমপি ফারুক চৌধূরী আওয়ামী লীগে আশার আগের ও পরের অবস্থান পর্যালোচনা করলেই বেরিয়ে আসবে তিনি আদর্শিক আওয়ামী লীগ না জামায়াত-বিএনপির প্রশ্রয়দাতা এটার জন্য রাজনীতি বিশেষজ্ঞ হবার প্রয়োজন নাই। আবার রাজশাহী-১ ভিআইপি এই সংসদীয় জামায়াত-বিএনপির দূর্গ হিসেবে পরিচিত এখানে ছিল বিএনপির প্রভাবশালী নেতা সাবেক ডাকমন্ত্রী প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক,জেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক প্রয়াত শীষ মোহাম্মদ ও তানোর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান প্রয়াত এমরান আলী মোল্লা সাধারণ ভোটারদের কাছে এটা বিএনপির প্রায় স্থায়ী আসন বলে পরিচিত। কারণ এসব নেতাদের নেতৃত্বকে পরাজিত করে আওয়ামী লীগের বিজয়ী হওয়া এটা আওয়ামী লীগই কখানো কল্পনা করতে পারেননি। অথচ এমপি ফারুক তার রাজনৈতিক দূরদর্শীতায় সেই অসাধ্যকে সাধন করে আওয়ামী লীগকে আসনটি উপহার দিয়েছেন। কিšত্ত তিনি কিভাবে অসাধ্যকে সাধন করতে পারলেন সেটা আগে বিশ্লেষণ করা দরকার। এমপি ফারুক জানতেন এখানে জামায়াত-বিএনপিকে পরাজিত করতে হলে প্রথমেই তাদের ভোট ব্যাংক ও ঘর ভাঙ্গতে হবে অর্থাৎ তাদের কর্মী-জনবান্ধব কিছু নেতাকে আওয়ামী লীগের ছায়াতলে আনতে হবে। আর সেই বিবেচনায় তিনি বিএনপির প্রভাবশালী নেতা ও ভোট ব্যাংক আব্দুল মজিদ মাস্টারকে আওয়ামী লীগে যোগদান করান। কারণ মজিদ মাস্টারের একটি বিশাল ভোট ব্যাংক রয়েছে, তবে তিনি আওয়ামী লীগে আশার পরে বিএনপির সেই ভোট ব্যাংক আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংকে পরিণত হয়েছে। মজিদ মাস্টার আওয়ামী লীগে আশার পরে বিএনপিতে যে রাজনৈতিক শূণ্যতার সৃষ্টি হয় সেটি তারা আর পূরুণ করতে পারেননি মজিদ মাস্টার আওয়ামী লীগ-বিএনপির ভোটের যুদ্ধে মেইন ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায় এতে আওয়ামী লীগের কাছে বিএনপির পরাজয় ঘটে। আর এমপি ফারুক এটা করেছেন আওয়ামী লীগের স্বার্থ রক্ষায় এখানে তার ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নাই। এটা গোপালগঞ্জ বা ফরিদপুর নয় যে এখানে নৌকা প্রতিক দিলেই কেউ বিজয়ী হবে তাই এমপি ফারুক আওয়ামী লীগের বিজয় নিশ্চিত করেই মজিদ মাস্টারকে আওয়ামী লীগে নিয়ে এসে বিএনপির ভোট ব্যাংক ভেঙ্গে দিতে সক্ষম হয়েছেন বলতে গেলে এমপি ফারুকের রাজনৈতিক দূরদর্শীতার কাছে বিএনপির পরাজয় ঘটেছে। অথচ এই ভিআইপি আসনটি বিএনপির কাছে থেকে ছিনিয়ে নিয়ে আওয়ামী লীগকে উপহার দেবার জন্য যেখানে এমপি ফারুককে বাহবা প্রশংসা করার কথা সেখানে উল্টো তাকে অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয়-পশ্রয়দাতা বলে তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হচ্ছে এটি করছে সেই সিন্ডিকেট চক্র বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ করা হয়েছে যেটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত। কারণ বাংলাদেশে ফারুক চৌধূরীই একমাত্র রাজনৈতিক নেতা যিনি তার পরিবার থেকে একাই রাজনীতি করেন। তার স্ত্রী-সন্তান তো দুরের কথা তার ভাই-বোনদেরই এই জনপদের মানুষ চেনেন না তারা রাজনীতিও করেন না তাহলে এমপি স্বজনপ্রীতি করলেন কিভাবে ? তাদের এসব মিথ্যা প্রচারণা এমপি ফারুকের জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র দাগ কাটতে পারেনি। কারণ সাধারণ মানুষ বুঝতে শিখেছে দীর্ঘদিন পরে এমপি ফারুকের বিরুদ্ধে একই চক্রের বার বার কেনো এসব মিথ্যা অভিযোগ। অন্য অভিযোগের মধ্য রয়েছে তিনি টাকার বিনিময়ে জামায়াত-বিএনপির নেততর্মীদের চাকরি দিয়েছেন সেটাও ভিত্তিজীন। তিনি তো সরাসরি কাউকে চাকরি দেননি, চাকরি দিয়েছেন উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন কমিটির নেতারা। তারা প্রার্থী ঠিক করে তাকে চাকরি দেয়ার জন্য এমপির কাছে সুপারিশ করেছেন আর তিনি দলের এসব নেতার সুপারিশ সমর্থন করেছেন মাত্র তাহলে এখানে এমপি ফারুকের কথা আসছে কোনো। কারণ এই দায় তো ওইসব নেতার যারা এদের চাকরির জন্য এমপির কাছে সুপারিশ ও তদ্বির করেছেন। অথচ এমপি ফারুক বিনা পয়সায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-পুলিশের এসআই থেকে শুরু করে প্রাথমিক স্কুলের দপ্তরি হিসেবে অসংখ্য মানুষকে চাকরি দিয়েছেন। এছাড়াও নির্বাচনী এলাকায় চাকরির মেলা করে বিনা পয়সায় হাজার হাজার বেকারের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন যেটা নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি মানুষ জানেন। তিনি আওয়ামী লীগের চেতনাবিরোধী এটাও ভূয়া কারণ রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে অবৈধ অর্থের মোহে আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল অনেক নেতা দল,নেতা ও নেতৃত্বের প্রতি অসম্মান দেখিয়ে প্রকাশ্যে দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন। অথচ একমাত্র এমপি ফারুক চৌধূরী আদর্শিক নেতৃত্ব তিনি দল,নেতা ও নেতৃত্বের কোনো বেঈমানী না করে শেষ পর্যন্ত দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন। এছাড়াও উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অনেক নেতা বেঈমানী করে নৌকার বিজয় ঠেকাতে কাজ করেছে তবে এমপি ফারুক ছিলেন ব্যতিক্রম তিনি কখানোই আওয়ামী লীগের সঙ্গে বেঈমানী করেননি। আবার তিনি মাদকের পৃষ্ঠপোষক যেটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত প্রগান্ডা ব্যতিত কিছু নয়। কারণ মাদক ও অসামাজিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে এমপি ফারুক চৌধূরীর অবস্থান সব সময় জিরো ট্রলারেন্স। তার কঠোর অবস্থান ছিল সব ধরণের অশ্লীলতা-বেহায়াপনা, জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে যা এখানো রয়েছে। এমপি নির্বাচিত হবার পর তিনি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে তাঁর নির্বাচনী এলাকায় লটারি জুয়া, যাত্রা-পুতুল নাচের নামে অশ্লীল নুত্যর আসর ও অপসংস্কৃতির অসুস্থ প্রতিযোগীতা বন্ধ করে দিয়েছেন। বাঙ্গালির নিজস্ব সংস্কৃতি ও সুস্থ বিনোদের জন্য এসবের পরিবর্তে তিনি প্রচলন করেছেন বিজ্ঞান মেলা, স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগীতা, বৈশাখী মেলা, বইমেলা, চাকরির মেলা, উন্নয়ন মেলা, নবান্ন ও পিঠা উৎসব ইত্যাদি। তিনি রাজাকার পুত্র এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও জঘন্যতম অপ্রপ্রচার। কারণ তার বাবা শহীদ আজিজুল হক চৌধূরী ও চাচা মুকবুল হক চৌধূরীকে পাকিস্থানি হানাদার বাহিনী ধরে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছে, তার মামা জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামরুজ্জামান হেনা। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রিডম পার্টির নেতা ছিলেন এটাও বানোয়াট। কারণ ফরুক চৌধূরী ১৯৮২ সালে লেখপড়া শেষ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে এসেছেন, আর ১৯৮৭ সালে রাজশাহীতে ফ্রিডম পার্টির আর্বিভাব ঘটেছে। তাহলে তিনি ফ্রিডম পার্টির নেতা হলেন কি ? ভাবে ? তাছাড়াও তিনি শহীদ পরিবারের সন্তান আর কোনো শহীদ পরিবারের সন্তান ফ্রিডম পার্টি করবে এমন কথা বদ্ধ পাগলের প্রলাপ বৈ কিছু নয়। তার মালিকানাধীন উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহত ও সিসি ক্যামারে দ্বারা আধূনিক নিরাপত্তা বেষ্ঠিত ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান থিম ওমর প্লাজায় মাদক ব্যবসায়ীরা ফ্ল্যাট ও দোকান কিনেছেন তাই সেখানে মাদকের কারবার হয়। এটিও ডাহা মিথ্যা কারণ সে ধুমপান নিষেধ। এছাড়াও সেটি একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান তাদের শর্ত পুরুণ ও অর্থ বিনিয়োগ করে যে কেউ ফ্ল্যাট বা দোকানের মালিক হতে পারেন। তাই কে মাদক ব্যবসাযী, কে চোরাকারবারী, কে সরকারী কর্মকর্তা ইত্যাদি দেখার বিষয় থিম ওমর প্লাজা কর্তৃপক্ষের নয়। এটি শুধুমাত্র তার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের সুনামক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত অপপ্রচার ও প্রগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে।
এসব ছাড়াও অভিযোগ তিনি দলীয় সভায় আসেন না ও সংগঠনকে সময় দেন না এটাও বানোয়াট। কারণ জেলা সভাপতি হিসেবে যদি তিনি সংগঠনকে সময় না দেন তাহলে রাজশাহীতে সংগঠন আওয়ামী লীগ এতো শক্তিশালী ও গতিশীল হয়েছে কি ভাবে। যদি তায় হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে তৃণমূল থেকে অভিযোগ আশার কথা কিšত্ত সেটা নয় ঘুরেফিরে পরিচিত মূখের কিছু ব্যক্তির এসব অভিযোগ। আবার নিয়োগ বাণিজ্য এটাও মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচার। কারণ জায়গার অভাবে একটি সরকারী পলিটেনিক ইন্সটিটিউট যখন ফিরে যাবার উপক্রম তখন তিনি তানোরের মানুষের কথা বিবেচনা করে তার ব্যক্তিগত কয়েক কোটি টাকা মূল্যর সম্পতি দান করেছেন। এছাড়াও এমপির সম্মানি ভাতার টাকা তিনি এখানো এলাকার অসহায়-দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করে আসছেন তাহলে কিসের লোভে কি লালসায় তিনি নিয়োগ বাণিজ্য করবেন তার তো কোনো অবৈধ অর্থলিপসা নাই। আবার বলা হয়েছে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রিডম পার্টি ও ছাত্রদল হয়ে আওয়ামী লীগে এসেছেন এটাও অসত্য ভিত্তিহীন, সত্যিই যদি আসেন তাহলে তিনি ফ্রিডম পার্টি বা ছাত্রদলের কোনো পদে ছিলেন সেটা বলা হোক সেটি তারা বলতে পারেননি। তিনি ১৯৮২ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেখাপড়া সম্পন্ন করে বেরিয়ে এসেছেন আর রাজশাহীতে ১৯৮৭ সালে ফ্রিডম পার্টির আর্বিভাব ঘটেছে। এছাড়াও বলা হয়েছে জেলা কমিটির অনুমোদন ছাড়াই তিনি গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বদিউজ্জামানকে বহিস্কার ও তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানীকে সাংগঠনিক সভায় আসতে বাধা দেন এটাও অসত্য। কারণ তিনি একক ক্ষমতা বলে যদি কাউকে বহিস্কার করতে পারতেন তাহলে তার বিরোধী মতের সব নেতাকেই তিনি বহিস্কার করতেন, আবার তিনি উপজেলা সভাপতি গোলাম রাব্বানীকে সাংগঠনিক সভায় আসতে বাধা দেন সেটাও অসত্য এমন কথা কেউ বলতে পারবে না তা ছাড়া উপজেলা সভাপতি হিসেবে তিনি তো বিভিন্ন এলাকায় ইসলামী জালসা, খেলা-ধূলা-হরিবাসর ইত্যাদি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতির পরিচয় দেন কেউ তো তাকে বাধা দেয় না।
এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, এমপি আলহাজ্ব ফারুক চৌধূরীর বিরুদ্ধে তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই যত অভিযোগ উঙ্খাপন হয়েছে সবগুলো ওই একই সিন্ডিকেট চক্রের। আর এর মধ্যে দিয়ে এটাই প্রমাণ হয়েছে আসলে এমপি ফারুকের পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজক্ষুন্ন আদশিক নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ ও সমাজে তাকে হেয়ওপ্রতিপন্ন করতেই তার বিরুদ্ধে এসব গায়েবী অভিযোগ। ফলে এই জনপদের মানুষ বঙ্গবন্ধু কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, যারা তার মনোনিত নেতৃত্বের বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা-বানোয়াট, প্রচার ও প্রগান্ডা ছড়িয়ে দল, নেতা ও নেতৃত্বের অবমাননা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী করেছেন। এছাড়াও যারা এমপি ফারুকের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ উঙ্খাপন করেছেন বরং তাদের অনেকের বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজী, খাস জমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ, হাট-ঘাট-মাদক স্পট ও বালুমহাল, দলীয় কর্মসূচির নামে চাঁদাবাজির কথা সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচার বা আলোচনা রয়েছে বলে একাথিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। রাজশাহী-১ আসনের নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। #
তানোর প্রতিনিধি

Please follow and like us:
error

About jahir

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

তানোরকে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে

আলিফ হোসেন, তানোর রাজশাহীর তানোরে মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে তানোর পৌর সদর ও ...