রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৭:২২ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
চলমান লকডাউন আরো দুই দিন ভিভো ভি২০, ওয়াই২০ ও ওয়াই১২এস স্মার্টফোনে ডিসকাউন্ট! শিক্ষকের বাসা থেকে গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার ঝর্ণার সন্ধান পাচ্ছেন না গোয়েন্দারা কঠোর লকডাউন: বন্ধ হতে পারে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট প্রেমিকের সঙ্গে স্ত্রীর বিয়ে দিলেন স্বামী ঝুঁকিপূর্ণ দৃশ্য করতে গিয়ে মরতে বসেছিলেন সজল-নওশাবা বাংলাদেশি ভেবে ভারতীয় যুবককে গুলি করলো বিএসএফ করোনায় সাভার মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রীর মৃত্যু আইপিএলে কোহলি-ধোনিরা ভালো খেললেই হবে ডোপ পরীক্ষা লাইফ সাপোর্টে সংগীত পরিচালক ফরিদ আহমেদ বরের উচ্চতা ৪০ ইঞ্চি কনের ৪২ সাংবাদিক সুমনকে নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের ৩ দিনেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ ! রাজারাহাটে  ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশের ত্রাণ বিতরণ নেত্রকোণায় শ্লীলতাহানির ঘটনায় জড়িত তিন অটোরিকশা চালক

একদিন সন্ধ্যায় তার চেম্বারে দামী পোষাক পড়া সুন্দরী এক মহিলা এলেন

শহরে এক নামকরা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ছিলেন । একদিন সন্ধ্যায় তার চেম্বারে দামী পোষাক পড়া সুন্দরী এক মহিলা এলেন । ডাক্তার এক নজর চেয়ে সমস্যা জিজ্ঞেস করতেই মহিলা বললেন তার অনেক টাকা, অথচ তার কিছুই ভাল লাগে না । তার মনে কোন শান্তি নেই । শান্তি মত একটু ঘুমোতেও পারে না সে । এভাবে আর বেঁচে থাকতে পারছে না সে । তার মনে একটু শান্তি দরকার- যত দামী ঔষধের বিনিময়েই হোক ।

ডাক্তার মুচকি হেসে বললেন, সুখ পেতে টাকা লাগে না । চেম্বারে তখন চা নিয়ে ঢুকলো এক বয়স্ক মহিলা । সে এখানে চা বানায় আর অফিস পরিষ্কার রাখে । ডাক্তার তাকে চেয়ার বসতে বললেন আর জিজ্ঞেস করলেন সে সুখী কি না ? বয়স্ক মহিলাটি তখন বলতে শুরু করলো । ‘আমার স্বামী ছিল বিত্তবান । যৌবনে স্বামী মারা যায় ব্ল্যাড ক্যান্সারে । আমার একটা মাত্র ছেলে তখন ছোট । অনেক কষ্ট করে ছেলেটাকে মানুষ করি ।

ছেলেটা পাশ করে চাকরিতে ঢুকেছে । মনে হলো সুখ আসা শুরু হলো । হঠাৎ একদিন একটা অ্যাম্বুলেন্সে ছেলের মৃতদেহ পৌছে আমার ঘরে । অফিস থেকে ফেরার পথে ফেরার পথে রোড অ্যাক্সিডেন্টে মারা যায় সে । আমার মনে হলো বেঁচে থেকে আর লাভ কি লাভ ? আমিও মরে যাই । আমার চোখ ভেঁজা থাকত সব সময় । খেয়ে না খেয়ে পড়ে ছিলাম অনেকদিন । কারও সাথে কথাও বলতাম না । একদিন রাতে শীত পড়লো খুব । অনেকদিন পর আমি সে রাতে আমি নামাজে দাড়াই । সিজদায় পড়ে খুব কান্না করি । তারপর ঘর ছেড়ে বেড়িয়ে যাই ।

আমি যখন বাড়ি ফিরছিলাম, অন্ধকারে শীতে কাতর একটা কুকুর ছানা কান্না করে আমার পেছন পেছন আসতে থাকতো । আমার খুব মায়া হলো । বাসায় নিয়ে আমি ওকে গরম কাপড়ে জড়ালাম । ফ্রীজ থেকে খাবার বের করে গরম করে খাওয়ালাম । খেয়েদেয়ে ওটা তখন আনন্দে আমার পায়ে মুখ ঘষছিল । নিজের অজান্তে আমার মুখে তখন হাসি ফুটে উঠল । অনেক মাস পর আমি হাসলাম । আমার তখন বোধোধয় হলো সুখ আসলে কি ! আমার পাশের বাসায় একজন অসুস্হ হয়ে পড়েছিল অনেকদিন ।

আমি দেখতে যাইনি কোনদিন । পরদিন সকালেই আমি তার জন্য নাস্তা বানিয়ে তাকে দেখতে যাই । এরপর থেকে মানুষকে সুখী করে আমি সুখ পাই ।’ সব শুনে দামী পোষাক পড়া সুন্দরী মহিলা তখন খুব কাঁদছিল । তারপর সে বলল ‘সুখের সমস্ত উপকরণ তার আছে যা টাকা দিয়ে কেনা যায় । কিন্তু যা নেই তা টাকা দিয়ে কেনা যায় না । লিখাটা যখন শেষ করছি তখন সুবেহ সাদিকের নিস্তব্দতা ভেঙে ভেসে আসছে ‘আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম’ । আসলে আত্মার সুখ পরোপকারে আর ইবাদতে ।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38441571
Users Today : 1047
Users Yesterday : 1570
Views Today : 12196
Who's Online : 30
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone