শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১, ০৮:২৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
লকডাউনে পোশাক কারখানা বন্ধ কিনা, জানা যাবে কাল বাংলাদেশে করোনা মৃত্যুতে রেকর্ড, কমেছে শনাক্ত করোনায় আক্রান্ত দুদকের ২১ কর্মকর্তা-কর্মচারী লকডাউনের আগের দু‍‍`দিন নিয়ে ধোঁয়াশা, যা বললেন প্রতিমন্ত্রী রাজারহাটে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের উদ্বোধন প্রজাতন্ত্র দিবসকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে ………আ স ম‌ রব এমপির প্রচেস্টার ফসল অঙ্কুরেই বিনস্ট দায় নিবে কে-? গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ নেতার বাসায় ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত লাশ বাগেরহাটে চলাচলের রাস্তা কেটে ঘেরের পানি নিষ্কাশন, তিন ইউনিয়নের মানুষের চরম ভোগান্তি তানোরে করোনাবিরোধী প্রচারণা ও মাক্স বিতরণ বেনাপোলে ভারতীয় গাঁজাসহ মাদক বিক্রেতা আটক তানোরে  কর্মসৃজন কর্মসুচি উদ্বোধন তানোরে  কর্মসৃজন কর্মসুচি উদ্বোধন লকডাউনে শ্রমজীবীদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন: কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) গোবিন্দগঞ্জে ভূগর্ভস্থ বালু উত্তোলন

জানাজা শেষে মুচকি হেসে বাসায় ফিরতো বাপ্পি, রাত হলেই কবরের লাশ তুলে বাসায় নিতো!

বিচিত্র জগৎ ডেস্ক : এলাকায় কোনো মানুষ মরলেই এক ধরনের খুশি হতো বাপ্পি। তাদের জানাজাতেও অংশ নিতো সে। জানাজা শেষে মুচকি হেসে বাসায় ফিরে যেতো। আর রাতের আঁধারেই নতুন কবরের লাশ তুলে নিজের বাসায় নিয়ে আসতো। এরপর লাশে কেমিক্যাল মিশিয়ে ঘুমাতে যেতো। বাপ্পি সম্পর্কে এমনই ভয়ংকর তথ্য দিয়েছে স্থানীয়রা।

বাপ্পি ময়মনসিংহ নগরীর আর কে মিশন রোড এলাকায় ‘আশানীড়’ নামে একটি তিনতলা ভবনের দোতলায় থাকতো। সে নগরীর কালিবাড়ি কবরখানা এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে। শনিবার রাত ২টার দিকে বাপ্পির বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। বাসায় তল্লাশি চালানোর সময় বস্তা আর কার্টনভর্তি মানুষের মাথার খুলি ও হাড় দেখে আঁতকে ওঠেন পুলিশ সদস্যরা।

সেই অভিযানে থাকা কোতোয়ালি মডেল থানার ৩ নম্বর ফাঁড়ির এসআই রাশেদুল ইসলাম জানান, বস্তা ও কার্টনভর্তি মানুষের মাথার খুলি ও হাড় দেখে আমরা অবাক হই। কার্টন থেকে একে একে বের হয় ১২টি মাথার খুলি ও দুই বস্তা হাড়। সেই সঙ্গে পাওয়া যায় বিশেষ কেমিক্যাল। যা দিয়ে মানবদেহ দ্রুত পচানো ও কঙ্কাল প্রক্রিয়াজাত করা হতো। এমন ঘটনায় রীতিমতো হতবাক এলাকাবাসী।

রোববার বিকেলে নগরীর আর কে মিশন রোড এলাকায় গিয়ে কথা হয় স্থানীয়দের সঙ্গে। আব্দুল কাইয়ুম নামে এক যুবক বলেন, বাপ্পির বাসার দোতলার বারান্দা পুরোটাই একটা পর্দা দিয়ে ঢাকা থাকতো। বাসার জানালাও কখনো খোলা থাকতে দেখা যায়নি। মাঝে মধ্যে কিছুটা সন্দেহ হলেও ভাবতাম তার স্ত্রী হয়তো পর্দাশীল। তাই সে বিষয়ে খুব একটা মাথা ঘামাতাম না।

আবুল কালাম নামে স্থানীয় আরেক ব্যক্তি বলেন, বাপ্পিকে ঘরের বাইরে খুব একটা বের হতেও দেখিনি। তবে সে অনেক রাত জাগতো। রাত ৩টা বা ৪টা পর্যন্ত তার বাসার লাইট জ্বলতো। ভেতরে এত কিছু হতো তা আমাদের ধারণাতেই ছিল না।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার বলেন, বাপ্পি দীর্ঘদিন ধরে কঙ্কালের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এর আগেও সে একবার কঙ্কালসহ গ্রেফতার হয়েছিল। ওই মামলায় জেলও খেটেছে। কিন্তু এরপরও এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল। কঙ্কাল চুরির সঙ্গে বাপ্পিসহ বেশ কয়েক সদস্যের একটি চক্র জড়িত। কবর থেকে লাশগুলো তুলে কেমিক্যালের মাধ্যেম প্রক্রিয়াজাত করা হতো। পরে এসব কঙ্কাল দেশ-বিদেশে বিক্রি করা হতো।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38440303
Users Today : 1349
Users Yesterday : 1410
Views Today : 11445
Who's Online : 24
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone