Breaking News
Home / ঢাকা বিভাগ / উত্তরায় প্রাইভেট হাসপাতালে করোনা রোগী ভর্তি, স্থানীয়দের বিক্ষোভ

উত্তরায় প্রাইভেট হাসপাতালে করোনা রোগী ভর্তি, স্থানীয়দের বিক্ষোভ

রাজধানী উত্তরায় একটি প্রাইভেট হাসপাতালে করানো রোগী ভর্তি ও চিকিৎসা সেবা দেয়া হবে জানতে পেয়ে স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিল করেছে। এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের বাধার মুখে পড়ে স্থানীয়রা।

এ সময় ভাঙচুর, হাতাহাতি ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের ১৭ নম্বর রোডের রিজেন্ট হাসপাতালের এ ঘটনা ঘটে।

আতঙ্কিত এলাকাবাসীদের মতে, আবাসিক এলাকায় রিজেন্ট হাসপাতালে করোনাভাইরাসের রোগীর চিকিৎসা করা হলে স্থানীয়রা ঝুঁকিতে পড়বেন।

জানা গেছে, রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টর কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ও ডিএনসিসির ৫১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নেতৃত্বে কয়েকশ মানুষ রাস্তায় অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ মিছিল বের করে। পরে বিশাল মিছিলটি উত্তরা পশ্চিম থানা ১৭ নম্বর রোডের ৩৮ নম্বর বাড়িতে অবস্থিত রিজেন্ট হাসপাতালের সামনে যায়।
এ সময় মিছিলকারীরা হাসপাতালের মূল গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা চালালে হাসপাতালের লোকজন তাদের বাধা দেন। এক পর্যায়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা, কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বাধা দিলে মিছিলকারী জনতার সঙ্গে তাদের বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে হাতাহাতি ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। এ সময় মিছিলকারীরা হাসপাতাল ভাঙচুরের চেষ্টা চালায় এবং হাসপাতালে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।

পরে খবর পেয়ে উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি তপন চন্দ্র সাহা, ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদসহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে মিছিলকারী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং কল্যাণ সমিতির নেতাদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে কয়েক দফা মৃদু সংঘর্ষ ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।

এ ঘটনার পর রোববার রাত সোয়া ৯টার দিকে ডিএমপির উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি তপন চন্দ্র সাহা, ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদসহ স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে ডিএনসিসি ৫১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ১১ নম্বর সেক্টর কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদকসহ স্থানীয় নেতারা রিজেন্ট হাসপাতালের ভেতরে ২০ থেকে ৩০ জন জরুরি বৈঠক করেন।

প্রায় আধা ঘণ্টা বৈঠক শেষে বের হয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শরীফুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা এখানে সেক্টর বাসিন্দারা করোনা ভাইরাসের রোগীর ভর্তি কিংবা চিকিৎসা সেবা নিতে দিবো না। আমরা উত্তরা বাসিরা খুব আতংকের মধ্যে আছি। এবিষয়ে নিয়ে আমরা স্থানীয় প্রশাসন বৈঠক করেছি। বিষয়টি স্থানীয় এমপি এডভোকেট সাহারা খাতুনকে অববিহত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ডিএমপির উত্তরা পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তপন চন্দ্র সাহা জানান,  করোনাভাইরাসের রোগী চিকিৎসা করার জন্য সরকারের স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে ৫টি হাসপাতাল অনুমতি নেয়া হয়েছিল, এর মধ্যে রিজেন্ট হাসপাতাল রয়েছে। আমরা তাদের কাগজপত্র দেখেছি। আমরা হাসপাতাল বন্ধ করতে পারি না। বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের ব্যাপার। তারা এ বিষয়ে সিদ্বান্ত  নেবেন।

Please follow and like us:
error

About jahir

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ঢাকা থেকে ৪৫ মিনিটে ফরিদপুর, যাত্রীরা বলছেন অবিশ্বাস্য! দেখুন বিস্তারিত।

খুলে দেয়া হল ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে মাওয়া হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত দেশের ...