শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
করোনা ইস্যু সমন্বয়ে প্রত্যেক জেলার দায়িত্বে সচিব করোনায় পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের মৃত্যু সন্দেহভাজন নাগরিকদের দেশত্যাগ নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করতে চায় দুদক প্রকাশিত সংবাদের একাংশের প্রতিবাদ জানিয়েছে মাওলানা জহিরুল ইসলাম ভিলিয়ার্স ঝড়ে চ্যাম্পিয়নদের হারালো বেঙ্গালুরু এ বছর ২০ ঘণ্টা না খেয়ে রোজা রাখবে যে দেশ প্রথম দেখাতেই এলিজাবেথের হৃদয়ে ঢুকে যান গ্রিক রাজপুত্র ফিলিপ কঙ্গোতে বাসে আগুন, ৪০ যাত্রী পুড়ে ছাই কমপ্লিট লকডাউন, যে যেখানে আছে সেখানেই থাকবে অর্পিত সম্পত্তির পাঁচ সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণ কনডম ব্যবহারের আগে যে ৫টি বিষয় মাথায় রাখবেন তাদের এটাই শেষ আইপিএল বাগেরহাটে চিতলমারীতে পোস্ট ই-সেন্টার গুলোর কার্যক্রম বাক্সবন্দী.সেবা বঞ্চিত সাধারণ মানুষ ॥ নেই তদারকি প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সুন্দরগঞ্জে জাতীয় মহিলা পার্টির সমাবেশ

খানসামায় সাদা সোনা খ্যাত রসুনের বাম্পার ফলন হলেও দাম নিয়ে শঙ্কায় চাষীরা

 

এস.এম.রকি,খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: বিগত বছরগুলোতে ভালো
ফলন ও দাম পাওয়ায় এবছর শস্য ভান্ডার খ্যাত উত্তরের জেলা দিনাজপুরের খানসামা
উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে ব্যাপক হারে দেশীয় ‘সাদা সোনা’ খ্যাত
রসুন আবাদ করেছেন চাষীরা। এবার এ অঞ্চলে রসুন আবাদের জমির পরিমাণ
বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে বাম্পার ফলনও হয়েছে। অল্পদিনের মধ্যেই এসব রসুন ঘরে
তুলতে পারবেন বলে আশাবাদী রসুন চাষীরা তবে দাম নিয়েও শঙ্কায় চাষীরা।
কেননা কয়েক মাস আগে রসুন প্রতি কেজি ৭০-৭৫ টাকা দরে বিক্রি হত
সেটার দাম কমে গিয়ে এখন ২৭-৩০ টাকা কেজি।
সেচ-সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ এবং আবহাওয়া অনুক‚লে থাকায় এবারও ভালো
ফলনের আশা করছে কৃষি বিভাগ আর রসুন চাষে কৃষককে উৎসাহিত ও
সহযোগিতা করতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন উপ-সহকারী কৃষি
কর্মকর্তারা।
উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে
প্রায় ৩৩১০ হেক্টর জমিতে রসুন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও চাষ
হয়েছে প্রায় ৩৭৫০ হেক্টর জমিতে।
শনিবার সকালে সরেজমিনে উপজেলার
জুগীরঘোপা,কায়েমপুর,কাচিনীয়া,আগ্রা ও ছাতিয়ানগড় গ্রাম ঘুরে
জানা গেছে, গত বছরের তুলনায় এবছর রসুন চাষও যেমন বেশী হয়েছে তেমন
ফলনও হয়েছে বাম্পার কিন্তু দাম নিয়ে ব্যাপক শঙ্কায় চাষীরা। শুরুতে রসুনের
ভালো দাম থাকলেও শেষ সময়ে দাম কমেছে। এতে লোকসানের শঙ্কায় আছে
লাভের আশায় থাকা রসুন চাষীরা।
রসুন চাষি মশিউর রহমান জানান, প্রতি বিঘা জমিতে রসুন চাষে শ্রমিক
ও চাষ বাবদ খরচ হয় প্রায় ২০ হাজার টাকা এবং বীজ, রাসায়নিক সার ও সেচ
বাবদ খরচ হয় আরো ২৫ হাজার টাকা। ভালো ফলন হলে বিঘা প্রতি ৬০-৬৫ মণ
রসুন পাওয়া যায়। গড়ে প্রতি মণ রসুন ৩০০০ টাকা করে দাম হয় এক লাখ ৭০
হাজার টাকা কিন্তু এখন এর বাজার মূল্য মাত্র ৭৫ হাজার টাকার মত।
উপজেলা কৃষি অফিসার বাসুদেব রায় জানান, বর্তমানে খানসামা
উপজেলায় দেশীয় ‘সাদা সোনা’ রসুন অন্যতম প্রধান অর্থকরী ফসল হয়ে
উঠেছে। লাভজনক হওয়ায় বর্তমানে এই ফসল ব্যাপক পরিসরে চাষ হচ্ছে। এখন

পর্যন্ত আবহাওয়া ভালো আছে। তাই এবারও রসুনের বাম্পার ফলন হওয়ার
সম্ভাবনা রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38440256
Users Today : 1302
Users Yesterday : 1410
Views Today : 11076
Who's Online : 33
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone