Breaking News
Home / Uncategorized / এই মৌসুমে কম দামে শীতের ভালো কাপড়ের খোঁজ

এই মৌসুমে কম দামে শীতের ভালো কাপড়ের খোঁজ

শীত চলে এলো। রাজধানীর মার্কেটগুলোও ভরে গেছে গরম কাপড়ে। এই মৌসুমে কী কিনবেন, তা নিশ্চয়ই ভেবে রেখেছেন। কিন্তু কোথায় গেলে কম দামে ভালো পণ্য পাবেন হয়তো সেটা জানা নেই। তাই জেনে নিন এবারের শীতে কাপড়ের বাজারের হালচাল।

চামড়া ও কৃত্রিম চামড়ার জ্যাকেট

ট্যানারি এলাকার আশপাশ থেকে চামড়া কিনে সেখানেই কিংবা পছন্দের টেইলার্স দোকানেও বানাতে পারেন জ্যাকেট। চামড়ার পরিমাণ এবং কেমন ডিজাইনে বানাবেন তার উপর নির্ভর করবে খরচ। তবে বেশিরভাগ মানুষই রেডিমেইড কিনে নেন। এরজন্য নিরাপদ পছন্দ হবে ব্র্যান্ডের চামড়ার জুতার দোকানগুলো। খরচ পড়বে ৮ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা।

তবে কৃত্রিম চামড়ার জ্যাকেট পাওয়া যাচ্ছে অহরহ এবং কম দামে। এজন্য সবচেয়ে উপযুক্ত জায়গা হবে বসুন্ধরা সিটি, এলিফ্যান্ট রোড ও নিউ মার্কেট। ১ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যেই মোটামুটি ভালোমানের কৃত্রিম চামড়ার জ্যাকেট পাওয়া যাচ্ছে। ব্র্যান্ডের দোকানগুলো দাম আরেকটু বেশি পড়বে।

স্যুট ও ব্লেজার

ক্যাজুয়াল কিংবা ফরমাল, কোট কিংবা ব্লেজার যাই চান না কেনো- মনের মতো একটি রেডিমেইড স্যুটের জন্য এলিফ্যান্ট রোডই যথেষ্ট। ব্র্যান্ডের দোকান, স্যুট বানানোর দোকান, গুলিস্তানের হকার্স মার্কেট সবখানেই স্যুটের ছড়াছড়ি। দাম ১ হাজার থেকে ৫ হাজার পর্যন্ত যেতে পারে। বানাতে চাইলে নুন্যতম খরচ ১০ হাজার টাকা।

প্যারাসুট কাপড়

শীত মানেই ঠাণ্ডা বাতাস। অনেকে এই বাতাস থেকে বাঁচতে প্যারাসুট কাপড়ের পাতলা জ্যাকেট কেনে। এগুলো শীত থেকে বাঁচায় না, শুধু বাতাস গায়ে লাগতে দেয় না। একই কাপড়ের আস্তরের ভেতরে এক প্রস্থ উলের কাপড় জুড়ে দিয়ে বানানো জ্যাকেটগুলো বাতাস থেকেও বাঁচায়, শরীরও গরম থাকে। এই জ্যাকেটগুলোর মধ্যে মোটা পাতলা বিভিন্ন ধরন থাকে।  মানভেদে এগুলোর দাম পড়বে ৩শ’ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে। রাজধানীর নিউমার্কেট ও বঙ্গবাজারে এই জ্যাকেটগুলো সবচাইতে বেশি পরিমাণে চোখে পড়বে। তবে সব মার্কেটেই এদের অস্তিত্ব বিদ্যমান।

চাদর

অনেকে চাদর মুড়িয়ে পুরো শীত কাটিয়ে দিতে চান। তারা কোনো কিছু না ভেবেই চলে যান আজিজ সুপার মার্কেটে। চাদর কেনার জন্য এটিই আদর্শ স্থান। ৫শ’ থেকে দুই হাজার টাকার মধ্যেই নজরকাড়া চাদর কেনা যাবে। দেশীয় ব্র্যান্ডের ফ্যাশন হাউজ থেকেও এই দামেই চাদর কেনা যাবে। এক্ষেত্রে আড়ং, দেশীদশ ও মিরপুরের বুটিক হাউজগুলো ঘুরে দেখা যেতে পারে।

জিন্সের জ্যাকেট

এক যুগ আগের ফ্যাশন, তবে এখনো চাহিদা রয়েছে। কারণ ভালোমানের একটি জিন্সের জ্যাকেট কনকনে শীতকেও হার মানাতে যথেষ্ট। ঢাকা কলেজের বিপরীত পাশের নূরজাহান মার্কেটে জিন্সের জ্যাকেটের সবচাইতে বেশি ধরন পাওয়া যাবে। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য এক্সপোর্টের পোশাক বিক্রয়কেন্দ্র। এই দোকানগুলো তুলনামূলক কম দামে ভালোমানের জিন্সের জ্যাকেট পাওয়া যাচ্ছে। বেইলি রোড, মোহাম্মদপুরের রিং রোড এবং বসুন্ধরা সিটির ভেতরের দিকের দোকানগুলোতে জিন্সের জ্যাকেটের দেখা মিলবে। দাম ১ হাজার ৫শ’ থেকে ৩ হাজার হাজার টাকা।

Please follow and like us:
error

About jahir

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

পরোয়া নেই হাজার প্রতিবাদেও, সিএএ ফেরাব না, সাফ কথা শাহের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘ক্যা-ক্যা-ছি-ছি’। অমিত শাহ পাল্টা বললেন, ‘ক্যাউ-ক্যাউ-ক্যাউ-ক্যাউ’। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের ...