Home / Uncategorized / হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মাহবুব করোনা যুদ্ধে যে পদক্ষেপ নিতে বললেন

হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মাহবুব করোনা যুদ্ধে যে পদক্ষেপ নিতে বললেন

চীনের উহান থেকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনাভাইরাস এরইমধ্যে তার ভয়ংকর রূপ দেখিয়েছে। কেড়ে নিয়েছে প্রায় হাজারো প্রাণ। তবে এই ভাইরাস যতই ভয়ংকর হোক, একে ঠেকানো যায়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জনগণকে অবশ্যই বাড়িতে থাকতে হবে। এর পাশাপাশি এমন সিস্টেম দাঁড় করাতে হবে, যাতে সংক্রমণের শিকার হওয়া ব্যক্তিকে আলাদা রাখা যায় এবং বাড়ির বাইরে থেকে যত্ন নেওয়া যায়। ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়াতে হবে। মাস্ক ও ভেন্টিলেটর উৎপাদন আরও বাড়াতে হবে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরীক্ষার সব বাধা দ্রুত দূর করতে হবে।

করোনামহামারী হওয়ায় এই মুহূর্তে কী করণীয়…..এ বিষয়ে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা: মাহবুব বেশকিছু পদক্ষেপের কথা বলেছেন।

তার প্রস্তাবগুলো হলো:

১ বিশেষজ্ঞদের নিয়ে অবিলম্বে যুদ্ধকালীন টাস্কফোর্স গঠন করুন। হোয়াইট হাউসের আদলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে রাউন্ড দ্য ক্লক এটি সচল থাকবে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় টাস্কফোর্স সকল কর্মকাণ্ড মিডিয়ার সামনে ব্যাখ্যা করবেন।

২। হাসপাতাল, জরুরি পরিষেবা, ফার্মেসী বাদ দিয়ে সবকিছু লকডাউন করতে হবে। মক্কা-মদিনার ন্যায় সব উপাসনাগৃহ পুরোপুরি বন্ধ রাখতে হবে।

৩। জরুরী পণ্য পরিবহন ব্যতীত সকল উড়োজাহাজ বন্ধ রাখতে হবে।

৪। অথর্ব স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সরিয়ে যোগ্য দক্ষ অভিজ্ঞ লোক নিয়োগ দিতে হবে।

৫। অবিলম্বে কমপক্ষে ১০,০০০ ভেন্টিলেটর আমদানীর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সারাদেশে কমপক্ষে ১০,০০০ আইসিইউ বেড তৈরীর জরুরি উদ্যোগ নিতে হবে।

৬। বেসরকারী হাসপাতালসহ সব টারসিয়ারী হাসপাতালে কোভিড কিট সরবরাহ করতে হবে।

৭। সব হাসপাতালকে কোভিড এবং নন-কোভিড এই দুই ভাগে ভাগ করতে হবে। জরুরি বিভাগে নির্দিষ্ট ট্রায়াজ সৃষ্টি করে সন্দেহজনক রোগীকে সেখানে রেখে দ্রুত গতির পরীক্ষার মাধ্যমে ( গণস্বাস্থ্য/ এ্যাবোট ) রোগ নির্ণয় করে যথাস্থানে রোগীকে পাঠাতে হবে।

৮। জরুরি বিভাগ/ট্রায়াজ/আইসিইউ প্রভৃতি জায়গায় পূর্ণ পিপিই(full set PPE) সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যান্য এরিয়ায় আংশিক পিপিই যথেষ্ট ।

৯। স্বাস্থ্যকর্মীদের ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকার বীমা নিশ্চিত করতে হবে।

১০। সকল বেসরকারী হাসপাতালের বেডসমূহ একত্রিত করে সমণ্বিত উদ্যোগে কোভিড ব্যবস্থাপনায় নিয়ে আসতে হবে। ভারতে এটা শুরু হয়েছে। পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনা করে যদি মনে হয় তখন অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরীর প্রস্তুতি নিতে হবে।

১১। চিকিৎসাকর্মীরা এই দেশের সন্তান। তাদেরকে যথাযথ সম্মান দিয়ে এই যুদ্ধে জিততে হবে ।

বিজ্ঞজনেরা আর বিশদ প্রস্তাব দিতে পারেন। এগুলো একান্তই আমার সামান্য কিছু চিন্তাভাবনা।

পূর্বপশ্চিমবিডি

About jahir

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

আপনাকে কতোটা ভালোবাসে স্ত্রী খেয়াল করুন লক্ষ্মণগুলো

সুখী দাম্পত্য কে না চায়, আপনিও নিশ্চয়ই চান যে আপনার স্ত্রীর সঙ্গে ...