সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
‘নিজের মাথার ওপর নিজেই বোমা ফাটানো’ এটা সম্ভব? মামুনুলের মুক্তি চেয়ে খেলাফত মজলিস নেতাদের হুশিয়ারি বাংলাদেশে করোনা টানা তৃতীয় দিনের মতো শতাধিক মৃত্যুর রেকর্ড চ্যালেঞ্জের মুখে টিকা কার্যক্রম! ৩৬ লাখ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী হেফাজতের নাশকতা ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা মেয়াদহীন এনআইডি দিয়ে কাজে বাধা নেই স্ত্রী বাবার বাড়ি, মাঝরাতে পুত্রবধূকে ধর্ষণ করল শ্বশুর বিদ্যুতায়িত স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্বামীর চট্টগ্রামে ভূমিকম্প শ্রমিক হত্যার মোড় ঘোরাতে মামুনুল নাটক : মোমিন মেহেদী ওসিকে জিম্মি করে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এক হাজার টাকার চাঁদাবাজি মামলা  ! গাইবান্ধা পুলিশ কৃষি শ্রমিক পাঠালেন বগুড়ায় দিনাজপুর বিরামপুরে বিপুল সংখ্যক মাদকদ্রব্য সহ প্রাইভেটকার আটক দুমকিতে ডায়রিয়ায় শিশুসহ মৃত্যু ৪।

গাইবান্ধায় ভেটেরিনারি হাসপাতালে ১৬ বছর ধরে চিকিৎসক পদ শুন্য

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা জেলায় সাতটি উপজেলা, ৪টি পৌরসভা ও ৮২টি ইউনিয়ন রয়েছে। শহরে থেকে দুই এক কিলোমিটার পরেই গ্রামের পর গ্রাম। এ জেলায় সম্ভাবনাময় প্রাণি স¤পদের খাত থাকলেও নেই পর্যাপ্ত প্রাণির চিকিৎসা ব্যবস্থা। প্রাণির চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধায় শহরের ভিএইচ রোডে রয়েছে একটি মাত্র ভেটেরিনারি হাসপাতাল। কাগজ কলমে হাসপাতালে ৫ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও রয়েছে মাত্র ৩ জন। বাকি দুটি পদ শূন্য। এ দুটির মধ্যে চিকিৎসক পদটি শূন্য রয়েছে ১৬ বছর ধরে। ফলে জেলার প্রাণি স¤পদ রয়েছে চরম ঝুঁকিতে। সাধারণ পশু পালন কারিসহ শঙ্কায় রয়েছেন খামারিরা। চার মাস ধরে সদর উপজেলা প্রাণি স¤পদ কার্যালয়েও নেই ভেটেরিনারি সার্জন। জেলা প্রাণি স¤পদ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৭-১৮ সালের হিসাব অনুসারে গাইবান্ধায় মোট গবাদি পশুর সংখ্যা ১৭ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪১টি এবং হাঁস-মুরগির সংখ্যা ৬৮ লাখ ৮৩ হাজার ৩১২টি। এর মধ্যে গরু আট লাখ ৪৭ হাজার ৪৩৫টি, মহিষ ১৫ হাজার ৩৯৫টি, ছাগল সাত লাখ ২ হাজার ৯৫৬টি। এ জেলায় ইতোমধ্যে গড়ে উঠেছে ৮৪৮টি গরুর খামার, ৬৫৩টি ভেড়া ও ৬৩টি ছাগলের খামার। এ ছাড়া লেয়ার ৫৪৩টি, ব্রয়লার মুরগির ৭৪৮টি এবং ৪২৮টি হাঁসের খামার ও কোয়েল পাখির একটি খামার রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে নেই এসব প্রাণির চিকিৎসা ও ভ্যাকসিনেশনের জন্য কোন ভেটেরিনারি হাসপাতাল। ফলে খামারিদের পড়তে হচ্ছে নানা মুখী সমস্যায়। বাজারে ওষুধ বিক্রয়কারী, ক¤পাউন্ডারের পরামর্শ অথবা অনুমানের উপর ভর করে চলে খামারিদের চিকিৎসা। প্রয়োজনে অপ্রয়োজনীয় প্রয়োগ করা হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিকসহ নানা ওষুধ। ফলে চিকিৎসার অভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন তারা। লাভের পরির্বতে হয় লোকসান। খামারিরা বলেন, খামারের পশু অসুস্থ হলে সঠিক চিকিৎসার জন্য পরামর্শ পাওয়া যায় না। গাইবান্ধায় সবগুলো উপজেলার কোন ইউনিয়নে কোথাও পশু-পাখি চিকিৎসার জন্য সরকারি ব্যবস্থা নেই। তাদের অভিযোগ ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে প্রাণি স¤পদ দপ্তরের জন্য একটি কক্ষ বরাদ্দ থাকলেও সেখানে কোন জনবল নেই। মাসের পর মাস থাকে বন্ধ। জেলা প্রাণিস¤পদ অফিসার ডাঃ মোঃ আব্দুস ছামাদ বলেন প্রাণি সম্পদ হাসপাতালে চিকিৎসক না থাকার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে খুব শীঘ্রই চিকিৎসক পাবো। তিনি আরও বলেন, বেশিরভাগ পশু খামারের অবস্থান গ্রামে। বিশেষ করে বাড়িঘরে গবাদিপশু পালন শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে অনেক বেশি হয়। এ জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে পশু চিকিৎসার ব্যবস্থা করলে ভালো হয়। এতে করে যেমন গ্রামীণ নারীসহ উদ্যোক্তার সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। তেমনি বেকারও বিনিয়োগ করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

৫৫

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38450831
Users Today : 35
Users Yesterday : 1242
Views Today : 76
Who's Online : 22
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone