রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
রাজধানীর দুই এলাকায় করোনার সর্বাধিক সংক্রমণ গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন শেষ হচ্ছে ১৫ এপ্রিল রামগতিতে ট্রাক্টরচাপায় শিশুর মৃত্যু সন্ধ্যা ৬টার পর ফার্মেসি-কাঁচাবাজার ছাড়া সব দোকান বন্ধ বিয়েবাড়িতে মেয়েদের নাচানাচির ছবি তোলা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩০ পাঁচ উপায়ে দূর করুন বিরক্তিকর ব্রণ ডালিমের ১০ আশ্চর্য গুণ যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছরে একশত বিলিয়ন মার্কিন ডলারের জলবায়ু তহবিল করবে বাসাভাড়া নিতে বাড়িওয়ালাকে নকল স্বামী দেখালেন প্রভা! প্রথম দিনেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ‘মহব্বত’ সংকটে করোনা রোগীরা হাসপাতালগুলোতে ঘুরেও মিলছে না শয্যা অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা ব্রিটেনের রানি ও প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার চিঠি টিকা প্রতিরোধী ভয়ঙ্কর ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল হবে বাংলাদেশ! লকডাউনে পোশাক কারখানা বন্ধ কিনা, জানা যাবে কাল

আদালতে বিচারাধীন সম্পত্তির খারিজ বাতিল !

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি
রাজশাহীর তানোরের পাঁচন্দর ইউপির চিমনা মৌজার ৫২৪ নম্বর দাগে অবস্থিত ৬২ শতক ধানী জমি নিয়ে রাজশাহী সহকারী জজ আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। অথচ অজ্ঞাত কারণে আদালতে বিচারাধীন সম্পত্তির খারিজ বাতিল করা হয়েছে। চলতি বছরের ২৮ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) (চলতি দায়িত্ব) মোছাঃ নাসরিন বানু। এদিকে আদালতে বিচারাধীন সম্পত্তির খারিজ বাতিলের খবর ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যর সৃস্টি হয়েছে, জনমনে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। আবার কেউ কেউ এটাকে আদালত অবমাননার সামিল বলে মনে করছে। এদিকে স্থানীয় একটি ভূমিদুস্যু চক্র জাল দলিল সৃষ্টি করে ওই সম্পত্তি দখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
জানা গেছে, উপজেলার পাঁচন্দর ইউপির চিমনা মৌজার ৫২৪ নম্বর দাগের ৬২ শতক সম্পত্তির মালিক মৃত মহীর শাহ্। বিগত ১৯৬২ সালে মহির শাহ্র কাছে থেকে রাজশাহী শহরের স্পেন্ডা জমিটি ক্রয় করেন যাহার দলিল নম্বর ৭০৩০/ ১৯৬২। বিগত ১৯৬৬-৬৭ সালে উক্ত সম্পত্তি স্পেন্ডা খারিজ করেন যাহার খারিজ কেস নম্বর ২৬ হোল্ডিং ১১৬। এদিকে ১৯৮৪ সালে বদি মৌলভী উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করেন যাহার দলিল নম্বর ৪৪২২। তিনি সম্পত্তি ক্রয়ের পর যথারীতি খারিজ করেন। তিনি বিগত ১৯৮৯ সালে খারিজ করেন যাহার কেস নম্বর ১৭১৫/ প্রস্তাবিত খতিয়ান নম্বও ১৫২।
অন্যদিকে ১৯৭২ সালে ভূলক্রমে জমির মূল মালিক মহির শাহ্র নামে রেকর্ড হয়ে যায়। বিষয়টি জানার পর মহির শাহ্র পুত্র রফিক ও খালেক দিগর ১৯৮৫ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে না দাবি করে দলিল সম্পাদন করে দেন। এদিকে ২০০৯ সালে ভূল রেকর্ড সংশোধনের জন্য সম্পত্তির অংশীদার আব্দুল্লাহ রাজশাহী সহকারী জজ আদালতে রেকর্ড সংশোধনের মামলা করেন যাহার মামলা নম্বর ৫৭/২০১৯ আদালতে মামলাটি এখানো বিচারাধীন। অথচ আদালতে বিচারাধীন মামলার বিষয়টি গোপণ করে চলতি বছরের ২৮ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) (চলতি দায়িত্ব) মোছাঃ নাসরিন বানু ওই সম্পত্তির খারিজ বাতিল করেন বলে জানান আব্দুল্লাহ। এবিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেস্টা করা হলেও মুঠোফোনে কল গ্রহণ করায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি)(মোছাঃ নাসরিন বানুর কোনো বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। এব্যাপারে উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির শাহীন বলেন, জমাকারী আদালতে বিচারের বিষয়টি হয়তো ইউএনও স্যারকে অবহিত করেনি, তিনি বলেন, যেহুতু একটি সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে সেহুতু এখন এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশসক মহোদয়-এর কাছে আপিল করতে হবে। #

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38441077
Users Today : 553
Users Yesterday : 1570
Views Today : 4862
Who's Online : 25
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone