বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ১২:১২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা নোয়াখালী সুবর্ণচরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু শান্তর সেঞ্চুরি, প্রথম দিনটি শুধুই বাংলাদেশের বাংলাদেশ নিয়ে আবারও আল-জাজিরার অপপ্রচার গোবিন্দগঞ্জে ভ‚মিদস্যু ও চাঁদাবাজদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধায় ব্যবসায়ি হাসান আলীর মৃত্যুর ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার। বাংলাদেশ একাউন্টিং এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি সভাপতি অধ্যাপক হারুন, সম্পাদক সাইয়েদুজ্জামান নাটোরের বাগাতিপাড়ায় সরকারিভাবে গম সংগ্রহ অভিযান শুরু মামুনুল হকের মুক্তির জন্য কঠোর বার্তা- তালামীযের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের পতœীতলায় ছিন্নমূল মানুষের সাথে এক কাতারে বসে ইফতার করলেন পুলিশ সদস্যরা দুমকিতে বায়োফ্লকে বিষ দিয়ে মাছ নিধন। দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক লাখ এম.এল স্যালাইন দিলেন মেজর অব. ডা.ওহাব মিনার বকশীগঞ্জে ইফতার নিয়ে পথচারীদের পাশে ওসি গাইবান্ধায় করোনা সংক্রমণ বাড়ছে,নতুন আক্রান্ত ৭ সুনামগঞ্জে তাহিরপুরে এক গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু লাশ উদ্ধার

জনবল আছে সেবা নেই

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নে রামচন্দ্রপুর পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্র। এলাকার বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে এটিকে বালুয়া হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত। একসময় এই স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে চার উপজেলার অন্তত ১০ লাখ মানুষ চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতেন। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানটির বেহাল দশা। কর্তৃপক্ষের অযতœ আর অবহেলায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে ১৮ বিঘা জমির উপর র্নিমিত ১০ শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালটি। হাসপাতালের মূল অবকাঠামোসহ আবাসিক ভবনগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দেয়াল থেকে পলেস্তার খসে পড়ছে, দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় হাসপাতালের অনেক মূল্যবান যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে গেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় হাসপাতালের প্রধান ফটকে গরু, ছাগল, ভেড়া বিচরণ করছে। আশার কথা হলো, সদ্য এই হাসপাতালে দুইজন এমবিবিএস ডাক্তার যোগদান করেছে। তারা নিয়মিত আউটডোরে রোগীর চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন। নার্সসহ ১৯ পদের মধ্যে বর্তমানে ১৭টি পদে জনবল রয়েছে। জনবল থাকলেও মেডিকেল অফিসার ও দু’য়েকজন নার্স ছাড়া কেউই নিয়মিত আসেন না হাসপাতালে। ১০ শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালটির নানা জটিলতায় ২০০৮ সালে ইনডোর সেবা বন্ধ হয়ে যায়। পরে উদ্যোগ গ্রহণ করা হলেও তা চালু করা সম্ভব হয়নি। এ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা এক ব্যক্তি বলেন আগে নিয়মিত চিকিৎসা সেবা পাওয়া যেত, রক্ত পরীক্ষা, প্রস্রাব পরীক্ষা করা হতো। রোগী ভর্তি করা হতো, বর্তমানে কোনো কিছুই নেই। গ্যাস আর জ্বরের ঔষুধ ছাড়া কিছু পাওয়া যায় না। সিভিল সার্জন ডা.এবিএম আবু হানিফ বলেন রামচন্দ্রপুর পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি ১৯৬২ সালে স্থাপন করা হয়। প্রশাসনিক কারণসহ নানাবিধ জটিলতা ও জনবল সংকটের কারণে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়, তবে আমরা আউটডোর সার্ভিস চালু রাখতে সক্ষম হয়েছি। স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি চালুর জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দিয়েছেন। সেই প্রতিবেদনের আলোকে জেলা প্রশাসকসহ আমরা পরিদর্শন করে একটি প্রতিবেদন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেছি। এলাকাবাসী হাসপাতালটির পূর্বের পরিবেশে ফিরিয়ে আনার জন্য দাবি জানান।

Please Share This Post in Your Social Media


বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38455510
Users Today : 62
Users Yesterday : 1534
Views Today : 111
Who's Online : 35
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone