বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ১২:০২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা নোয়াখালী সুবর্ণচরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু শান্তর সেঞ্চুরি, প্রথম দিনটি শুধুই বাংলাদেশের বাংলাদেশ নিয়ে আবারও আল-জাজিরার অপপ্রচার গোবিন্দগঞ্জে ভ‚মিদস্যু ও চাঁদাবাজদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধায় ব্যবসায়ি হাসান আলীর মৃত্যুর ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার। বাংলাদেশ একাউন্টিং এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি সভাপতি অধ্যাপক হারুন, সম্পাদক সাইয়েদুজ্জামান নাটোরের বাগাতিপাড়ায় সরকারিভাবে গম সংগ্রহ অভিযান শুরু মামুনুল হকের মুক্তির জন্য কঠোর বার্তা- তালামীযের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের পতœীতলায় ছিন্নমূল মানুষের সাথে এক কাতারে বসে ইফতার করলেন পুলিশ সদস্যরা দুমকিতে বায়োফ্লকে বিষ দিয়ে মাছ নিধন। দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক লাখ এম.এল স্যালাইন দিলেন মেজর অব. ডা.ওহাব মিনার বকশীগঞ্জে ইফতার নিয়ে পথচারীদের পাশে ওসি গাইবান্ধায় করোনা সংক্রমণ বাড়ছে,নতুন আক্রান্ত ৭ সুনামগঞ্জে তাহিরপুরে এক গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু লাশ উদ্ধার

আজ ফেলানী হত্যার ৯ বছর এখনও বিচার না পেয়ে হতাশ পরিবার

আনোয়ার হোসেন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : তারিখ-০৭.০১.২০ইং
বিশ্ব আলোচিত ফেলানী হত্যার ৯ বছর পূর্ণ হলো আজ। অথচ এখনও বিচার পায়নি পরিবার। এ নিয়ে হতাশা আর মানবেতর দিন যাপন করছে ফেলানীর পরিবার। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারের চৌধুরীহাট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) এর গুলিতে নিহত হয় কিশোরি ফেলানী। সে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিয়নের কলোনীটারী এলাকার নুরুল ইসলাম নুরু ও জাহানারা বেগমের মেয়ে। ফেলানির মরদেহ দীর্ঘ ৫ঘণ্টা কাটাতারে ঝুলে থাকার পর ২ দিনব্যাপী পতাকা বৈঠকের মাধমে ৮ জানুয়ারি বিএসএফ বাংলাদেশি বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। ৯ জানুয়ারি লাশ ময়না তদন্ত শেষে তার গ্রামের বাড়ির পারিবাড়িক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। ফেলানির এ খবর দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় প্রচার হলে সাড়া বিশ্বে তোলপার শুরু হয়। সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর চরম নিষ্ঠুরতা ও বর্বরতার প্রতীক হয়ে দাঁড়ায় ফেলানি। বিভিন্ন দেশের মানবাধিকারকর্মী, সংগঠন এবং বিজিবির পক্ষে থেকেও ফেলানি হত্যার বিচারের জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয়। পরে ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট কোচবিহারের সোনারী বিএসএফ ছাউনিতে অমিয় ঘোষের বিচার কার্যক্রম শুরু করে দেশটির সরকার। আদালতে স্বাক্ষী দেন প্রত্যক্ষদর্শী বাবা নুরুল ইসলাম নুরু ও মামা আব্দুল হানিফ। ভারতীয় দন্ডবিধির ৩০৪ ধারায় অনিচ্ছাকৃত ক্ষুন এবং বিএসএফ আইনের ১৪৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয় অমিয় ঘোষের বিরুদ্ধে। ৫ বিচারকের এই আদালত রায়ে বিএসএফ ১৮১ নম্বর ব্যাটালিয়নের হাবিলদার অমিয় ঘোষের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে ২০১৩ সালের ৬ আগস্ট অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেয়। ফেলানি হত্যার সঠিক বিচার না পেয়ে ২০১৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ভারতীয় হাই কমিশনারের মাধ্যমে পুনরায় বিচারের আবেদন করেন ফেলানির বাবা। পরে বিজিবি-বিএসএফের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে পুনঃ বিচারে বিএসএফ সম্মতি দিলে ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পুনর্বিচার শুরু হয়। ২০১৪ সালের ১৭ নভেম্বর ফেলানির বাবা নুরুল ইসলাম আদালতে অমিয় ঘোষকে আবারও অভিযুক্ত করে স্বাক্ষ্য প্রদান করেন এবং অমিয় ঘোষের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন। কিন্তু এই বিচারে আদালত আবারও আগের রায় বহাল রাখেন। পরে ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই ভারতের মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ (মাসুম) এবং ভারতীয় আইনজীবী অপর্ণা ভাট এর সহাতায় ফেলানি হত্যার বিচার ও ক্ষতিপূরণ চেয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন তার বাবা নুরুল ইসলাম। এরপর ২০১৮ সালের ১৮ জানুয়ারি ভারতের সুপ্রিমকোর্টে করা দুটি রিটের শুনানী অনুষ্ঠিত হয়। শুনানীর পর রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হলফনামা দাখিলের জন্য ৩ সপ্তাহের সময় দেয় আদালত। বিচারের এমন ধীরগতি আর ভারত সরকারের অবহেলায় হতাশ ফেলানীর পরিবার। তবুও এখনও সঠিক বিচারের আশায় দিন গুনছেন ফেলানির পরিবার। ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম বলেন, মেয়ে হত্যার ৯ বছর পার হলেও বিচার কোনো বিচার পেলাম না। ভারত সরকারের নিকট আমার আকুল আবেদন আমার মেয়ের ক্ষুনীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হোক। একই দাবি করেন ফেলানীর মা জাহানারা বেগম এবং তার অন্যান্য ভাইবোনসহ স্থানীয়রা। এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম জেলা জজকোর্ট পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যাভোকেট আব্রাহাম লিঙ্কন জানান, মামলার রিট এখনও ভারতের সুপ্রিমকোর্টে পেইন্ডিংয়ে রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media


বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38455465
Users Today : 17
Users Yesterday : 1534
Views Today : 30
Who's Online : 29
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone