Breaking News
Home / Uncategorized / সপ্তাহে কতবার শারীরিক সম্পর্ক করলে আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো জানেন?

সপ্তাহে কতবার শারীরিক সম্পর্ক করলে আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো জানেন?

সপ্তাহে কতবার সহবাস করা উচিত? রোজ, একদিন অন্তর নাকি শুধুমাত্র সপ্তাহ শেষে? সম্প্রতি আমেরিকান জার্নাল অফ কার্ডিওলজি তে প্রকাশ হয়েছে একটি আর্টিকেল। সেখান থেকে জানা যাচ্ছে যে সব পুরুষেরা সপ্তাহে দুবার সেক্স করেছেন তাঁদের হার্ট যারা একবারও সহবাস করেন নি তাদের থেকে অনেকটা ভালো। তাই কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ রুখতে পুরুষদের সক্রিয় সেক্স লাইফ থাকা উচিত।

অর্গাজমের সময় অক্সিটোসিন হরমোন উদ্দীপীত হয়। এর ফলে আপনার রক্তচাপ কম থাকে। আর আমরা সবাই জানি উচ্চ রক্তচাপ হার্টের জন্য কতটা ভয়ঙ্কর । এছাড়াও স্ট্রেসের মধ্যে থাকলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভবনা অনেকটা বেড়ে যায় । আর আমরা সবাই জানি সহবাসের থেকে ভালো স্ট্রেসবাস্টার আর কিছুই হতে পারে না। এছাড়াও নিয়মিত যৌন সম্ভোগ করলে আপনার ওজনও কমবে । এছাড়াও সেক্সের পর ঘুমও ভালো হয়। ফলে আপনার হার্ট ভালো থাকবে।

আ স্টাডি ইন বায়োলজিকাল সাইকোলজি থেকে জানা গেছে যাঁরা নিয়মিত মিলিত হন তাদের ব্লাড প্রেসার কন্ট্রোলে থাকে । ফলে এই ব্যক্তিদের হৃদয় সংক্রান্ত রোগের সম্ভবনা অনেকটা কম থাকে । তাই সপ্তাহে অন্তত দু‘বার করে অবশ্যই আপনার পার্টনারের সঙ্গে মিলিত হন।

গভীর প্রেমের সম্পর্ক থেকে তৈরি হওয়া শারীরিক সম্পর্কের জেরে কারও বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনা যাবে না। সম্প্রতি একটি মামলায় এমনই তাৎপর্যপূর্ণ রায় দিয়েছে মুম্বাই হাইকোর্টের গোয়া বেঞ্চ। রায় দিতে গিয়ে আদালত বলেছে, গভীর প্রেম থেকে তৈরি হওয়া শারীরিক সম্পর্ককে ধর্ষণ বলে অভিযোগ তুললে সেটি আসলে তথ্যের বিকৃতি হয়। এই মামলায় অভিযুক্তকে নিম্ন আদালতের দেওয়া সাত বছরের জেল এবং দশ হাজার টাকা জরিমানার রায়ও বাতিল করে দিয়েছে মুম্বাই হাইকোর্ট।

নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধেই হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন যোগেশ পালেকর নামে অভিযুক্ত ব্যক্তি। জানা গেছে, যোগেশ একটি ক্যাসিনোয় শেফ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১৩ সালে ক্যাসিনোয় কর্মরত এক মহিলার সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়। ধীরে ধীরে দু’জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক দানা বাঁধে। একদিন নিজের বাড়ির সদস্যদের সঙ্গে প্রেমিকার পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য তার বাড়িতে নিয়ে যান যোগেশ। কিন্তু পরিবারের কেউ বাড়িতে না থাকায় রাতে যোগেশের বাড়িতেই থেকে যান সেই তরুণী। দু’জনের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হয়।

এর পরে সকালে সেই তরুণীকে বাড়ি পৌঁছে দেন যোগেশ। পরবর্তী সময়ে যোগেশের বাড়িতে আরও তিন থেকে চারবার দু’জনের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়। যদিও, সেই মহিলা নিম্ন বর্ণের বলে তাকে শেষমেশ বিয়ে করতে রাজি হননি যোগেশ।

এরপরেই যোগেশের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন সেই মহিলা। তিনি অভিযোগ করেন, যোগেশ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বলেই তিনি শারীরিক সম্পর্কে সম্মতি দিয়েছিলেন। আদালতে বিচার চলাকালীন এমনও জানা যায় যে, যোগেশকে আর্থিকভাবেও সাহায্য করতেন সেই মহিলা। মামলার রায় দিতে গিয়ে বিচারপতি সি ভি ভাদং তথ্যপ্রমাণের উপরে ভিত্তি করে বলেন, ‘‘শুধুমাত্র পুরুষ সঙ্গীর দেওয়া বিয়ের প্রতিশ্রুতির বিনিময়েই মহিলা শারীরিক সম্পর্কে সম্মতি দেননি, বরং দু’জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলেই রাজি হয়েছিলেন তিনি। এমনকী, এই ঘটনার পরেও দু’জনের মধ্যে সম্পর্ক ছিল। সেই ব্যক্তিকে নিত্য প্রয়োজনে আর্থিক সাহায্যও করতেন মহিলা। তিন থেকে চারবার দু’জনের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়। ফলে, এটা স্পষ্ট যে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতেই দু’জনের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হয়।

এমনকী একটা সময়ে যোগেশ মানসিক অবসাদে ভুগতে থাকায় এবং তার চিকিৎসা শুরু হওয়ায় ধর্ষণের মামলা প্রত্যাহারের জন্য হলফনামাও জমা দিয়েছিলেন সেই মহিলা। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, আবেগপূর্ণ এবং ব্যক্তিগত কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। বিচারপতি বলেন, ‘‘এর থেকেই স্পষ্ট যে অভিযুক্ত এবং অভিযোগকারিণীর মধ্যে গভীর ভালবাসা ছিল। প্রথম থেকেই যদিও ওই মহিলাকে শারীরিকভাবে শোষণ করাই অভিযুক্তের উদ্দেশ্য হতো, তাহলে নিজের দুর্বল আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে তিনি সেই মহিলাকে অবহিতই করতেন না।’’

বিচারপতি আরও বলেন, সেই মহিলার থেকে যোগেশ আর্থিক সাহায্য পেতেন। ফলে তিনি সেই মহিলার উপর জোর করতেন বা তাকে শারীরিকভাবে শোষণ করতেন, এমন দাবি মেনে নেওয়া যায় না।

Please follow and like us:
error

About jahir

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথাকাটাকাটি, দুবাইয়ে পাকিস্তানিদের হাতে বাংলাদেশি খুন

দুবাইতে কর্মরত পাকিস্তানিদের হাতে মো. রফিকুর ইসলাম রফিক (৫৬) নামে বাংলাদেশি খুন ...