Breaking News
Home / Uncategorized / গোপনে বাংলাদেশে জমে উঠেছে এসকর্ট সার্ভিস…

গোপনে বাংলাদেশে জমে উঠেছে এসকর্ট সার্ভিস…

ইন্টারনেটের কল্যাণে দেশে এখন ঘরে বসেই প্রয়োজনীয় সব কেনাকাটা সারা যাচ্ছে। ই-কমার্স নামে নতুন ব্যবসায়িক ধারণারও বিকাশ ঘটছে দ্রুত। ঠিক এই সহজলভ্যতা ও গোপনীয়তারই সুযোগ নিচ্ছে অসাধু লোকেরা। এমনই একটি ডিজিটাল ব্যবসার নাম এসকর্ট সার্ভিস।জানা গেছে, পশ্চিমা দেশগুলোর পথ ধরে বাংলাদেশ তথা ঢাকায়ও দারুণ জমে উঠেছে ডিজিটাল এই ব্যবসাটি। মূলত এটি একটি ডিজিটাল যৌন ব্যবসা। সাধারণত এসকর্ট এবং কলগার্ল দুটি একে অন্যের পরিপূরক শব্দ। পার্থক্য এসকর্টরা নির্দিষ্ট স্থান কিংবা হোটেল নির্ভর নয়। এসকর্টরা চলমান, গতিশীল, আধুনিক ও অদৃশ্য। তাদেরকে আপনি চারপাশে প্রতিনিয়ত দেখেন কিন্তু বুঝতে পারেন না। অর্থ্যাৎ কলগার্ল বা প্রসটিটিউটের আপডেট ভার্সন হচ্ছে এসকর্ট।

ওয়েলকাম টু রিলাক্স স্পা অ্যান্ড এসকর্ট এজেন্সি, উই আর ১০০ পার্সেন্ট রিয়েল। উই আর প্রভিডিং হাই ক্লাস এসকর্ট সার্ভিস ইন ঢাকা। উই হ্যাভ বিউটিফুল মডেল, একট্রেস, ম্যানি ওম্যান অব ডিফরেন্ট এ্যাজ। আওয়ার প্লেস ইন ১০০ পার্সেন্ট সিক্রেট প্লেস। এভাবেই ইন্টারনেটে চলছে এসকর্ট সার্ভিসের প্রচারণা।একটি দুটি নয়, এরকম শতাধিক ওয়েবসাইটের খোঁজ পাওয়া গেছে। এসব ওয়েবসাইটে তরুণীদের যৌনাবেদনময় ভঙ্গিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। পরিষ্কার ভাষায় এসব নারীর ছবিসহ চুল থেকে পায়ের নখের বিবরণ দেয়া আছে ওয়েবসাইটে। এমনকি ছেলে এসকর্ট চাইলেও পাওয়া যায়। মেয়েদের মতো তাদেরও আকর্ষণীয় ছবিসহ বর্ণনা রয়েছে ওয়েবসাইটে।

ওয়েবসাইটগুলো ঘেঁটে দেখা গেছে, সেখানে বিভিন্ন গ্রেডে ভাগ করা হয়েছে এসকর্ট গার্লদের। দেয়া আছে মেয়েদের ছবি ও বর্ণনা। এ গ্রেড, বি গ্রেড ও সি গ্রেড। প্রতিটি গ্রেডের মেয়েদের ছবির নিচে তাদের মূল্যও উল্লেখ করা হয়েছে। রয়েছে নিরাপত্তার বিষয়টিও।ঠিক এমনই একটি ওয়েবসাইটে দেয়া নম্বরে যোগাযোগ করা হলে আদনান নামে এক ব্যক্তি ফোন ধরেন। সেখানে কেমন এসকর্ট গার্ল আছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সেখানে সি গ্রেডের মেয়েদের মূল্য ঘণ্টায় সাত হাজার টাকা। বি গ্রেডের ১৫ হাজার ও এ গ্রেডের ২০ হাজার টাকা।

তিনি আরও জানান, সি গ্রেডে বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েরা রয়েছে। বি গ্রেডে সুন্দরী মডেল, নিউজ প্রেজেন্টার ও উপস্থাপক। এ গ্রেডে দেশের পরিচিত কিছু নায়িকা-অভিনেত্রী রয়েছে।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বছর চারেক আগে এসকর্টের বিষয়টি নগরবাসীর নজরে আসলেও বর্তমানে এর পরিচিতি ছড়িয়ে পড়েছে সবখানে। তবে এসব এসকর্ট এজেন্সির সাথে যুক্ত একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা গেছে এতে প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তাও যুক্ত রয়েছেন। যাদেরকে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে এজেন্সির মালিকরা তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, চীনে সর্বপ্রথম এসকর্ট গার্ল নামে নতুন এ পেশার বিকাশ ঘটেছে। পরে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশেও এ পেশা চালু হয়েছে। তবে বাংলাদেশে একই নামে এ ব্যবসা চললেও সেটা নেহাত দেহব্যবসাই। অবশ্য হতে পারে প্রতারণার মোক্ষম ফাঁদও।

Please follow and like us:
error

About jahir

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

উহানের ল্যাব থেকেই ছড়িয়েছিল করোনা? এবার চীনকে এক হাত নিল ইংল্যান্ড

চীন থেকেই যে করোনা ভাইরাস যে ছড়িয়েছিল সে সম্পর্কে একপ্রকার নিশ্চিত সারা ...