রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
রাজধানীর দুই এলাকায় করোনার সর্বাধিক সংক্রমণ গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন শেষ হচ্ছে ১৫ এপ্রিল রামগতিতে ট্রাক্টরচাপায় শিশুর মৃত্যু সন্ধ্যা ৬টার পর ফার্মেসি-কাঁচাবাজার ছাড়া সব দোকান বন্ধ বিয়েবাড়িতে মেয়েদের নাচানাচির ছবি তোলা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩০ পাঁচ উপায়ে দূর করুন বিরক্তিকর ব্রণ ডালিমের ১০ আশ্চর্য গুণ যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছরে একশত বিলিয়ন মার্কিন ডলারের জলবায়ু তহবিল করবে বাসাভাড়া নিতে বাড়িওয়ালাকে নকল স্বামী দেখালেন প্রভা! প্রথম দিনেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ‘মহব্বত’ সংকটে করোনা রোগীরা হাসপাতালগুলোতে ঘুরেও মিলছে না শয্যা অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা ব্রিটেনের রানি ও প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার চিঠি টিকা প্রতিরোধী ভয়ঙ্কর ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল হবে বাংলাদেশ! লকডাউনে পোশাক কারখানা বন্ধ কিনা, জানা যাবে কাল

গাইবান্ধায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের ঘর তৈরী করে দিচ্ছে কলেজ শিক্ষার্থীরা

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: এ বছর গাইবান্ধায় ভয়াবহ বন্যায় সব হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে সর্বহারা পরিবার গুলো। এমন অসহায় পরিবার গুলোকে বসতবাড়ি করে দিতে এগিয়ে এসেছে গাইবান্ধা সরকারি কলেজের একদল তরুণ শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থীদের আর্থিকভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে গ্রিন ভয়েস ও বাপা নামে দু’টি বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এবারের স্বরণকালের বন্যায় সহায় সম্বলহীন হতদরিদ্র মানুষদের ঘরবাড়ি তৈরি করার কাজ শুরু করেন গাইবান্ধার ফুলছড়ি ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়। এ দুই উপজেলার হতদরিদ্র পাঁচ পরিবারের মধ্যে একটি করে টিনের ঘর তৈরি করে দিবেন কলেজ শিক্ষার্থীরা। এ পর্যন্ত বন্যার্তদের মধ্যে জেলায় অন্তত ২০টি ঘর তৈরি করে দেন তারা। ঘর ছাড়াও দরিদ্র অনেকের দোকানের পণ্য কিনতে আর্থিক সহায়তাও দিচ্ছেন তারা। গাইবান্ধা ফুলছড়ি এলাকার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ফরিদুল ইসলাম বলেন সম্প্রতি বন্যায় আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে, নদীর প্রবল স্রোতে বাঁধ ভেঙে বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বাধ্য হয়ে বাঁধে আশ্রয় নিয়েছিলাম। ছেলে মেয়ে ও সংসার কিভাবে চালাবো কোথায় থাকব ভেবে পাচ্ছিলাম না। কয়েকদিন আগে গাইবান্ধা সরকারি কলেজের ১০/১২ জন শিক্ষার্থী এসে আমার নাম লিখে নিয়ে যায়। এরপর তারা সবাই মিলে এসে আমাকে টিনের ঘর তৈরি করে দেয়। বর্তমানে বাঁধ ছেড়ে তাদের দেওয়া ঘরে থাকতে পারছি এতেই আমি খুশি। জড়িনা বেগম বলেন তার স্বামী ছিল মুদি দোকানদার। বন্যায় বিদ্যুৎ¯পৃষ্টে মারা গেছেন তিনি। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে অসহায় অবস্থায় দিনাতিপাত করছে তার পরিবার। কলেজ শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে দোকানে মালামাল তুলেছেন। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ ও ফুলছড়ি উপজেলার বন্যায় বাড়িহারা মানুষ খুঁজে বের করে তালিকা করে তাদের বাড়িঘর তৈরি করে দিচ্ছেন কলেজের এই শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে গাইবান্ধা কলেজের কয়েক শিক্ষার্থী ও গ্রীন ভয়েস গাইবান্ধা শাখার সমন্বয়ক মাসউদুর রহমান বলেন আমরা মানবিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে অসহায় মানুষদের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। বিশেষ করে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ও বাড়িঘর হারা মানুষদের একটি করে টিনের ঘর তৈরি করে দিচ্ছি। এছাড়াও যাদের বাড়িঘর আছে কিন্তু একেবারে হতদরিদ্র তাদেরকেও আমরা আর্থিক সহায়তা দিচ্ছি।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38441025
Users Today : 501
Users Yesterday : 1570
Views Today : 3852
Who's Online : 29
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone